বাংলা কৌতুক [ Bangla Jokes ] – বাংলা জোকস, বাংলা হাসির গল্প, BD Jokes

বাংলা কৌতুক [ Bangla Jokes ] – বাংলা জোকস, বাংলা হাসির গল্প, BD Jokes

বাংলা কৌতুক [ Bangla Jokes ] – বাংলা জোকস, বাংলা হাসির গল্প, BD Jokesবাংলা কৌতুক [ Bangla Jokes ] – বাংলা জোকস, বাংলা হাসির গল্প, BD Jokes :

আমাদের বাংলা জোকস (Bangla Jokes), বিডি জোক্স (BD Jokes), বাংলা কৌতুক, বাংলা হাসির গল্প (Bengala comedy story), জোকসগুলো বেশিরভাগই বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও বই থেকে সংগৃহীত।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১ঃ পাটক্ষেতটা দেখাইয়া দেন

জামাই গেছে শ্বশুরবাড়িতে.. .
অনেকদিন বাদে আসছে তাই শাশুড়ি ভালো ভালো রান্না করছে।
পোলাও, মাংস, রুই মাছ, কোপ্তা, কালিয়া, দই, বেগুনভাজি এবং পাটশাক!!
তো শাশুড়ি প্রথমে জামাইর প্লেটে একগাদা পাটশাক তুলে দিল!

জামাই তাড়াতাড়ি সেটুকু খেয়ে ফেলল…
এদেখে শাশুড়ি বলে উঠলেন বাবা তোমার বুঝি পাটশাকটা খুব ভালো লেগেছে, আরেকটু দেই?…
বলতেবলতে আরেকগাদা পাটশাক জামাইয়ের প্লেটে তুলে দিলেন তিনি!
জামাই একটু মনক্ষুণ্ন হল!!

খাওয়ার এতো আইটেম; বড় বড় মাংসের টুকরা, মাছের পেটি তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে।
এখন তো শুধু পাটশাক খেয়েই পেট ভরে গেল! জামাই ঐটুকুও খেয়ে শেষ করতেই শাশুড়ি বললেন,.বাবা আরো একটু.দেব?
জামাই তখন খাওয়া ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আম্মা আপনার আর কষ্ট করে প্লেটে শাক তুলে দেয়া লাগবেনা!! পাটক্ষেতটা দেখাইয়া দেন, আমি গিয়া খাইয়া আসি!!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২ঃ আপনার কান দুটোর কি হল

শ্রীমভি রায় : ( তাঁর দুষ্টু, চঞ্চল ছোট মেয়েকে ) মিঠু, এখানে আমাদের বাড়ি তোমার বাপির এক বন্ধু আসবেন, তাঁর নাম মেজর গুপ্ত, যুদ্ধে ভদ্রলোকের দুটো কানই গুলি লেগে উড়ে গেছে, তাই ওঁকে দেখে যেন জিজ্ঞেস কোর না—আঙ্কেল, আপনার কান দুটোর কি হল ?— তাহলে উনি কিন্তু ভীষণ রেগে যাবেন ।

বলতে বলতে মেজর গুপ্ত কলিং বেল বাজিয়ে ঘরে ঢুকলেন । মিসেস রায় যখন তাঁকে আপ্যায়ন করে বসাচ্ছেন তখন মিঠু তার মাকে : মামি, তুমি বললে আঙ্কেলের দু’ কানই কাটা, কিন্তু একটা কানের যে আধখানা থেকে গেছে । তাতে আঙ্কেল রেগে যাবেন না তো ?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩ঃ সুন্দর ছুটির দিন

কর্মচারী: স্যার, পাঁচ দিনের ছুটি চাই।
বস: কেন? মাত্রই তো তুমি ১০ দিন ছুটি কাটিয়ে ফিরলে।
কর্মচারী: স্যার আমার বিয়ে।
বস: বিয়ে করবে ভালো কথা। তো এত দিন ছুটি কাটালে, তখন বিয়ে করোনি কেন?
কর্মচারী: মাথা খারাপ? বিয়ে করে আমার সুন্দর ছুটির দিনগুলো নষ্ট করব নাকি?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪ঃ দাদার বিয়ে

কর্মচারী: স্যার, একটা দিন ছুটি চাই।
বস: কেন? আবার কী?
কর্মচারী: স্যার, আমার দাদা…
বস: আবার দাদা? গত তিন মাসে তুমি চারবার দাদির মৃত্যুর কথা বলে ছুটি নিয়েছ।
কর্মচারী: স্যার, এবার আমার দাদার বিয়ে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫ঃ কর্মচারীর ওপর রাগ ঝাড়ি

রেগেমেগে অফিস থেকে বাড়ি ফিরলেন শফিক।
শফিকের স্ত্রী বললেন, ‘কী হলো? আজ এত চটে আছো কেন?’
শফিক: আর বোলো না। প্রতিদিন অফিসে যে কর্মচারীর ওপর রাগ ঝাড়ি, সে আজ অফিসে আসেনি। মেজাজটাই খারাপ হয়ে আছে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬ঃ অতিথি সৎকার

বাড়িতে অতিথি এসেছেন। মা পল্টুকে ডেকে বললেন, ‘বাবা পল্টু, জলদি অতিথিদের জন্য বাইরে থেকে একটা কিছু নিয়ে এসো তো’।
দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল পল্টু। কিছুক্ষণ পর ফিরল খালি হাতে।
মা: কী হলো? কী আনলে ওনাদের জন্য?
পল্টু: ট্যাক্সি! ওনারা যেন চটজলদি বাড়ি ফিরতে পারেন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭ঃ লোক দেখানো যাওয়া

শফিক আর কেয়া—দুজনের ছোট্ট সংসার। এর মাঝে একদিন উটকো এক অতিথির আগমন।
দিন গড়িয়ে সপ্তাহ পেরোয়, অতিথির আর যাওয়ার নামগন্ধ নেই। বিরক্ত হয়ে একদিন লোকটাকে তাড়ানোর ফন্দি আঁটল দুজন।
পরদিন সকাল না হতেই তুমুল ঝগড়া শুরু করল শফিক-কেয়া। ঝগড়া একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে চলে গেল।
অবস্থা বেগতিক দেখে চুপচাপ বাক্স-পেটরা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল অতিথি।
অতিথি বেরিয়ে গেলে ঝগড়া থামাল দুজন। কেয়াকে বলল শফিক, ‘ওগো, বেশি লেগেছে তোমার?’
কেয়া: আরে নাহ্! আমি তো লোক দেখানো কাঁদছিলাম!
এমন সময় দরজা দিয়ে ঢুকতে ঢুকতে বলল অতিথি, ‘আমিও তো লোক দেখানো গিয়েছিলাম!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮ঃ ভালো কাজের পুরস্কার

নতুন বছরের প্রথম দিন মালিক বলছেন চাকরকে, ‘গত বছর তুই বেশ ভালো কাজ করেছিস।

এই নে ১০ হাজার টাকার চেক। এ বছর এমন ভালো কাজ দেখাতে পারলে আগামী বছর চেকে সই করে দেব!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯ঃ লাইট ছাড়া কাজ করব কী করে

অপু এবং নাছের দুই বন্ধু একই অফিসে চাকরি করে।
অপু: দোস্ত, কত দিন ধরে ছুটি পাই না। কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু বস তো কিছুতেই ছুটি দেবেন না।
নাছের: হুমম্। আমিও হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু আমি বসের কাছ থেকে ছুটি নিতে পারব, দেখবি?
বলেই নাছের টেবিলের ওপর উঠে দাঁড়াল এবং ছাদ থেকে বেরিয়ে আসা একটা রড ধরে ঝুলতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর বস এলেন।
বস: এ কী নাছের! তুমি ঝুলে আছ কেন?
নাছের খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল, ‘স্যার আমি লাইট, তাই ঝুলে আছি।’
বস ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন। কিছুক্ষণ ভেবে বললেন, ‘অতিরিক্ত কাজের চাপে তোমার মস্তিষ্ক বিকৃতি দেখা দিচ্ছে। তুমি বরং এক সপ্তাহের ছুটি নাও।’
নাছের অপুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে রুম থেকে বিদায় নিল।
অপু চেয়ে চেয়ে দেখল। নাছের বেরিয়ে যেতেই সেও নাছেরের পিছু নিল।
বস: সে কী! ছুটি তো ওকে দিয়েছি! তুমি কোথায় যাচ্ছ?
অপু: কী আশ্চর্য! লাইট ছাড়া কাজ করব কী করে?!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯ঃ এমএস অফিস

পল্টুর অফিসে প্রথম দিনেই বড় কর্তার সঙ্গে কথা হচ্ছে—
বড় কর্তা: আপনি কম্পিউটারে কী কী কাজ জানেন?
পল্টু: স্যার, প্রায় সব ধরনের কাজই করতে পারি।
বড় কর্তা: আচ্ছা, আপনি এমএস অফিস জানেন?
পল্টু: আজই যেতে হবে! তাহলে ওই অফিসের ঠিকানাটা একবার বলে দিলেই আমি খুঁজে বের করতে পারব, স্যার।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯ঃ গাধা

অফিসে কাজে গাফিলতির কারণে বড় কর্তা বেশ রেগে আছেন মোকলেসের ওপর। বড় কর্তা মোকলেসকে ডেকে বললেন, ‘সব কাজই নষ্ট করে ফেলেছেন আপনি। এই অফিসে একটা গাধা আছে, আপনি জানেন?’
মোকলেস বড় কর্তার অগ্নিমূর্তি দেখে মাথা নিচু করে জবাব দিল, ‘না, স্যার।’
‘নিচে কী দেখছ, আমার দিকে তাকাও?’—বড় কর্তার জবাব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০ঃ অসুস্থতা

অফিসের বড় কর্তা ও মন্টুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
বড় কর্তা: আচ্ছা আপনি আগের চাকরিটা ছেড়ে দিলেন কেন?
মন্টু: অসুস্থতার জন্য, স্যার।
বড় কর্তা: তা কী হয়েছিল আপনার?
মন্টু: আরে আমার তো কিছুই হয়নি। ওই অফিসের বড় কর্তাই তো আমার কাজে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, মানে তার প্রায় মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় হয়েছিল স্যার।

কৌতুক Joke 6 বাংলা কৌতুক [ Bangla Jokes ] – বাংলা জোকস, বাংলা হাসির গল্প, BD Jokes

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১ঃ সরকারি অফিসের পিয়ন – ভিক্টর কাকল্যুশকিন

এক সরকারি অফিসে পিয়নের কাজ করে নিকিফরোভ। তাকে বলা হয়:
‘ফাইলটা নিয়ে যাও।’
সে নিয়ে যায়।
বলা হয়:
‘নিয়ে এসো।’
সে নিয়ে আসে।
একদিন তাকে ধমক দিয়ে বলা হলো:
‘এত দেরি হয় কেন?’
‘শ্-শালা!’ মনে মনে ভাবল সে। মেজাজটা খিঁচড়ে গেল। ‘একদিন আমি তোমাদের মজা দেখাব, তখন ঠ্যালা বুঝবে!’

একদিন কয়েকটি ফাইল অন্য ঘরে পৌঁছে দেওয়ার সময় একটা ফাইল সে ফেলে দিল ডাস্টবিনে।
সে রাতে প্রায় ঘুমাতেই পারল না নিকিফরোভ। জেগে জেগে মিষ্টি স্বপ্ন দেখল, কল্পনা করল, ফাইল হারানোর খবর ফাঁস হয়ে গেলে কী মজার কাণ্ডটাই না হবে!
কিন্তু পুরো একটা সপ্তাহ পার হয়ে গেল। কেউ মনেও করল না ফাইলটার কথা!
‘বোধহয়, একটি নয়, আরও কয়েকটি ফেলার দরকার ছিল’, ভাবল নিকিফরোভ।
এবং সুযোগ বুঝে গোটা দশেক ফাইল ডাস্টবিনে ফেলে দিল একবারে।
‘ঠ্যালা এবারে নিশ্চয়ই বুঝবে!’ আশ্বস্ত করল সে নিজেকে।

প্রতীক্ষার দিন বাড়তেই থাকল একের পর এক। প্রতিদিন সকালে সে একবার করে ঢুঁ মারে সেক্রেটারি ল্যুদার ঘরে।
‘কেমন আছেন?’ জিজ্ঞেস করে সে, ‘নতুন কোনো খবর আছে?’
‘কেন, কোনো খবর হবার কথা আছে?’ অবাক স্বরে জানতে চায় ল্যুদা।
‘না, এমনিই জিজ্ঞেস করলাম,’ নিকিফরোভ উত্তর দেয়।

দ্বিতীয় সপ্তাহ শেষ হয়ে আসতে আসতে রীতিমতো শুকিয়ে গেল সে; মলিন হলো চেহারা। তৃতীয় সপ্তাহের শুরুতে আর সহ্য হলো না তার। সুযোগ বুঝে তার হাতে ধরিয়ে দেওয়া সব কটি ফাইল ফেলে দিল ডাস্টবিনে।
‘এবার এমন ঠ্যালা খাবে বাছাধনেরা!’ নিশ্চিত ধারণা হলো তার।

তারপর পেরিয়ে গেল তিন-তিনটে বছর। তার সঙ্গে প্রভাতকালীন প্রাত্যহিক সাক্ষাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে ল্যুদা।
এই দীর্ঘ সময়ে নিকিফরোভ হাল ছেড়ে দিয়েছে খানিকটা। চুল কমে এসেছে মাথায়, ভাঁজ পড়েছে মুখের চামড়ায়। শুধু চোখে রয়ে গেছে আহত অহংকারের ঝিলিক।
‘ঠ্যালা একদিন বুঝবে! বুঝতেই হবে!’ অফিসের ফাইল নিয়মিত ডাস্টবিনে ফেলতে ফেলতে আশা তবু ছাড়ে না সে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২ঃ চৌকস বস

চৌকস বস হচ্ছে সে, যে অফিসের মিটিং সংক্ষিপ্ত করার জন্য বলেন, এগুলো হলো আমার প্রস্তাব।

কারও যদি কোনো ব্যাপারে দ্বিমত থাকে তাহলে হাত তুলে বলুন, ‘আজ থেকে আমি রিজাইন করলাম।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩ঃ ডিসিপ্লিন কী

ডিসিপ্লিন কী?
: বসের চেয়ে বোকা হবার ভান করার আর্ট।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪ঃ এর থেকে বেশি

বাড়িতে অতিথি বেড়াতে এসেছে বাসায় ছোট বাচ্ছার সঙ্গে খাতির জমানোর চেষ্টা করছে-
অতিথি : কাছে এস বাবু আমাকে একটু চুমু দাও। তাহলে তোমাকে পাঁচ টাকা দেব।
বাবু : শুধু অষুধ খাওয়াতেই মা এর থেকে বেশি দেয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫ঃ গ্ল্যামারের দিকে নজর

বস : এ কী টাইপিষ্ট নিয়েছেন? সুন্দরী তাতে সন্দেহ নেই-কিন্তু প্রতিটি লাইনে এক গন্ডা ভুল। আপনাকে বলি নি, টাইপিষ্ট নেবার সময় গ্রামারের দিকে নজর রাখবেন।
ম্যানেজার : শুনতে ভুল হয়েছিল স্যার। আমি গ্ল্যামারের দিকে নজর রেখেছিলাম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬ঃ কী করে বলব

বাইরে থেকে দরজা নক করছে।
ভেতর থেকেঃ কে?
বাইরে থেকেঃ আমি।
ভেতর থেকেঃ আমি কে?
বাইরে থেকেঃ আরে, আপনি কে আমি কী করে বলব?

সমীরণ চক্রবর্তী
অন্তপুর, পরশুরাম, ফেনী

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭ঃ বাড়তি উৎপাত

বাসা খালি। পাহারায় আছি আমি আর আমার এক সমবয়সী মামু। দারুণ আনন্দে কাটছে দিন, যা ইচ্ছা তা-ই করছি আমরা। স্বাধীন জীবন দুজনের। এর মধ্যে হঠাৎ গেস্ট এসে হাজির। হায় হায়, এখন কী করা? নিজেদের স্বাধীন জীবনে বাড়তি উৎপাত কিছুতেই সহ্য করা হবে না। কী করা যায়? দুজনে মিলে বুদ্ধি করলাম। গেস্ট সকালে বেরিয়ে যায়, সন্ধ্যায় আসে। আমরা ঠিক করলাম, সন্ধ্যায় আমরা গা ঢাকা দেব। সে সন্ধ্যায় বাসায় ঢুকতে পারবে না, পরে বাধ্য হয়ে কেটে পড়বে। যেই ভাবা, সেই কাজ। দুজনে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মেরে শ্যামলী হলে সেকেন্ড শোতে সিনেমা দেখতে ঢুকে পড়লাম। সিনেমা শেষ হতে হতে রাত ১২টা। আমাদের গেস্ট কি আর আমাদের জন্য সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে? বিরতির সময় দুজন বাইরে এলাম সিগারেট টানতে। বাইরে এসে দেখি আমাদের গেস্ট! সেও সিগারেট টানছে!!
: আ-আপনি?
: বাসায় তালা দেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষায় থেকে বুদ্ধি করে সেকেন্ড শো সিনেমায় ঢুকে পড়লাম। যাক, ভালোই হলো, তোমরাও···।
তারপর আর কি···বাকি ছবি তিনজন একসঙ্গে দেখলাম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮ঃ লোক দেখানো গিয়েছিলাম

সেই যে বাড়ীতে এক অথিতি এসেছে। এক সপ্তাহ যায় দু সপ্তাহ যায় তবু নড়বার কোন লক্ষণ নেই। স্বামী-স্ত্রী কেউ কিছু বলতে পারে না লজ্জায় । একদিন পাশের ঘরে অথিতিকে শুনিয়ে দুজন খুব ঝগড়া করতে লাগলো, মিছামিছি। স্ত্রীকে স্বামীর প্রহার এবং স্ত্রীর কান্নায় আওয়াজও শোনা গেল এক পর্যায়ে। গতিক সুবিধের নয় ভেবে অথিতি ভদ্রলোক তার সুটকেস নিয়ে এক ফাকে বেরিয়ে গেল। জানালা দিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনায় তা দেখে ঝগড়া বন্ধ করে খুব এক চোট হেসে নিল- যে বুদ্ধি করে তারা অথিতি তাড়াতে পেরেছে। স্বামী বললো তোমার লাগে টাগে নিতো? যে জোরে কাঁদছিলে। স্ত্রী বললো দূর একটুও লাগেনি। এ তো লোক দেখানো কেঁদেছিলাম । হাসিমুখে এক সময় অথিতির আর্বিভাব, হেঁ, হেঁ আমিও কিন্তু লোক দেখানো গিয়েছিলাম ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯ঃ দার্জিলিং স্পেশাল

গৃহস্বামী: এই যে চা খেলেন, এটা একেবারে দার্জিলিং স্পেশাল।
অতিথি: বোধহয় এইজন্যই এত ঠান্ডা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০ঃ অতিথি আপ্যায়ন

অনেক দিন পর বাড়িতে একজন মেহমান এসেছে। মেহমান দেখে বাড়ির মালিক বললেন, তা কেমন আছেন, অনেক দিন পর এলেন, আজ তো আর থাকবেন না, আবার কবে আসবেন?
মেহমান : অনেক দিন পর এলাম, যেতে তো আর দিবেন না, লুঙিটা দিন গোসলটা সেরেই আসি।

কৌতুক Joke 5 বাংলা কৌতুক [ Bangla Jokes ] – বাংলা জোকস, বাংলা হাসির গল্প, BD Jokes

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১ঃ সস্তার তিন অবস্থা

এক লোক বিবাহ বিচ্ছেদ করতে উকিলের কাছে গেল। উকিল মামলার জন্য দশ হাজার টাকা দাবি করলেন।
লোকটি বললো, বিয়ের সময় পুরোহিত নিয়েছিল মাত্র একশ টাকা। এখন দেখছি সস্তার তিন অবস্থা!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২ঃ রতনে রতন চেনে, উকিলে চেনে উকিল

আদালতে দুই পক্ষের উকিলে ঝগড়া বেঁধেছে ।

প্রথম উকিল : আপনি মিথ্যাবাদী, জোচ্চোর ।

দ্বিতীয় উকিল : মুখ সামলে কথা বল । তুমি তো ধাপাবাজ, নচ্ছার ।

বিচারক : আঃ এত গোলমাল কিসের । আপনারা দুজনকেই তো দেখছি বেশ ভাল ভাবেই চিনে নিয়েছেন, এখন মামলার কথা বলুন ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩ঃ প্রমাণ

সগীর: উকিল সাহেব, আমার প্রতিবেশী দস্তগীর সাহেবের কাছে আমি ৫০ হাজার টাকা পাই। কিছুদিন আগেই তিনি ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু ফেরত দিচ্ছেন না। আমি এখন কী করতে পারি?
উকিল: আপনি যে তাঁর কাছে টাকা পান, কোনো প্রমাণ আছে?
সগীর: না তো।
উকিল: ঠিক আছে। আপনি তাঁকে একটা চিঠি পাঠান। চিঠিতে লিখুন, ‘আপনার কাছে আমি যে এক লাখ টাকা পাই, সেটা জলদি ফেরত দিন।’
সগীর: তাতে কি কোনো লাভ হবে? আমি তো এক লাখ না, ৫০ হাজার টাকা পাই। দস্তগীর চিঠির উত্তরে সেটাই লিখবে।
উকিল: ব্যস, সেটাই তো চাই। আপনার হাতে তখন একটা প্রমাণ থাকবে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪ঃ দূরে থাকার চেষ্টা

উকিল বলছেন আসামিকে, ‘এবারের মতো তোমাকে বেকসুর খালাস পাইয়ে দিলাম। কিন্তু এখন থেকে পাজি লোকজনের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে।’
আসামি: অবশ্যই স্যার। আমি অবশ্যই আপনার কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫ঃ এক ডজন উকিল

একজন শিক্ষক গেছেন নাপিতের দোকানে চুল কাটাতে। চুল কাটা শেষে নাপিত বললেন, ‘আপনি একটি মহৎ পেশায় নিয়োজিত। আপনার কাছ থেকে আমি টাকা নেব না স্যার।’
শিক্ষক খুব খুশি হলেন। পরদিন সকালে নাপিত দোকানে এসে দেখেন, দোকানের সামনে শিক্ষক এক ডজন বই রেখে গেছেন। সেদিন চুল কাটাতে এল এক পুলিশ। চুল কাটা শেষে নাপিত বললেন, ‘আপনি জনগণের সেবক। আপনার কাছ থেকে কী করে টাকা নিই?’ পুলিশ খুশি হয়ে পরদিন নাপিতের দোকানের সামনে এক ডজন কমলা রেখে গেলেন।
পরদিন নাপিতের দোকানে এলেন এক উকিল। নাপিত উকিলের কাছেও টাকা রাখলেন না। বললেন, ‘আপনি ন্যায়ের জন্য লড়াই করেন। আপনার কাছে আমি টাকা নেব না, স্যার।’
পরদিন দেখা গেল, এক ডজন উকিল নাপিতের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬ঃ কারণ জানতাম

উকিল: দুর্ঘটনার সময় আপনি কি সেখানে উপস্থিত ছিলেন?
প্রত্যক্ষদর্শী: হ্যাঁ।
উকিল: দুর্ঘটনাস্থল থেকে আপনি ঠিক কতটুকু দূরে ছিলেন?
প্রত্যক্ষদর্শী: ৪০ ফুট সাড়ে ছয় ইঞ্চি।
উকিল: হুমম্। এত নিশ্চিত হয়ে বললেন কী করে?
প্রত্যক্ষদর্শী: গজ ফিতা দিয়ে মেপে রেখেছিলাম।
উকিল: কেন?
প্রত্যক্ষদর্শী: কারণ, জানতাম, আপনার মতো কোনো একজন আমাকে এই প্রশ্নটা করবে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭ঃ কিছু বলার আছে

উকিল: মাননীয় আদালত, সব তথ্যের ভিত্তিতে এটা নিঃসন্দেহে প্রমাণিত যে, আমার মক্কেল জনাব ছক্কু সম্পূর্ণ নির্দোষ। ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। অতএব, তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়া হোক।
বিচারক: তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জনাব ছক্কুকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো। জনাব ছক্কু, আপনার কি কিছু বলার আছে?
ছক্কু: আমাকে কি ব্যাংকের টাকাগুলো ফেরত দিতে হবে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮ঃ ভুলে যাওয়ার উদাহরণ

উকিল: আপনি বলতে চাইছেন, আপনার ভুলে যাওয়া রোগ আছে?
বিবাদী: জি।
উকিল: এমন কিছুর উদাহরণ দিতে পারেন, যা আপনি ভুলে গেছেন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯ঃ জন্মদিন কবে

উকিল: আপনার জন্মদিন কবে?
বিবাদী: ১৫ জুলাই।
উকিল: কোন বছর?
বিবাদী: প্রতিবছর!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩০ঃ ছবিটা তোলার সময় উপস্থিত

উকিল: দেখুন তো, এই ছবিটা কি আপনার?
বাদী: জি।
উকিল: ছবিটা তোলার সময় কি আপনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন?

কৌতুক Joke 4 বাংলা কৌতুক [ Bangla Jokes ] – বাংলা জোকস, বাংলা হাসির গল্প, BD Jokes

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩১ঃ স্বামীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার

উকিল প্রশ্ন করছেন এক ভদ্রমহিলাকে, ‘যেদিন আপনার স্বামীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হলো, সেদিন সকালে ঘুম ভেঙে তিনি প্রথম কী বলেছিলেন?’
ভদ্রমহিলা: বলেছিলেন, ‘শুভ সকাল, ফারাহ।’
উকিল: উত্তরে আপনি কী বললেন?
ভদ্রমহিলা: বললাম, আমার নাম ফারাহ নয়, আমার নাম তন্বী!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩২ঃ চোরের মা’র ৫০০ সাক্ষী

উকিল বলছেন চোরকে, ‘তুমি বলছ তুমি নিরপরাধ, অথচ পাঁচজন সাক্ষী বলছে তারা তোমাকে দোকান থেকে ঘড়িটা চুরি করতে দেখেছে।’
চোর: হুজুর, আমি এমন ৫০০ জনকে হাজির করতে পারব, যারা আমাকে চুরি করতে দেখেনি!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৩ঃ মধুচন্দ্রিমায় একা

উকিল: আপনি মধুচন্দ্রিমায় কোথায় গিয়েছিলেন?
বিবাদী: কক্সবাজার।
উকিল: একাই?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৪ঃ কী কী ভুলে গেছেন

উকিল: আপনি বলতে চাইছেন, আপনার কিছুই মনে নেই?
সাক্ষী: জি না, কিছুই মনে নেই।
উকিল: কী কী ভুলে গেছেন, সেটা কি মনে আছে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৫ঃ মেয়ে কজন

উকিল: আপনার তিন সন্তান, তাই তো?
আসামি: হ্যাঁ।
উকিল: ছেলে কজন?
আসামি: একজনও নয়।
উকিল: মেয়ে কজন?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৬ঃ দায়িত্ব শেষ

মৃত্যু-শয্যায় শায়িত এক লোক উকিলকে দিয়ে উইল লেখাচ্ছিলেন। ‘নিম্নলিখিত লোকগুলো আমার শব বহন করবে;’ বলে বেশ কয়েকজনের নাম লেখালেন। উকিল দেখলেন, যাদের নাম লেখানো হয়েছে তাদের কারো সঙ্গেই তার ভালো সর্ম্পক নেই। তা হলে কেন এদেরকে দিয়েই শব বহন করাতে চান তিনি?
কৌতুহল দমন করতে না পেরে প্রশ্নটা করেই ফেললেন উকিল।
লোকটি বলল, এরা আমার কাছে টাকা পায়। এরা যখন আমাকে জীবনের বহু সময় বহন করেছে, তখন আমার শব বহন করে তাদের দায়িত্বটা শেষ করুক।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৭ঃ প্রমাণ

: তা হলে তুমি বলছ ওই লোকটা তোমার ঘর থেকে চুরি করেছে।
: জি হুজুর।
: ওর কাছে পাওয়া সব জিনিসপত্র টেবিলে আছে এর মধ্যে কোন জিনিসটা তোমার বলতে পার?
: নিশ্চিত হুজুর। ওই কোণে ই লেখা রুমালটা আমার।
: এটা কোনো প্রমাণ হতে পারে না। আমার পকেটেও একটা ই লেখা রুমাল আছে।
: এখন মনে পড়েছে হুজুর। আসলে ই লেখা দুটো রুমাল আমার হারিয়েছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৮ঃ রিভলবারের সামনে মেয়ে-মানুষ

উকিল : তা হলে ঐ ভদ্রলোক যখন রিভলবার হাতে আপনার দিকে এগিয়ে আসছিলেন তখন আপনার হাতে কিছুই ছিল না?
মক্কেল : ছিল, ঐ ভদ্রলোকের স্ত্রীই ছিল আমার হাতে কিন্তু রিভলবারের সামনে মেয়ে-মানুষ আর কী কাজে আসবে বলুন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৯ঃ ডিভোর্স করার গ্রাউন্ড

ভদ্রলোক : আমি আপনার কাছে জানতে এসেছি আমার ডিভোর্স করার গ্রাউন্ড আছে কি না?
উকিল : আপনি কি বিবাহিত?
ভদ্রলোক : অবশ্যই।
উকিল : তা হলে গ্রাউন্ড আছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪০ঃ কখন ঘড়িটি দিলেন

উকিল: আচ্ছা, আপনি ওই লোকের ঘড়ি চুরি করলেন কেন?
মক্কেল: না! আমি তো চুরি করিনি। তিনি নিজেই আমাকে ঘড়িটি দিয়েছেন।
উকিল: কী বলছেন! তিনি কখন আপনাকে ঘড়িটি দিলেন?
মক্কেল: কেন? আমি যখন আমার বন্দুকটি দেখালাম!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪১ঃ টাকা দিয়ে জলদি কেটে পড়ুন

নতুন এক মক্কেল বিখ্যাত এক উকিলের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন—
মক্কেল: আচ্ছা, আপনার ফি কত?
উকিল: আমি প্রতি তিনটি প্রশ্নের উত্তরে ১৫ হাজার টাকা নিই।
মক্কেল: কেন, আপনি এত বেশি টাকা নেন কেন?
উকিল: এটাই তো আমার ন্যায্য পারিশ্রমিক। হাতে সময় কম। এবার আপনার তিন নম্বর প্রশ্নটি বলে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে জলদি কেটে পড়ুন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪২ঃ অপারেশন থিয়েটার

এক মক্কেল দৌড়ে হাঁপাতে হাঁপাতে এসে উকিলের কক্ষে ঢুকে তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন—
মক্কেল: উকিল সাহেব, আমি একটু আগে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে তো সিনেমা দেখানোর বদলে জ্যান্ত মানুষ কাটা দেখাচ্ছে।
উকিল: তা আপনি সিনেমা দেখার জন্য কোন সিনেমা হলে গিয়েছিলেন, শুনি?
মক্কেল: কেন? সব থিয়েটারেই তো সিনেমা চলে। আমি যে থিয়েটারে গিয়েছিলাম, তার সামনে লেখা ছিল ‘অপারেশন থিয়েটার’।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৩ঃ কার পেশা আগে এসেছে

কার পেশা আগে এসেছে—এ নিয়ে একজন ডাক্তার, একজন ইঞ্জিনিয়ার আর একজন উকিল খোশগল্পে মেতেছেন। ডাক্তার বললেন, ‘সবার আগে মানুষ এসেছে। আমরা মানুষের রোগ নিয়ে কাজ করি, তাই চিকিত্সা পেশাটাই সবচেয়ে প্রাচীন।’ প্রকৌশলী কিছুতেই মানতে রাজি নন, ‘কিন্তু মানুষ আসার আগে তো তাদের ঘরবাড়ি বানাতে হয়েছে নাকি! তাহলে তো ইঞ্জিনিয়ারই আগে আসে।’ এবার উকিলের পালা—‘তো মশাই, বাড়ি বানানোর আগে তো মামলা-মোকদ্দমা করে মানুষকে জমির মালিক হতে হয়েছে, তাই না? তাহলে এবার আপনারাই বলুন, কার পেশাটা আগে আসে?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৪ঃ বন্যাটা কীভাবে ঘটালেন

নদীর ধারে এক উকিল আর এক প্রকৌশলী মাছ ধরছেন। দুজনেই দুজনকে চিনতে পেরে কথা বলছেন—
প্রকৌশলী: আরে, আপনি এখানে কেন?
উকিল: আর বলবেন না! আগুনে পুড়ে আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। তবে আজই বিমা প্রতিষ্ঠান আমাকে সব টাকা ফেরত দিয়ে দেবে।
প্রকৌশলী: বলেন কি! আমারও তো একই অবস্থা। বন্যায় আমার ঘরবাড়িসহ সবকিছু ভেসে গেছে রে ভাই! আমারও বিমা করা ছিল। তাই আজই তারা আমাকে সব অর্থ ফেরত দেবে।
উকিল: তা মশাই, আপনি বন্যাটা কীভাবে ঘটালেন, বলুন তো?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৫ঃ হাতে কি কিছুই ছিল না

আদালতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন উকিল-
: কিন্তু ওই ভদ্রলোক যখন রিভলবার হাতে আপনার দিকে এগিয়ে আসে, তখন আপনার হাতে কি কিছুই ছিল না?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৬ঃ যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন

: উকিল সাহেব, আমি আপনার কাছে জানতে এসেছি আমার কি ডিভোর্সের আবেদন করার উপযুক্ত ভিত্তি আছে?
: আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে আছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৭ঃ দুটো রুমালই চুরি গেছে

উকিল : কী করে বুঝলেন আসামির পকেটে পাওয়া রুমালটি আপনারই?
বাদী : ওটার কোনায় ‘পি’ লেখা ছিল।
উকিল : হাহ! আমার পকেটেও একটা ‘পি’ লেখা রুমাল আছে।
বাদী : ঠিক আছে। আমার তবে দুটো রুমালই চুরি গেছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৮ঃ পাগল-ছাগলের প্রলাপ

এক প্রখ্যাত উকিল বিচারকের চাকরি পেয়েও ফিরিয়ে দিলেন। তার যুক্তি- ‘ঘন্টার পর ঘন্টা জুড়ে আমি পাগল-ছাগলের প্রলাপ শুনতে রাজি নই।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৯ঃ মিথ্যা বলে লাভ কী

বিচারের সময় জজ আসামিকে বললেন, তুমি মিথ্যা কথা বলছ।
আসামি বলল, না হুজুর, আমার মিথ্যা বলে লাভ কী? আমি তো উকিল নই।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫০ঃ ব্রেইন ছাড়া মানুষ

ময়নাতদন্তের রিপোর্টসহ সাক্ষী হিসেবে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছেন একজন ডাক্তার। আসামিপক্ষের উকিল তাকে জেরা করার অনুমতি চাইলেন। বিচারকের অনুমতি পেয়ে তাদের মাঝে নিুাকে্ত কথা হল-
: আপনি কি নিজে একাই এ ময়নাতদন্তটি করেছেন?
: জি।
: যখন আপনি তার গায়ে প্রথম ছুরিটি চালান আর কেউ আপনার সঙ্গে ছিল সেই রুমের ভেতর?
: কেউ ছিল না।
: তাহলে আমি যদি বলি সেই লোকটিকে আমার মক্কেল হত্যা করে নি, আপনি হত্যা করেছেন। আপনি ময়নাতদন্ত শুরু করার আগমুহুর্ত পর্যন্ত ও তার দেহে প্রাণ ছিল। কী বলেন? আমি কি এ কথা বলতে পারি না?
: জ্বি না, পারেন না …
: কেন? ময়নাতদন্ত শুরু করার আগে আপনি কি তার পালস পরীক্ষা করেছিরেন?
: না …
: হার্টবিট চেক করেছিলেন? বা প্রেসার?
: জ্বি না।
: আপনি কি এটাও দেখেন নি যে তার শ্বাসপ্রশ্বাস চালু আছে কি না?
: জ্বি না। আমি ওসব কিছুই দেখি নি বা চেক করি নি।
: আহা ! তাহলে আপনি কীভাবে এত নিশ্চিত হয়ে বলেছেন যে আপনি যখন ময়নাতদন্ত শুরু করেছেন তখন সে মৃত?
: কারণ তখন তার আস্ত ব্রেইনটি বের করে আমার টেবিলের ওপর একটি বিশেষ পরীক্ষার জন্য বয়ামে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এবার উকিল সামান্য অপ্রস্তুত হয়ে ফের জিজ্ঞেস করল-
: কেন? ব্রেইন ছাড়া কি মানুষ কোনোভাবেই বেঁচে থাকতে পারে না?
: পারে …ওকালতি করে বেঁচে থাকতে পারে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫১ঃ গন্ধে টিকতে পারি না

উকিল : আপনি আপনার ভাইদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চাচ্ছেন কেন?
বাদী : স্যার আমার বড় ভাই তার ঘরে তিনটা ছাগল পালে, মেজো ভাই তার ঘরে ২টা শুয়োর পালে, সেজো ভাই পালে চার ভেড়া … গন্ধে টিকতে পারি না।
উকিল : আপনার ঘরের জানালা খুলে রাখলেই পারেন।
বাদী : পাগল হয়েছেন। জানালা খুলি আর আমার পালা বাদুড়গুলি সব উড়ে যাক।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫২ঃ গরু চুরির মামলা

উকিলবাবু : তোমার তাহলে চুরির মামলা? কিন্তু মামলার খরচ চালাবে কী করে?
মক্কেল : হুজুর টাকাপয়সা নেই। তবে একটা গরু আছে।
উকিলবাবুন : ঠিক আছে। তাহলে গরু বেচেই আমার ফি দেবে। তা পুলিশ তোমার নামে কোন জিনিস চুরির মামলা দিয়েছে।
মক্কেল : ওই গরু চুরির মামলা হুজুর।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৩ঃ কটা কিছু বলতেই হবে

হন্তদন্ত হয়ে মহিলা ছুটে এলেন
: আমি কিছু শুনতে চাই না ডাক্তার সাহেব আপনি আমার সমস্যাটা মোটেই গুরুত্ব দিচ্ছে না, আজ আপনাকে একটা কিছু বলতেই হবে।
: একটা না আমি তিনটা কথা বলব। এক, আপনি অত্যধিক মোটা একজন মহিলা; দুই, আপনার বাস্তব বুদ্ধি কম; তিন, ডাক্তার সাহেব পাশের রুমে বসেন। আমি একজন উকিল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৪ঃ ভালো করে ভেবে দেখুন

এক ভদ্রলোকঃ আমি আমার বউকে ডিভোর্স দিতে চাই।
আইনজীবীঃ কারণ কী?
ভদ্রলোকঃ আমার বউ আমার সঙ্গে গত ছয় মাস কোনো কথা বলেনি।
আইনজীবীঃ ব্যাপারটা ভালো করে ভেবে দেখুন। এ রকম নীরব স্ত্রী কিন্তু খুব একটা সহজে পাওয়া যায় না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৫ঃ প্রথম কথা

উকিলঃ সকালে জেগে উঠে আপনার স্বামী প্রথম কোন কথাটা বলেছিল?
সাক্ষীঃ সে বলল, ‘আমি কোথায়, ক্যাথি?’
উকিলঃ কিন্তু এতে দুঃখ পাওয়ার কী আছে?
সাক্ষীঃ কারণ আমার নাম তো সুসান!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৬ঃ পুরুষ না মহিলা

উকিলঃ লোকটা দেখতে কেমন ছিল সেটা বলতে পারবেন?
সাক্ষীঃ সে ছিল মাঝারি গড়নের আর তার মুখে দাড়ি ছিল।
উকিলঃ আচ্ছা। এবার বলুন, সে পুরুষ না মহিলা?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৭ঃ ময়নাতদন্ত

উকিলঃ আচ্ছা, ডাক্তার সাহেব, আপনি কতগুলো মৃত মানুষের ময়নাতদন্ত করেছেন?
সাক্ষীঃ সবগুলোই তো মৃত। জীবিত মানুষের ময়নাতদন্তে অনেক ঝামেলা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৮ঃ মগজ ছাড়া বাঁচতে পারত

উকিলবাবু : তোমার তাহলে চুরির মামলা? কিন্তু মামলার খরচ চালাবে কী করে?
মক্কেল : হুজুর টাকাপয়সা নেই। তবে একটা গরু আছে।
উকিলবাবুন : ঠিক আছে। তাহলে গরু বেচেই আমার ফি দেবে। তা পুলিশ তোমার নামে কোন জিনিস চুরির মামলা দিয়েছে।
মক্কেল : ওই গরু চুরির মামলা হুজুর।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৯ঃ উপস্থিত

উকিলঃ দেখুন তো, এই ছবিটা চিনতে পারেন কি না?
সাক্ষীঃ আরে, এটা তো আমার ছবি।
উকিলঃ আচ্ছা, এবার বলুন, এই ছবিটা যখন তোলা হয় তখন কি আপনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬০ঃ জন্মদিন

উকিলঃ আপনার জন্ম দিন কবে?
সাক্ষীঃ ১৫ জুলাই।
উকিলঃ কোন বছর?
সাক্ষীঃ প্রতিবছর।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬১ঃ ময়নাতদন্ত করছি কেন

উকিলঃ আপনি কি বলতে পারবেন, ঠিক কখন আপনি লাশটির পরীক্ষা শুরু করেছিলেন?
সাক্ষীঃ রাত সাড়ে আটটার দিকে আমি ময়নাতদন্তের কাজ শুরু করি।
উকিলঃ আক্কাস সাহেব কি তখন মারা গিয়েছিলেন?
সাক্ষীঃ না, তিনি টেবিলে বসে বসে অবাক হয়ে ভাবছিলেন, আমি ময়নাতদন্ত করছি কেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬২ঃ মুখে বলবে

উকিলঃ আমার সব প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই মুখে বলবে, ঠিক আছে?
সাক্ষীঃ আচ্ছা।
উকিলঃ এবার বলো, তুমি কোন স্কুলে পড়তে?
সাক্ষীঃ মুখে···।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৩ঃ কী কী ভুলে গেছেন

উকিলঃ তাহলে মাথায় আঘাত পেয়ে আপনার স্মৃতিশক্তির ক্ষতি হয়েছিল?
সাক্ষীঃ হ্যাঁ।
উকিলঃ কী ধরনের ক্ষতি হয়েছিল তা বলতে পারবেন?
সাক্ষীঃ আমি ভুলে গেছি···।
উকিলঃ আপনি ভুলে গেছেন? আচ্ছা, কী কী ভুলে গেছেন সেটা একটু বলতে পারবেন?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৪ঃ একটু বর্ণনা

উকিলঃ তার মানে আপনি বলতে চাইছেন, ওটা কী জিনিস আপনি তা জানেন না?
সাক্ষীঃ হ্যাঁ।
উকিলঃ এমনকি ওটা দেখতে কেমন তাও জানেন না?
সাক্ষীঃ হ্যাঁ।
উকিলঃ তাহলে ওটা সম্পর্কে একটু বর্ণনা দিন তো।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৫ঃ চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত

উকিলঃ আপনি সেখান থেকে কখন গিয়েছিলেন?
সাক্ষীঃ রাত আটটার দিকে।
উকিলঃ তার মানে, আপনি চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন, ঠিক কি না?
সাক্ষীঃ হ্যাঁ, তাই তো!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৬ঃ মুখোশের নিচে

উকিলঃ যে লোকটা আপনার ওপর হামলা চালিয়েছিল সে দেখতে কেমন ছিল সেটা বলতে পারবেন?
সাক্ষীঃ না, সে মুখোশ পরে ছিল।
উকিলঃ মুখোশের নিচে কী ছিল?
সাক্ষীঃ আ··· তার মুখ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৭ঃ বয়স কত

উকিলঃ আপনার সঙ্গে যে ছেলেটি থাকে তার বয়স কত হবে?
সাক্ষীঃ ৩৮ বা ৩৫ বছর হবে, সঠিক বলতে পারছি না।
উকিলঃ সে আপনার সঙ্গে কত দিন বসবাস করছে?
সাক্ষীঃ ৪৫ বছর ধরে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৮ঃ দুর্ঘটনাটা কোথায় হয়েছিল

উকিলঃ তাহলে বলুন, দুর্ঘটনাটা কোথায় হয়েছিল?
সাক্ষীঃ ৪৯৯ মাইলফলকের কাছে।
উকিলঃ ৪৯৯ মাইলফলকটা কোথায়?
সাক্ষীঃ সম্ভবত ৪৯৮ আর ৫০০ মাইলফলকের মাঝামাঝি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৯ঃ নড়ছে

তিন দেশের তিন লোক একটি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। মৃত্যুর পর তাঁদের স্বর্গ-নরক নির্ধারণ করাটা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ অপমৃত্যুর কারণে তাঁদের একরকম নিষ্পাপ ধরা যেতে পারত।
তাই তাঁদের জন্য একটি নতুন নিয়ম করা হলো। নিয়মটা হলো, মৃত্যুর পর তাঁদের মৃতদেহের সামনে দাঁড়িয়ে আত্মীয়স্বজন যা বলবে তার দ্বারাই তাঁদের স্বর্গ-নরক নির্ধারিত হবে।
প্রথমজন ছিলেন একজন চিকিৎসক। তিনি বললেন, ‘আমি চাই আমার আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীরা যাতে বলে আমি একজন ভালো ডাক্তার ছিলাম।’
তাঁর ইচ্ছামতো তা-ই হলো। তাঁর আত্মীয়স্বজন তা-ই বলল এবং তিনি স্বর্গে যাওয়ার অনুমতি পেলেন।
এর পরের জন ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক। তিনি চাইলেন তাঁর স্বজনেরা যাতে বলে, জীবদ্দশায় তিনি একজন সৎ শিক্ষক ছিলেন। তা-ই হলো এবং তিনিও স্বর্গ লাভ করলেন।
সবশেষে আইনজীবী তাঁর ইচ্ছার কথা প্রকাশ করলেন। তিনি বললেন, ‘‘আমি চাই স্বজনেরা আমার মৃতদেহের সামনে দাঁড়িয়ে বলছে, ‘দেখো দেখো, উনি তো মরেন নাই। উনি নড়ছেন’।’’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭০ঃ তিন থাপড়

একদিন এক নামকরা উকিল বের হলেন হাঁস শিকারে। অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরির পর তিনি একটা হাঁস শিকার করলেন। কিন্তু হাঁসটা গিয়ে পড়ল বেড়া দেওয়া ক্ষেতের ভেতর। বেড়া টপকে ভেতরে ঢুকতে যাবেন এমন সময় হাজির জমির মালিক। সব শুনে মালিক বললেন, ‘হাসটা যেহেতু আমার ক্ষেতে পড়েছে সেহেতু হাঁসের অর্ধেকটা আমার।’
ক্ষেপে গিয়ে উকিল বললেন, ‘হাঁসটা আমাকে না দিলে দুদিনের মধ্যে তোমার ক্ষেতের সবকিছু আমি নিলামে ওঠাব।’
জমির মালিক বললেন, ‘তাহলে ব্যাপারটা আমাদের এলাকার নিয়ম অনুযায়ী তিন থাপড়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হোক। আমরা একজন আরেকজনকে তিনটা করে থাপড় দেব। শেষ পর্যন্ত যে হার মানবে সে হাঁসটা পাবে না।’
উকিল ভাবলেন, বুড়ো কৃষককে কষে তিনটা থাপড় মারা যাবে, হাঁসটাও পাওয়া যাবে। তিনি রাজি হয়ে গেলেন। দুজন হাঁসটা নিয়ে গ্রামের মোড়লের কাছে গেলেন। কৃষকের কাছ থেকে সব শোনার পর থাপড় পর্ব শুরু হলো। প্রথমে কৃষক তাঁর সর্বশক্তি দিয়ে উকিলের গালে তিনটা থাপড় দিলেন। অনেক কষ্টে সহ্য করে এরপর উকিল প্রস্তুতি নিলেন কৃষকের গালে থাপড় মারার জন্য।
তখন কৃষক বলে উঠলেন, ‘আমি হার মানছি। হাঁসটা উকিল সাহেবকেই দেওয়া হোক।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭১ঃ ভগবানের পা

গুরুদেব: তুই নাকি আমার ভক্তের মেয়েকে ধরে চুমু খেয়েছিস?
শিষ্য: আজ্ঞে গুরুদেব, দিন পনের ভগবানের পা ধরে বলেছি, হে ভগবান, এই মেয়েটি যেন আমাকে একটা চুমু খেতে দেয়, এই মেয়েটি যেন আমাকে একটা চুমু খেতে দেয়… কিন্তু মেয়েটি চুমু খেতে না দিলে আমিই জোর করে একটা চুমু খেয়ে নিলাম।
গুরুদেব: তারপর?
শিষ্য: তার পরদিন ভগবানের পা ধরে বলছি, হে ভগবান, আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও। তখন ভগবান ক্ষমা করে দিছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭২ঃ জড়িয়ে ধর

গুরুদেবের কাছে এক শিষ্য এসেছে। গুরুদেব, মনে বড় অশান্তি। আমি যখন বাড়িতে থাকি না, তখন কে যেন এসে আমার স্ত্রীর সাথে অন্তরঙ্গ ভাবে সময় কাটায়। তাকে না ধরা পর্যন্ত শান্তি নাই। আমি তাকে ধরতে চাই।
– ধরিয়ে দেয়াই তো আমার কাজ। দেব ধরিয়ে। দে আগে হাজার টাকা প্রণামী দে।
হাজার টাকা দিতেই গুরুদেব সে টাকা ট্যাকে গুজে বলল, নে এবার তাহলে আমায় জড়িয়ে ধর।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৩ঃ কে আগে শূলে চড়বে

গুরু-শিষ্য ঘুরতে ঘুরতে এল এক নতুন দেশে। চার আনা পয়সা দিয়ে গুরু বাজারে পাঠাল শিষ্যকে। কিছুক্ষণ পর মুটের মাথায় এক প্রকাণ্ড বোঝা চাপিয়ে শিষ্য এসে উপস্থিত। সেই বোঝার মধ্যে চাল, ডাল, ঘি, মাছ, মাংস, সন্দেশ, রসগোল্লা আরও কত কি!
গুরু আশ্চর্য হয়ে শিষ্যকে জিজ্ঞেস করল, ‘মাত্র চার আনার বাজার করতে দিয়েছিলাম, এত জিনিস কী করে কিনলে?’
‘গুরুঠাকুর, বলিব কী। এ দেশের সব জিনিসের দামই দুই পয়সা করে সের। দুধের দামও দুই পয়সা সের, আবার ঘি, মাখন, রসগোল্লার দামও দুই পয়সা সের।’
শিষ্যকে গুরু হুকুম করল, ‘তাড়াতাড়ি কাপড়-বোঁচকা বাঁধো। এখনই এ দেশ ছেড়ে যেতে হবে। যে দেশে সব জিনিসের এক দর, সেখানে পণ্ডিত-মূর্খে কোনো তফাত নাই। চলো এখনই দেশ ছেড়ে যাই।’
শিষ্য উত্তর দিল, ‘এমন সোনার দেশ আর কোথাও পাওয়া যাবে না। সব জিনিসের দাম এত সস্তা! আপনি যাবেন তো যান। আমি এ দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না। গুরু কত করে বোঝাল কিন্তু গুরুর সঙ্গে গেলে শিষ্যের কী লাভ! এমন সস্তা সন্দেশ, রসগোল্লার দেশ ছেড়ে সে স্বর্গেও যাবে না।
অগত্যা গুরু একাই চলে গেল। শিষ্য রোজ বাজার করে ঘি, দুধ, মাছ, মাংস, রসগোল্লা খায়। অল্পদিনেই তার শরীর বেশ নাদুসনুদুস হয়ে উঠল।
এদিকে হলো কি, সেই দেশের এক চোর গেরস্তবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে দেয়ালচাপা পড়ে মরে গেল। চোরের বউ রাজার কাছে গিয়ে নালিশ জানাল, ‘রাজা মহাশয়, অমুকের বাড়ির দেয়ালে চাপা পড়ে আমার স্বামী মারা গেছে। আপনি এর বিচার করুন।’
রাজা তখনই গেরস্তকে ডেকে পাঠালেন। গেরস্ত এলে রাজা বললেন, ‘তোমার দেয়ালচাপা পড়ে চোর মারা গেছে। আমি তোমাকে শূলে যাওয়ার হুকুম দিলাম।’ রাজার হুকুম শুনে গেরস্ত তো ভয়ে কেঁপে অস্থির। সে জোড়হাত করে বলল, ‘মহারাজ! দেয়ালচাপা পড়ে যে চোর মরেছে, এটা আমার দোষ নয়। যে রাজমিস্ত্রি আমার দেয়াল গড়েছিল অপরাধ তারই। কারণ, সে শক্ত করে দেয়াল গড়ে নাই।’
রাজা বললেন, ‘এ কথা সত্য। তবে ডাকো সেই রাজমিস্ত্রিকে।’ রাজমিস্ত্রি এলে রাজা রেগেমেগে তাকে বললেন, ‘দেখো রে রাজমিস্ত্রি! এই গেরস্তের দেয়াল তুমি শক্ত করে গাঁথোনি, তাই গেরস্তের বাড়ি চুরি করতে এসে চোর দেয়ালচাপা পড়ে মরেছে। তুমি ওই লোকটির মৃত্যুর কারণ। তোমাকে শূলে চড়ানোর হুকুম দিলাম।’
ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে রাজমিস্ত্রি উত্তর দিল, ‘মহারাজ, আমার কোনো কসুর নাই, যে শ্রমিক আমাকে বালি-সিমেন্ট মিশিয়ে দিয়েছিল, অপরাধটা তারই। বালি-সিমেন্ট ঠিকমতো মেশায়নি বলেই দেয়াল মজবুত হয়নি।’
রাজা হুঙ্কার দিলেন, ‘ডাকো সেই শ্রমিককে।’ রাজার হুকুমে শ্রমিক এসে দাঁড়াল রাজার সামনে, ‘দেখো, তুমি বালি-সিমেন্ট ভালোমতো মেশাওনি বলে রাজমিস্ত্রি শক্ত করে দেয়াল বানাতে পারেনি। সেই দেয়ালে চাপা পড়ে চোর মারা গেছে। আমি তোমাকে শূলে চড়িয়ে মারার হুকুম দিলাম।’
বেচারা শ্রমিক কাজ করে সামান্যই বেতন পায়। সেটা দিয়ে নিজেই বা খাবে কী আর ছেলেমেয়েদেরই বা খাওয়াবে কী। না খেয়ে খেয়ে তার শরীর কাঠের মতো শুকনো ঠনঠনে। তাকে দেখে মন্ত্রী বললেন, ‘মহারাজ! এই লোকটির শরীর শুকনো শোলার মতো। একে শূলের ওপর বসিয়ে দিলে শূলের মাথাতেই আটকে থাকবে।’
রাজা তখন বললেন, ‘রাজ্যের কোথায় মোটাসোটা লোক আছে, তাকে এনেই শূলে চড়াও!’
রাজার সেপাইরা এ-পাড়া ও-পাড়ায় ঘুরতে ঘুরতে সেই শিষ্যকেই খুঁজে পেল। মাসখানেক ইচ্ছামতো ঘি, দুধ ও মাখন খেয়ে তার শরীর বেশ তেল-চকচকে হয়েছে। রাজার পাইকেরা তাকে ধরে এনে শূলের কাছে নিয়ে গেল।
কিছুদিন এদিক-ওদিক ঘুরে গুরু ভাবল, শিষ্যকে ফেলে এলাম। যাই, দেখে আসি সে কী হালে আছে। এক জায়গায় বহু লোক জমা হয়েছে দেখে গুরুও সেখানে এসে উপস্থিত হলো। দেখে গুরু অবাক হলো। তার শিষ্যকে শূলে চড়ানোর বন্দোবস্ত হচ্ছে। গুরুঠাকুর ভাবতে লাগলেন, ‘আহা, এই শিষ্যটি বহুদিন তার কাপড়-বোঁচকা বয়ে বেড়িয়েছে। আজ বিপদের দিনে তাকে কি কোনো সাহায্যই করতে পারব না?’
মনে মনে একটি ফন্দি করে গুরুঠাকুর সব লোকের ভিড় ঠেলে সেই শূলের কাছে উপস্থিত হলো।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৪ঃ পাহারাদার

পাহারাদার

পাহারাওলা—এতো রাতে পাকে ঘরেছেন কেন কৈফিয়ৎ দিন ?

উদ্দিটি ব্যক্তি—তাই যদি দেবার থাকতো, তাহলে কি আর আমি এতক্ষণ বাইরে থাকি । তাহলে তো কখন আমি বাড়ীতে আমার স্ত্রীর কাছেই চলে যেতে পারতুম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৫ঃ কুসংস্কার

চোর: জলদি, পুলিশ আসছে! জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়।
সহকারী: কিন্তু ওস্তাদ, আমরা যে এখন তের তলায় আছি।
চোর: দুর গাধা! এখন কি কুসংস্কার নিয়ে মাথা ঘামানোর সময়?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৬ঃ পাসওয়ার্ড

হরতাল চলছে। পিকেটাররা পিকেটিং করছে।
একজন একটা ইটের টুকরা পুলিশের দিকে মারতে মারতে পাশের জনকে বলল, ‘আবে ওই হালায়, খাড়ায় রইছস ক্যান। দ্যাখতাছস না, পুলিশ কেমুন আউগায় আইতাছে।’
উত্তর দিল না গিলটি মিয়া।
দুর্ধর্ষ স্পাই মাসুদ রানার সহকারী গিলটি মিয়াকে এবার রাস্তায় নামানো হয়েছে পিকেটারদের সঙ্গে পিকেটিং করার জন্য, পুলিশের সাইলেন্ট ইনফরমার হিসেবে।
ওর কাছে একটা পাসওয়ার্ড আছে। সেটা বললেই পুলিশ ওকে ছেড়ে দেবে। মারবে না।
হরতাল, পিকেটিং, গাড়ি জ্বালাও-পোড়াও দেখে ঘাবড়ে গেছে গিলটি মিয়া। এর চেয়ে চলন্ত বাসে দুই আঙুলের কাজ সারা অনেক সহজ।
চপাশ!
চিমসেপড়া পাছায় পুলিশের লাঠির আঘাত পড়তেই বাস্তবে ফিরে এল গিলটি মিয়া। তড়িঘড়ি করে স্মৃতি হাতড়াল। বাঁচতে হবে।
সর্বনাশ!
পুলিশের মারের চোটে পাসওয়ার্ড ভুলে গেছে ও।

–বিশ্বজিৎ দাস

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৭ঃ নারকেলগাছে ঘাস কাটি

একবার এক চোর রাতের বেলা নারকেলগাছে উঠেছে। উদ্দেশ্যে কী, সেটা তো আর বলে দিতে হবে না। তো নারকেল নিচে ফেলতেই জোরে শব্দ হলো। সেই শব্দে গৃহস্থ মানে গাছের মালিক গেল জেগে। চিত্কার করে জানতে চাইল, ‘কে রে?’
গাছের ওপর থেকে চোরটা উত্তর দিল, আমি মতিন।
: ওইখানে কী করিস?
: ঘাস কাটি।
: ওই ছাগল, নারকেলগাছে কি ঘাস আছে নাকি?
: নাই দেইখ্যাই তো নেমে আসতেছি।

–ফারুক আহমেদ

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৮ঃ তিন দিন অপেক্ষা করুন

এই কৌতুকটা থানার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আমার মনে হয়।
এক ভদ্রলোক একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখল তার বারান্দায় একটা গ্রেনেড। সঙ্গে সঙ্গে থানায় ফোন করল।
ভাই আমার বাড়ির বারান্দায় একটা গ্রেনেড দেখতে পাচ্ছি।
থানা থেকে উত্তর দিল, তিন দিন অপেক্ষা করুন। যদি কেউ নিতে না আসে তাহলে ওটা আপনি নিজের কাছে রেখে দিতে পারেন।

–এজাজুল ইসলাম

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৯ঃ স্বপ্ন দেখছি

হন্তদন্ত হয়ে এক ব্যক্তি থানায় এসেছেন। থানার ওসির সামনের চেয়ারে বসে বললেন, ‘ওসি সাহেব, আমার স্ত্রী হারিয়ে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা নিন।’
মুখ তুলে ওসি সাহেব জানতে চাইলেন, ‘কবে?’
‘এক মাস আগে’
‘এত দিন পরে এসে অভিযোগ করছেন কেন?’ বললেন ওসি।
‘না মানে, গতকাল পর্যন্ত আমার মনে হয়েছে, আমি স্বপ্ন দেখছি।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮০ঃ পুলিশের দক্ষতা

কোন দেশের পুলিশের দক্ষতা কেমন সেই নিয়ে কয়েক দেশের পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলছে।
জাপানী পুলিশ : যে কোন ঘটনা কে ঘটিয়েছে সেটা জানতে আমাদের ৭২ ঘন্টা সময় লাগে।
বৃটিশ পুলিশ : আরে দূর আমরা দুনিয়ার সেরা পুলিশ । অন্যায় কারীকে চিনতে আমাদের সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা সময় লাগে ।
আমেরিকার পুলিশ : আমারাও ২৪ ঘন্টার মধ্যে যে কোন ক্রিমিনালকে পাকড়াও করতে পারি।
বাংলাদেশের পুলিশ : আমাদেরকে না জানিয়ে কোন ঘটনাই ঘটে না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮১ঃ চোরের সর্দারের উপদেশ

ভাগ-বাটোয়ার জন্যে কয়েকজন চোর মিলে সারারাতের চুরির টাকা হিসাব করছে। হিসাব করার সময় একজন চোর একখান হাজার টাকার নোট সরিয়ে ফেলতে গিয়ে ধরা পড়েছ। তখন চোরের সর্দার সেই ধরা পড়ে যাওয়া চোরটিকে তিরস্কার করছে: এই তোরে না একদিন কইছি ভালো হইয়া যা, ভালো হইতে পয়সা লাগে না? জীবনে সততার সাথে কাজ করবি, উন্নতি করতে পারবি। চুরি-চামারি করবি তো জীবন শেষ!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮২ঃ নারী চরিত্র বনাম গোয়েন্দা

গদা: আচ্ছা পদা, বলতো গোয়েন্দারা সাধারণত প্রেম-ভালোবাসা-বিয়ে থেকে দূরে থাকে কেন?
পদা: নারী চরিত্র বেজায় জটিল, কিছুই বুঝতে পারবে না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৩ঃ পরিচয়পত্র

এক পকেটমার বলছে আরেক পকেটমারকে, ‘তুই যে একটু আগে “হ্যাললো…” বলে এক লোককে খুব আন্তরিকভাবে জড়িয়ে ধরলি, সে কে? নাম কী তার?’
: কী যেন! আমি কি নাম জানি নাকি? দেখি, তার মানিব্যাগে নিশ্চয় পরিচয়পত্র আছে।

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৪ঃ ২১২ নম্বর রাস্তা

হাইওয়েতে জলিল সাহেবের গাড়ি আটক করল পুলিশ। কর্তব্যরত সার্জেন্ট ধমক দিয়ে বললেন, ‘ব্যাপার কী? আপনি এত আস্তে গাড়ি চালাচ্ছেন কেন?’
জলিল: রাস্তার শুরুতে দেখলাম, ওপরে বড় করে লেখা ২০। ভাবলাম, এই রাস্তার সর্বোচ্চ গতিসীমা নিশ্চয় ২০। তাই…
সার্জেন্ট: ওরে বোকা, এটা ২০ নম্বর রাস্তা। কিন্তু কথা হচ্ছে, আপনার গাড়ির পেছনের সিটে বসা দুজন এমন ভয়ার্ত চোখে চেয়ে আছে কেন? চুল খাড়া হয়ে আছে, দাঁতকপাটি লাগার দশা। ঘটনা কী?
জলিল: না মানে, একটু আগে ২১২ নম্বর রাস্তা দিয়ে এলাম তো!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৫ঃ বুঝলেন কী করে

শার্লক হোমস: আপনার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে, তাই না?
মক্কেল: হুঁ।
শার্লক হোমস: আপনি ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন, তাই তো?
মক্কেল: হুঁ! কিন্তু আপনি এত কিছু বুঝলেন কী করে?
শার্লক হোমস: কারণ, আপনার মাথায় ভাঙা ফুলদানির টুকরা দেখা যাচ্ছে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৬ঃ চোরের ঘড়ি কেনা

ঘড়ির দোকান থেকে একটা দামি ঘড়ি চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ল রুস্তম। বেদম প্রহারের একপর্যায়ে সে দোকানের মালিককে বলল, ‘ভাই, আমি ঘড়িটা কিনে নিই। ঝামেলা আপনার আর আমার মধ্যে মিটে যাক।’
দোকানদার ভাবলেন, প্রস্তাবটা খারাপ না। উপস্থিত জনতা রুস্তমকে ছেড়ে দিল। চোরকে সঙ্গে নিয়ে দোকানে ঢুকলেন দোকানদার। ‘ক্যাশ মেমো’ লিখতে ব্যস্ত হলেন তিনি।
গা ঝাড়া দিয়ে বেশ ভাবের সঙ্গে বলল এবার রুস্তম, ‘ইয়ে মানে, কিছু মনে করবেন না দাদা। আমি যা খরচ করতে চেয়েছিলাম, এই ঘড়ির দামটা তার চেয়ে একটু বেশি। আমাকে বরং কম দামি একটা ঘড়ি দেখান।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৭ঃ সাইরেন

পথ ধরে যাচ্ছিলেন শফিক। হঠাৎ দেখলেন, ছোট্ট একটা ছেলে মাথায় লাল টুপি আর লাল পোশাক পরে কী যেন খেলছে। ছেলেটার কাঁধে একটা ছোট মই। হাতে দড়ি। দড়ির অপর প্রান্ত একটা কুকুরের লেজের সঙ্গে বাঁধা।
শফিক: খোকা, কী খেলছ?
খোকা: দেখছেন না, আমি একজন দমকলকর্মী। আর এই কুকুরটা, এটা আমার গাড়ি।
শফিক: বাহ্! খুব ভালো। তবে আমার মনে হয়, তুমি যদি দড়িটা লেজে না বেঁধে গলায় বাঁধতে, তাহলে তোমার গাড়িটা দ্রুত চলত।
খোকা: তা ঠিক বলেছেন। তবে তখন আর দড়ি ধরে টানলেই সাইরেন বাজত না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৮ঃ প্রেমিকার সাথে দেখা করার সুযোগ

হোটেলে বসে খাচ্ছিল জোবায়ের আর ফয়সাল। হঠাৎ জানা গেল, কোথায় যেন ভীষণ আগুন লেগেছে।
খবর পেয়ে খাবার না খেয়েই ছুট লাগাল জোবায়ের। পেছন থেকে ডাকল ফয়সাল, ‘কিরে, তুই যে একজন দমকলকর্মী, জানা ছিল না তো!’
জোবায়ের: আমি না, তবে আমার প্রেমিকার বাবা একজন দমকলকর্মী। দেখা করার এই সুযোগ!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৭ঃ গাড়ির ব্রেক

আজিজ মিঞার কারখানায় আগুন লেগেছে। জলদি আগুন নেভাতে না পারলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। আজিজ খবর দিলেন দমকলকর্মীদের।
চটজলদি হাজির হলো দমকল বাহিনী। কারখানার সামনের ছোট গলিটার দুপাশের দোকানগুলো ভেঙে, সদর দরজা গুঁড়িয়ে দিয়ে, দেয়াল ভেঙে সোজা অগ্নিকুণ্ডের স্থলে গিয়ে থামল গাড়ি! প্রচণ্ড ঝাঁকি খেয়ে গাড়ির পেছনে রাখা পানির টাংকিটা ছিটকে গিয়ে পড়ল আগুনে। ব্যস, নিভল আগুন।
দমকলকর্মীদের তৎপরতা দেখে ভীষণ খুশি আজিজ। তিনি দমকল বাহিনীর প্রধানের হাতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার তুলে দিলেন। জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই টাকা দিয়ে আপনারা কী করবেন বলুন তো?’
দমকল বাহিনীর প্রধান: প্রথমেই গাড়ির ব্রেকটা ঠিক করাব!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৮ঃ কমোডে মাথা

এক দুষ্ট ছেলে থানায় ফোন করেছে।
– এইটা কি পুলিশ স্টেশন?
– হ্যাঁ।
– আপনি কি পুলিশ?
– হ্যাঁ।
– আপনার থানায় বাথরুম আছে?
– হ্যাঁ।
– আপনার বাথরুমে কমোড আছে?
– হ্যাঁ, আছে।
– তাহলে কমোডের মধ্যে মাথা ঢুকাইয়া বইসা থাকেন। এই বলে ছেলেটি ফোন কেটে দিল।

কিছুক্ষণ পর পুলিশ নাম্বার বের করে কলব্যাক করল। ছেলেটির বাবা ফোন ধরল।
পুলিশ অভিযোগ করল, আপনার ছেলে আমাকে কমোডে মাথা ঢুকিয়ে বসে থাকতে বলেছে।
– কতক্ষণ আগে বলেছে?
– এই ধরেন ১০ মিনিট।
– তাহলে এখন মাথা বের করে ফেলেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৯ঃ ধারণা

এক পকেটমারের সঙ্গে জেলখানায় দেখা করতে গেছে অন্য এক পকেটমার বন্ধু।
দর্শনার্থী বন্ধু: বন্ধু, তুমি কোনো চিন্তা কোরো না। আজ সকালেই আমি উকিলের সঙ্গে দেখা করে এসেছি। উকিলকে নগদ ২০ হাজার টাকাও দিয়ে এসেছি।
কয়েদি বন্ধু: উকিল কী করলেন? টাকাগুলো পকেটে রেখে দিলেন?
দর্শনাথী বন্ধু: হু। অন্তত ওনার তা-ই ধারণা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯০ঃ পরিচয়পত্রটা দেখান

একদিন এক কৃষকের বাড়িতে হানা দিলেন এক গোয়েন্দা। সহজ সরল কৃষককে ধমক দিয়ে গোয়েন্দা বললেন, ‘সরে দাঁড়াও, আজ তোমার বাড়িতে তল্লাশি করব!’
কৃষক বললেন, ‘তল্লাশি করতে চান, করুন স্যার। কিন্তু দয়া করে বাড়ির উত্তর দিকের মাঠটাতে যাবেন না।’
গোয়েন্দা কৃষকের নাকের ডগায় পরিচয়পত্রটা ঝুলিয়ে বললেন, ‘এটা চেন? এখানে আমার নাম লেখা আছে—গোয়েন্দা ছক্কু মিঞা! এটা দেখলে যে কেউ ভয়ে কুঁকড়ে যায়! আর তুমি কিনা আমার কাজে বাধা দিতে চাও?’
ঝাড়ি খেয়ে আর কিছু বললেন না কৃষক।
কিছুক্ষণ পরই দেখা গেল, উত্তর দিকের মাঠ থেকে গোয়েন্দা ছক্কু মিঞার চিৎকার শোনা যাচ্ছে, ‘বাঁচাও! আমাকে বাঁচাও’। কৃষক ছুটে গিয়ে দেখলেন, একটা ষাঁড় ছক্কু মিঞাকে তাড়া করছে। দূর থেকে কৃষক বললেন, ‘স্যার, ওকে আপনার পরিচয়পত্রটা দেখান!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯১ঃ গলায় পরিচয়পত্র

গোয়েন্দাপ্রধান: চোরাকারবারিদের অনুসরণ করে তুমি কি হোটেল সুপার স্টারে গিয়েছিলে?
গোয়েন্দা সহকারী: অবশ্যই, স্যার!
গোয়েন্দাপ্রধান: ওরা তোমাকে চিনে ফেলেনি তো?
গোয়েন্দা সহকারী: অসম্ভব, স্যার। আমি ছদ্মবেশ নিয়ে হোটেলের ভেতরে ঢুকে গেছি।
গোয়েন্দাপ্রধান: কিসের ছদ্মবেশে গিয়েছিলে?
গোয়েন্দা সহকারী: স্যার, ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে।
গোয়েন্দাপ্রধান: কী?! হোটেল সুপার স্টারের মতো একটা জায়গায় তুমি ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে গিয়েছ? তোমাকে তো ভেতরে ঢুকতেই দেওয়ার কথা না!
গোয়েন্দা সহকারী: হা হা! স্যার কি আমাকে অত বোকা ভেবেছেন? জানতাম, ঢুকতে দেবে না। সে জন্য আগে থেকেই গলায় পরিচয়পত্রটা ঝুলিয়ে রেখেছিলাম!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০০ঃ শার্লক হোমস ও তাঁর সহকারী ওয়াটসন

বিখ্যাত গোয়েন্দা শার্লক হোমস ও তাঁর সহকারী ওয়াটসন একটা বেলুনে চেপে উড়ে বেড়াচ্ছিলেন। উড়তে উড়তে চলে যাচ্ছিলেন এক দেশ থেকে আরেক দেশে।
নিজেদের অবস্থান বুঝতে না পেরে শার্লক বেলুন থেকেই চিৎকার করে এক লোককে ডাকলেন, ‘এই যে শুনছেন, আমরা এখন কোথায় আছি বলতে পারেন?’
লোকটা কিছুক্ষণ ভেবে উত্তর দিল, ‘আপনারা একটা বেলুনে আছেন।’
উত্তর শুনে শার্লক তাঁর সহকারীকে বললেন, ‘ওয়াটসন, বলো তো, এই লোকটার পরিচয় কী?’
ওয়াটসন: আমার ধারণা, লোকটা পাগল।
শার্লক হোমস: নাহ্। সে একজন গণিতবিদ।
ওয়াটসন: কী করে বুঝলে?
ওয়াটসন: প্রথমত, লোকটা উত্তর দেওয়ার আগে কিছুক্ষণ ভেবে নিয়েছে। দ্বিতীয়ত, লোকটা আমাদের একদম সঠিক উত্তরটাই দিয়েছে। তৃতীয়ত, তার উত্তরের কোনো ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০১ঃ গোয়েন্দা উপন্যাস

সরদার তাঁর বন্ধুকে বলছেন, ‘জানিস, আমি গোয়েন্দা উপন্যাস সব সময় মাঝামাঝি থেকে পড়া শুরু করি। তাতে মজাটা বেশি হয়।’
বন্ধু: কীভাবে?
সরদার: তখন শুধু উপন্যাসের শেষ না, শুরুটা জানারও কৌতূহল থাকে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০২ঃ হুম…

ছোট্ট মিতু গেছে গোয়েন্দাদের অফিসে। দেয়ালে ‘ওয়ান্টেড’-এর তালিকায় টাঙানো অপরাধীদের ছবি দেখে সে গোয়েন্দা অফিসারকে প্রশ্ন করল, ‘তোমরা কি সত্যিই ওদের গ্রেপ্তার করতে চাও?’
গোয়েন্দা: অবশ্যই।
মিতু: তাহলে ছবি তোলার সময়ই আটকে রাখলে না কেন?!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৩ঃ চেঁচামেচির যন্ত্রণা

এক বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। প্রতিবেশীর বাড়িতে অনুসন্ধানের কাজে গেছেন গোয়েন্দা।
গোয়েন্দা: গত রাতে পাশের বাসা থেকে আপনারা কোনো শব্দ শুনতে পেয়েছেন?
প্রতিবেশী: নাহ্! গোলাগুলি, চিৎকার আর ওদের কুকুরটার চেঁচামেচির যন্ত্রণায় কিছু শোনাই যাচ্ছিল না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৪ঃ বেগটা একটু বেশি পেয়েছি

জনি গাড়ি নিয়ে মহাসড়ক ধরে ছুটে যাচ্ছিল। তার গাড়ির গতিসীমা তখন ঘণ্টায় ৬০ কিমির বেশি অতিক্রম করছে।
এমন সময় সে লক্ষ করল, পেছন থেকে একটা পুলিশের গাড়ি তাকে ধাওয়া করছে। জনি বুঝল, সে সর্বোচ্চ গতিসীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। এখন উপায়? গাড়ি থামালেই একগাদা টাকা জরিমানা গুনতে হবে। মনে মনে সে একটা বুদ্ধি আঁটল।
গাড়ির গতি না কমিয়ে সে আরও বাড়িয়ে দিল। পুলিশের গাড়িটাও তখন ঝড়ের বেগে ধেয়ে আসছে।
হঠাৎ একটা পেট্রলপাম্পের পাশে দাঁড়িয়ে গেল জনি। গাড়ি থেকে নেমে এক ছুটে ঢুকে গেল পেট্রলপাম্পের বাথরুমে।
পাঁচ মিনিট পর জনি যখন বের হলো, পুলিশ তাকে ঘিরে ফেলেছে। জনি পেটে হাত বোলাতে বোলাতে বলল, ‘বুঝতেই পারছেন, বেগটা একটু বেশি পেয়েছিল!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৫ঃ কে বেকুব

ঝুম বৃষ্টি। এর মধ্যে প্রচণ্ড গতিতে যাচ্ছিল গাড়িটা। সংগত কারণেই গাড়িটার পথ রোধ করে দাঁড়াল কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ।
পুলিশ: এই বেকুব! এই বৃষ্টিতে কেউ এত জোরে গাড়ি চালায়?
চালক: আমি তো গাড়ির ভেতর বসে আছি, গায়ে বৃষ্টির ছিটাফোঁটাও লাগছে না। বেকুব আমি—না যে বাইরে দাঁড়িয়ে বোকার মতো বৃষ্টিতে ভিজছে, সে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৬ঃ চোরের সাথে খোঁজাখুজি

পদা: কাল রাতে ঘরে চোর এসেছিল।

গদা: বলিস কী!

পদা: ঘুম ভেঙে গেলে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, সে কী করছে? বলল, টাকা-পয়সা খুঁজছে।

গদা: তুই চোরটাকে ধরে পুলিশে দিস নাই?

পদা: না…

গদা: তবে?

পদা: আমিও তার সাথে টাকা-পয়সা খুঁজতে শুরু করছিলাম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৭ঃ দৌড় প্রতিযোগিতা

পাপ্পুর হাতে আইফোন দেখে তার বান্ধবী বলল, ‘কী সুন্দর মোবাইল! কত দিয়ে কিনলে?’
পাপ্পু: দৌড় প্রতিযোগিতায় জিতেছি।
বান্ধবী: ওয়াও! কতজন দৌড়েছিল?
পাপ্পু: তিনজন পুলিশ, এক মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী আর আমি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৮ঃ কৌতূহল

সেদিন এক লোক সিঙ্গাপুরের রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছে। একটা সিগন্যাল অতিক্রম করার সময় সে দেখল, রাস্তার পাশে রাখা ক্যামেরা তার ছবি তুলেছে। লোকটা তড়িঘড়ি করে স্পিডমিটার চেক করল। কিন্তু না, সবই ঠিক আছে। তাহলে ছবি তুলল কেন? লোকটার মাথায় তো কিছুই ঢুকছে না। সে ভাবল, কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে। তাই সে বিষয়টা আরেকটু পরীক্ষা করার জন্য একটু ঘুরে আবার ওই রাস্তায় এল। আবারও ক্যামেরা তার ছবি তুলল। এবার গাড়ির গতি গতবারের চেয়ে কম ছিল। তার কৌতূহল আরও বেড়ে গেল। সে ভাবল, নিশ্চয় কোথাও কোনো বড় রকমের ঝামেলা হয়েছে। এভাবে সে আরও তিনবার একই সিগন্যাল অতিক্রম করল। প্রতিবার গতি আগেরবারের চেয়ে কমিয়ে দিয়ে। কিন্তু ক্যামেরা প্রতিবারই তার ছবি তুলল।
এ ঘটনার এক সপ্তাহ পর লোকটার ঠিকানায় তার নামে পাঁচটা চিঠি এল। সিটবেল্ট না বেঁধে ড্রাইভিং করার অপরাধে পাঁচটা চিঠিতেই তাকে জরিমানা করা হয়েছে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৯ঃ জিজ্ঞাসা

এক ভদ্রলোক এসে পুলিশকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি কি এখানে গাড়িটা পার্ক করতে পারি?’
না।
তাহলে এই গাড়িগুলো এখানে কেন?
যারা রেখেছে, তারা কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করেনি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১০ঃ মুখ খুললেই

ছুটতে ছুটতে পুলিশ স্টেশনে এসে ঢুকলেন মণ্ডল সাহেব।
মণ্ডল সাহেব: ইন্সপেক্টর সাহেব, ছিনতাইকারী আমার টাকাপয়সা, মানিব্যাগ, ঘড়ি—সব ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। আমি টুঁ শব্দটাও করিনি!
ইন্সপেক্টর: আরে, বলছেন কী মশাই, আপনার সব নিয়ে গেল, আর আপনি কিছুই বললেন না!
মণ্ডল সাহেব: বোকা নাকি? মুখ খুললেই তো ছিনতাইকারীরা আমার সোনার দাঁত দেখে ফেলত!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১১ঃ ওঠানোর মতো জায়গা নেই

সর্দারজি মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এমন সময় ট্রাফিক পুলিশ থামতে ইশারা করল।
সর্দারজি: দুঃখিত, স্যার, আমরা ইতিমধ্যেই তিনজন উঠে বসে আছি, আপনাকে ওঠানোর মতো জায়গা নেই!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১২ঃ আলুর বস্তায় আলু

গেরস্তের তাড়া খেয়ে তিন চোর গিয়ে ঢুকল এক আলুর গুদামে। ঢুকেই তিনজন চটপট তিনটা আলুর বস্তার ভেতর ঢুকে পড়ল। ছুটতে ছুটতে গেরস্তও এসে ঢুকলেন আলুর গুদামে। কী মনে করে যেন হাতের লাঠি দিয়ে একটা বস্তায় খোঁচা দিলেন।
ভেতর থেকে শব্দ এলো, ‘ম্যাঁও’।
‘ওরে, আলুর বস্তায় কখনো বিড়াল থাকে?’ বলেই গেরস্ত বস্তার ভেতর থেকে প্রথম চোরকে পাকড়াও করলেন।
আরেকটা বস্তায় খোঁচা দিতেই ভেতর থেকে শব্দ এল, ‘ঘেউ ঘেউ’!
‘ওরে, আলুর বস্তায় কখনো কুকুর থাকে?’ বলেই গেরস্ত বস্তার ভেতর থেকে দ্বিতীয় চোরকে পাকড়াও করলেন।
আরেকটা বস্তায় খোঁচা দিতেই এবার ভেতর থেকে শব্দ এল, ‘আলু, আলু’!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৩ঃ লজ্জা

পুলিশ বলছে চোরকে, ‘লজ্জা করে না তোমার? এই নিয়ে তৃতীয়বার তুমি থানায় এলে!’
চোর: স্যার, আমি তো মাত্র তৃতীয়বার, আপনি যে প্রতিদিনই আসেন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৪ঃ আমাকে বোকা পেয়েছ

চোর ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বাতাসে পুলিশের টুপি উড়ে গেল।
চোর: স্যার, আপনি অনুমতি দিলে আমি এক দৌড়ে আপনার টুপিটা এনে দিতে পারি।
পুলিশ: আমাকে বোকা পেয়েছ? তুমি টুপি আনার নাম করে দৌড়ে পালাতে চাও, তা কি আমি বুঝি না ভেবেছ? চুপচাপ এখানে দাঁড়িয়ে থাকো, আমি টুপিটা নিয়ে আসছি!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৫ঃ চোরের ফিংগার প্রিন্ট

পুলিশ বলছে হাবিলদারকে, ‘তুমি কি চোরটাকে ধরতে পেরেছ?’
হাবিলদার: না, স্যার। তবে চোরের ফিংগার প্রিন্ট সঙ্গে করে এনেছি।
পুলিশ: কোথায়, দেখি?
হাবিলদার: স্যার, আমার গালে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৬ঃ গর্দভ

চোরকে বেঁধে রেখে পুলিশের কাছে নালিশ করতে এসেছে গেরস্ত।
পুলিশ: আপনি বলছেন যে আপনি চোরকে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে রেখে এসেছেন?
গেরস্ত: জি, স্যার । দুই পা চেয়ারের সঙ্গে ভালো করে বেঁধে এসেছি।
পুলিশ: শুধু পা বেঁধেছেন?
গেরস্ত: জি, স্যার।
পুলিশ: গর্দভ কোথাকার! মুখ না বাঁধলে চলবে কী করে? সে তো সাহায্যের জন্য অন্য কাউকে ডাকলেই তার বাঁধন খুলে দিয়ে যাবে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৭ঃ পুলিশ, চোর ও ছিনতাইকারী

অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য একটা দ্বীপে বন্দি করে রাখা হতো। সেই দ্বীপের প্রবেশদ্বারে অপরাধী এক পুলিশ, এক চোর আর এক ছিনতাইকারীকে আটক করল দ্বীপের দারোয়ান।
দারোয়ান: এই দ্বীপে লোকসংখ্যা খুব বেশি হয়ে গেছে। তোমাদের তিনজনকে জায়গা দেওয়া সম্ভব না। আমি তোমাদের তিন জনকে একটা করে প্রশ্ন করব। যে সঠিক উত্তর দিতে পারবে না, শুধু তাকেই দ্বীপে যেতে হবে। বাকিরা আপাতত বাইরেই থাকবে।
দারোয়ানের কথা শুনে পুলিশ, চোর ও ছিনতাইকারীর মনে আশার সঞ্চার হলো।
দারোয়ান: প্রথম প্রশ্ন করব ছিনতাইকারীকে। বলো তো, সবচেয়ে বেশিসংখ্যক যাত্রী নিয়ে কোন জাহাজ ডুবে গিয়েছিল?
ছিনতাইকারী: টাইটানিক।
দারোয়ান: উত্তর সঠিক। এবার চোর, তুমি বলো। জাহাজটিতে যাত্রীর সংখ্যা কত ছিল?
চোর: আমি টাইটানিক ছবিটা দেখেছি। যত দূর মনে পড়ে, যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৪৪৫৬।
দারোয়ান: উত্তর সঠিক। এবার পুলিশের পালা।
পুলিশকে প্রশ্ন করার আগেই সে ডুকরে কেঁদে উঠল।
দারোয়ান: কাঁদছ কেন?
পুলিশ: আমি তাদের সবার নাম বলতে পারব না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৮ঃ অপেক্ষা

প্রচণ্ড গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল বল্টু। পথে ট্রাফিক পুলিশ তার পথ রোধ করে দাঁড়াল।
ট্রাফিক পুলিশ: তোমার মতো বেয়াড়াদের ধরতেই দিনভর এখানে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করি, বুঝলে বাছাধন?
বল্টু: সে জন্যই তো যত দ্রুত সম্ভব আপনার কাছে পৌঁছাতে চেষ্টা করছিলাম!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৯ঃ একসঙ্গে সব মাছ

গতিসীমার চেয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর অপরাধে বল্টুকে আটক করল ট্রাফিক পুলিশ।
বল্টু: অনেকেই আমার মতো দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছিল। আপনি আমাকেই কেন আটক করলেন?
পুলিশ: আপনি কি কখনো মাছ ধরতে গেছেন?
বল্টু: হ্যাঁ! কিন্তু কেন?
পুলিশ: কখনো কাউকে একসঙ্গে সব মাছ ধরতে দেখেছেন?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২০ঃ ঘড়ি চুরি

পথে এক পুলিশের কাছে গিয়ে বলল এক লোক:
আমার ঘড়ি চুরি হয়ে গেছে।
—এখন সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২১ঃ জেনেশুনে অপরাধ

তিন বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে চড়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে। কিছুদূর যাওয়ার পর ট্রাফিক তাদের থামিয়ে দিয়ে বলল, ‘একটি মোটরসাইকেলে তিনজন ওঠা আইনত অপরাধ, এটা আপনারা জানেন না?’
‘জানি’, জবাব দিল একজন।
ট্রাফিক রেগে বলল, ‘জানেন তো একটি মোটরসাইকেলে তিনজন উঠেছেন কেন?’
‘জেনেশুনে অপরাধ করব না বলেই তো আমাদের একজনকে বাসায় রেখে আসতে যাচ্ছি, স্যার।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২২ঃ দৌড় প্রতিযোগিতা

একটা কাপ নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরে ঢুকল স্বামী। তাই দেখে তার স্ত্রী বলল, ‘একি! এত হাঁপাচ্ছ কেন? এই কাপটাই বা কোথায় পেলে?’
স্বামী: দৌড় প্রতিযোগিতায় দুজনকে হারিয়ে এটা পেলাম।
স্ত্রী: মাত্র তিনজন নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা?
স্বামী: হ্যাঁ, প্রথমে আমি, তারপর পুলিশ আর সবার পেছনে এই কাপটার মালিক।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৩ঃ রাস্তার লাল বাতি

হাবলু রাস্তা দিয়ে গাড়ি হাঁকিয়ে যাচ্ছে। একসময় রাস্তার লাল বাতি জ্বলে উঠল। কিন্তু হাবলুর থামার কোনো নামগন্ধ নেই। লাল বাতি পেরোতেই ট্রাফিক পুলিশ হাবলুকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, ‘রাস্তায় লাল বাতি জ্বলে উঠেছে, দেখতে পারছেন না? লাল বাতি জ্বলে উঠলে যে থামতে হয় তাও জানেন না না কি!’ ‘লাল বাতি জ্বলে ওঠা তো দেখেছি, কিন্তু আপনি যে দাঁড়িয়ে ছিলেন এটা দেখতে পারিনি, স্যার।’ হাবলুর জবাব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৪ঃ স্ত্রীকে ফেরত দিতে

মিনিট দশেক তাড়া করে গতিবিধি লঙ্ঘন করা এক ড্রাইভারকে থামাল ট্রাফিক পুলিশ, বলল, আমি থামতে বলা সত্ত্বেও কেন আপনি থামেননি?
এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ড্রাইভার বলল, আসলে হয়েছে কি, গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তো আপনাকে আমার পেছনে ছুটতে দেখে মনে হলো, আমার স্ত্রীকে ফেরত দিতেই আপনি আমার পিছু নিয়েছেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৫ঃ কয়টা গুলি নেবেন

সাতসকালে বন্দুকের দোকানে এসে হাজির হলো রিয়াজ। বেছে বেছে ভালো দেখে একটা বন্দুক কিনল। দোকানের ম্যানেজার জিজ্ঞেস করল, ‘স্যার, কয়টা গুলি নেবেন?’
রিয়াজ বলল, ‘দাঁড়ান, একটা ফোন করে নিই, “হ্যালো, তেরামেরা ব্যাংক, মহাখালী শাখা? আচ্ছা, ওপর-নিচ মিলিয়ে আপনাদের মোট কয়জন গার্ড আছে…।”

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৬ঃ পুলিশকে আবার কুকুরে কামড়ায় নাকি

পরিচিত এক পুলিশের পায়ে ব্যান্ডজ দেখে এক লোক জানতে চাইল, কী ভাই, পায়ে কী হয়েছে?
: কুকুরে কামড় দিয়েছে?
: পুলিশকে আবার কুকুরে কামড়ায় নাকি?
: তখন তো ইউনিফর্ম পরা ছিল?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৭ঃ গুলিস্তানের পকেটমার

গুলিস্তানের পকেটমারদের সুনাম শুনে এক লোক গুলিস্তানে এল ব্যাপারটা দেখার জন্য। সে বুক পকেটে একটা একশ টাকার নোট নিয়ে সারা গুলিস্তানে ঘুরে বেড়াতে লাগল। সারা দিন কেটে গেল কিন্তু কোনো খবর নেই। পকেটের টাকা পকেটেই পড়ে রইল। সন্ধ্যায় একটা পান দোকান থেকে পান কিনতে কিনতে দোকানদারকে বলল, কই গুলিস্তানের পকেটমাররা নাকি দেশের সেরা কিন্তু তার তো কোনো পরিচয় পেলাম না। একটু দূরে দাঁড়ানো এক ছেলে তখন বলল, জাল নোট নিয়ে ঘুরে বেড়ালে কে আপনার পকেট মারবে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৮ঃ আবার ফিরতে হবে

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দু’জন গার্ড ফায়ারিং স্কোয়াডের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ পথ। প্যাচপেচে কাদা! পা দেবে যায়।
আসামি বলল, হাঁটতে খুব কষ্ট হচ্ছে
: আমাদের কথা একবার ভাবুন। এই কাদা মাড়িয়ে আবার ফিরতে হবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৯ঃ কুসংস্কার

চোর : জলদি, পুলিশ আসছে! জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়।
সহকারী : কিন্তু ওস্তাদ, আমরা যে এখন তের তলায় আছি।
চোর : দুর গাধা! এখন কি কুসংস্কার নিয়ে মাথা ঘামানোর সময়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩০ঃ কখন থামতে হয়

রাস্তার লাল বাতি উপেক্ষা করে এক মহিলা ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ট্রাফিক পুলিশ ছুটে এসে পথ রোধ করে দাঁড়াল।
পুলিশ ভেতরে একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে মহিলাকে বলল, আপনি কি জানেন না কখন থামতে হয়?
মহিলা বললেন, আপনি ভুল করছেন। এরা সবাই আমার ছেলেমেয়ে নয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩১ঃ কোথায় গেল সে

সেলুনে ব্যাপক ভিড়। ক্ষৌরকার জ্যাকোবের দম ফেলার সময় নেই। এমন সময় বাবরিচুলের এক আউলা-ঝাউলামতো লোক এসে বলল, ‘সবার চুল-দাড়ি কাটতে আর কতক্ষণ লাগবে তোমার?’
জ্যাকোব বসে থাকা সবাইকে দেখে বলল, ‘এই ধরো আর ঘণ্টা দুয়েকের মতো।’
‘আচ্ছা ঠিক আছে, আমি না হয় দুই ঘণ্টা বাদেই আসি।’ বলে বাবরিচুলের সেই লোক বিদায় নিল তো নিল, সেদিন আর এলই না।
সপ্তাহ না ঘুরতে একই কাণ্ড। লোকটা এল, লম্বা লাইন দেখে কতক্ষণ লাগবে শুনে বিদায় নিল। এবং যথারীতি ফিরে এল না। এমন করে আরও দুবার বাবরিচুলের লোকটা মুখ দেখিয়েই বিদায়! তো শেষে লোকটার অমন সন্দেহজনক আচরণ দেখে পঞ্চম দিন তার পেছনে পিকো নামের এক ছেলেকে লাগিয়ে দিল জ্যাকোব, ‘যাও তো, দেখে এসো, ব্যাটা কই যায়, কী করে।’ ঘণ্টাখানেক বাদে পেছনে লাগানো সেই টিকটিকিটি এসে হাঁপাতে লাগল। ‘বিষয়টা কী? কী দেখলে তুমি, কোথায় গেল সে?’
‘কী আর দেখব, তোমার বাড়িতে গেল সে!’ ‘কেন, আমার বাড়িতে কেন?’ পিকো ছেলেটা তখনো হাঁপাচ্ছিল, ‘কেন আবার, চুরি করতে!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩২ঃ স্বীকার করলেই…

চোর ধরা পড়েছে। বাবা ছেলেকে জিজ্ঞেস করল, ‘কিরে, বাইরে এত হইচই হচ্ছে কেন। পুলিশে দিয়ে দিলেই পারে।’
ছেলে: বাবা, একটা না তো দুজন চোর ধরা পড়েছে। কিন্তু তারা যে মাসতুতো ভাই তা কোনো অবস্থাতেই স্বীকার করছে না, তাই ধরে মারছে। স্বীকার করলেই পুলিশে দিয়ে দেবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৩ঃ যে দরে কিনেছিলাম সেই দরেই বেচেছি

এক গাঁয়ের এক চোর একটা সাইকেল চুরি করে বাজারে নিয়ে গেল বিক্রি করতে। এক টাউট লোক এসে সাইকেলটা দরদাম করল কিছুক্ষণ। তারপর ‘দেখি তোমার সাইকেলটা কেমন চলে’ বলে সাইকেলে চড়ে প্যাডেল মেরে একেবারে হাওয়া।
শুকনো মুখে বাড়ি ফিরছিল চোর। গাঁয়ের যারা তাকে সাইকেল বিক্রি করতে নিয়েযেতে দেখেছিল তারা জানতে চাইল, কি, সাইকেল বিক্রি করে কত লাভ হলো?
চোর বলল, লাভ হয়নি; যে দরে কিনেছিলাম সেই দরেই বেচেছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৪ঃ কাইট্টা হালবাম

ঢাকা টু ময়মনসিংহের বাসে একবার ডাকাত পড়ল! ডাকাত দল পুরো বাস তাদের নিয়ন্ত্রণে নিল! এবার শুরু হবে লুটপাট! ডাকাতের সর্দার ইয়া লম্বা একটা ছোরা বের করে ঘোরাতে ঘোরাতে সবাইকে উচ্চ কণ্ঠে বলছে, ‘দিয়া হালাইন গো, যা আছে সব দিয়া হালাইন!!’
সবাই যার যা আছে বের করে দিতে শুরু করল! এক লোক তাঁর টাকা-পয়সা সব দিতে দিতে ‘দিয়া হালাইন’ কথাটা শুনে আর হাসি ধরে রাখতে পারছিলেন না! হেসেই ফেললেন! তখন ডাকাতের সর্দার তাঁর হাসি দেখে চোখ গরম করে বলে উঠল, ‘দিয়া আবার হাসুইন? এক্কেরে কাইট্টা হালবাম!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৫ঃ বিয়েতে যাচ্ছিলাম

রাস্তায় দ্রুত গাড়ি চালানোর কারণে এক তরুণকে পুলিশ অফিসার আটক করেছেন। লোকটার শুধু একটাই কথা, ‘আগে আমার কথা তো শুনুন।’
কিন্তু পুলিশ অফিসারও নাছোড়বান্দা। ‘না, কোনো কথাই শুনব না। জেলের বড় কর্তা না আসা পর্যন্ত তোমাকে কিছুতেই ছাড়া যাবে না।’
ঘণ্টাখানেক পর পুলিশ অফিসার ওই তরুণকে বললেন, ‘তুমি আসলে ভাগ্যবান। আজকে আমাদের বড় স্যারের মেয়ের বিয়ে। তাই আজ তিনি যখন অফিসে আসবেন, তখন তাঁর মেজাজ খুবই ঠান্ডা থাকবে।’
এতক্ষণে কথা বলার সুযোগ পেয়েই তরুণ হাউমাউ করে বলে উঠল, ‘বড় কর্তা এলে আপনার খবর আছে। আমিই তাঁর মেয়ের হবু বর! বিয়েতে যাচ্ছিলাম।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৬ঃ ডাকাতির মাল

: তোমার ব্যাংক ডাকাতির অভিজ্ঞতা আছে মানছি। কিন্তু তুমি যে ব্যাংকগুলির নাম বললে তার মধ্যে সাউথ লিবার্টি ব্যংকের নাম নেই কেন?
: ওই ব্যাংকেই যে আমার ডাকাতির মাল জমা আছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৭ঃ সত্যিকারের লাইসেন্স

ভোরবেলায় রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে এক পুলিশ অফিসার সে গাড়ির চালককে জানাল যে, সে দিনের প্রথম সিটবেন্ট পরিধানরত গাড়ি চালক হিসেবে ‘নিরাপত্তা দিবস’ উপলক্ষে দশ হাজার টাকা পুরস্কার পেতে যাচ্ছে।
পুলিশ অফিসার সাধারণ কৌতুহলে জানতে চাইল-
: তুমি এই টাকা দিয়ে কী করবে?
চালক চোখ বুজে বলল-
: এই টাকা দিয়ে ড্রাইভিং টেস্ট দিয়ে আমি সত্যিকারের একটা লাইসেন্স নেব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৮ঃ শাস্তি হবে কিনা

পুলিশকে বানর বলেছে বলে এক ব্যক্তির চার মাসের জেল হয়ে গেল। রায় হবার পর সে বিচারকের কাছে জানতে চাইল সে যদি পুলিশকে বানর না বলে বানরকে পুলিশ বলে তাহলেও কি তার শাস্তি হবে কিনা। বানররা নালিশ করতে পারে না, কাজেই বিচারক জানালেন যে, না, তার কোনো শাস্তি হবে না। এটা শুনেই সে ব্যক্তি পাশে দাঁড়ানো সকল পুলিশের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল- ‘বানর!বানর !!!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৯ঃ কিছুই শোন যচ্ছিল না

ডাকাতির পর তদন্ত করতে এসেছে পুলিশ। তারা পাশের বাড়ির লোকদের কাছে জানতে চাইল তারা সেদিন রাতে ওদিক থেকে আসা কোনো সন্দেহজনক শব্দ পেয়েছিল কিনা।
ও বাড়ির মালিক জানাল- ‘খেয়াল করি নি, আসলে ও পাশ থেকে এত জোরে ধুপধাপ আওয়াজ আসছিল আর কুকুরটা এত বিকট আওয়াজ করছিল যে কিছুই শোন যচ্ছিল না।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪০ঃ ৫০০ টাকার নকল নোট

: শুনলাম তুই নাকি ৫০০০ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন মাত্র ৪৯৯ টাকা বেতনের চাকরি করছিস?
: ঠিকই শুনেছিস আমি কি তোদের মতো গর্দভ নাকি? জানিস না ৫০০ টাকার নকল নোট বেরিয়েছে বাজারে, ঐ টাকা যার কাছে পাওয়া যাবে পুলিশ তাকেই গ্রেফতার করবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪১ঃ তিনজন চড়ার অনুমতি নেই

দুজন ধর্মযাজক প্রচন্ড গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে দেখে একজন পুলিশ অফিসার তাদের থামিয়ে এত জোরে মোটরবাইক চালানোর বিপদ ব্যাখ্যা করল।
তার কথা শুনে একজন ফাদার বললেন-‘অসুবিধা নেই বৎস, আমাদের সাথে ঈশ্বর আছেন!’
একথা শুনে অফিসার তার ব্যাগ থেকে কেস করার কাগজপত্র বের করতে করতে বলল-‘দুঃখিত ফাদার তাহলে আমাকে আপনার বিরুদ্ধে কেইস করতেই হচ্ছে, কারণ এক বাইকে তিনজন চড়ার অনুমতি নেই।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪২ঃ ছবি তোলার সময়

বাচ্চারা শিক্ষা সফরে গেছে থানায়। বুলেটিন বোর্ডে “ওয়ান্টেড’’ক্রিমিনালদের এক গাদা ছবি ঝুলছে দেখে একটি ছোট মেয়ে পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞেস করল, তোমরা কি আসলেই ওদেরকে ধরতে চাও?
নিশ্চয়ই! পুলিশ অফিসার জানাল।
ছোট মেয়েটি আশ্চর্য হয়ে আবার জিজ্ঞেস করল, তাহলে ছবি তোলার সময়ই ওদের রেখে দিলে না কেন?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৩ঃ না চাইতে বখরা

পুলিশ : কী ব্যাপার আজকে না চাইতে বখরা দিচ্ছিস?
ডাকাত : আইজ ভুলে আপনের বাড়িতে ….

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৪ঃ কুকুরের লাইসেন্স

পুলিশ : তোমার কুকুরের লাইসেন্স আছে?
ছেলে : নাহ ও তো গাড়ি চালাতেই পারে না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৫ঃ টা-টা

ট্রাফিক পুলিশ : আমি হাত দেখালাম, তবু তুমি গাড়ি থামালে না কেন?
ড্রাইভার : আমি ভাবলাম, আপনি বুঝি আমাকে টা-টা দিচ্ছেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৬ঃ আমিও বিড়াল

ওস্তাদ চোর তার চেলাকে হাতেকলমে শিক্ষা দিতে এক গৃহস্থবাড়িতে ঢুকেছে চুরি করতে।
অনেক কায়দা করে ঘরে ঢুকে অন্ধকার কিছু একটার ধাক্কা লেগে শব্দ হল-ঠং।
গৃহস্থ ঘুমের ঘোরে বলে উঠলেন-কে রে?
ওস্তাদ চোর সঙ্গে সঙ্গে বিড়ালের গলা নকল করে ডেকে উঠল- ম্যাঁও। গৃহস্থ বিড়াল ভেবে আবার চোখ বুজলেন।
এরপর চ্যালা চোরের হাতে লেগে কী একটা পড়ে ঝন ঝন শব্দ করে উঠল।
গৃহস্থ আবার বললেন, কে রে? কে ওখানে?
চ্যালা চোর সঙ্গে সঙ্গে বুদ্ধি করে বলল, হুজুর, আমিও বিড়াল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৭ঃ জেগে আছ?

: ওগো মনে হচ্ছে ঘরে চোর ঢুকেছে, ওগো শুনছ? তুমি জেগে আছ?
: না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৮ঃ এত ভালো জীবনে কখনো অনুভব করিনি

এক পর্যটকের গাড়িটা বিগড়ে গেছে। পথিমধ্যে তিনি চড়ে বসলেন এক চাষির ট্রাকে। ট্রাকের পেছনে অনেকগুলো গবাদিপশু—হাঁস-মুরগি, ছাগল-ভেড়া। চাষি যাচ্ছিলেন বাজারে গবাদিপশুগুলো বিক্রি করবেন বলে।
হঠাৎ অন্য একটা ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ। দুমড়েমুচড়ে ট্রাকটা গিয়ে পড়ল পাশের আলুখেতে। হাঁচড়ে-পাঁচড়ে বিধ্বস্ত ট্রাকটা থেকে বেরিয়ে এলেন চাষি। পেছনে গবাদিপশুগুলোর অবস্থা দেখেই বিলাপ করে কেঁদে উঠলেন। বললেন, ‘হায় হায়! হাঁস-মুরগিগুলোর ডানা ভেঙে গেছে। এখন এগুলো কেউ কিনবে না!’ বলেই রাগে-দুঃখে আহত হাস-মুরগিগুলোকে গুলি করে মেরে ফেললেন। পাশেই পেলেন আহত ছাগল আর ভেড়াগুলোকে। বললেন, ‘হায় হায়! ছাগল-ভেড়াগুলোও যথেষ্ট আহত। এগুলোও কেউ কিনবে না,’ বলেই এদেরও গুলি করে মারলেন। সবশেষে গেলেন পর্যটকের কাছে। জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি ঠিক আছেন তো?’
পর্যটক এতক্ষণ আধবোজা চোখে এই ভয়ার্ত দৃশ্য দেখছিলেন। বেচারার হাত ভেঙেছে, পা মচকেছে, সারা শরীরে কেটে-ছিঁড়ে গেছে। এ অবস্থায় পর্যটক হাসার আপ্রাণ চেষ্টা করে বললেন, ‘না না! আমি একদম ঠিক আছি, কোনো সমস্যা নেই! এত ভালো জীবনে কখনো অনুভব করিনি!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৯ঃ ট্যাক্সি ড্রাইভারদের বস

ট্যাক্সি ড্রাইভারের গাড়ি চালানো দেখে মুগ্ধ হয়ে বললাম, বাহ! তুমি তো বেশ ভাল গাড়ি চালাতে পার। গাড়ি চালাতে কী তোমার খুব ভাল লাগে?

ড্রাইভার বলল, হ্যাঁ লাগে। সবচেয়ে বড় কথা, কখন কি করতে হবে, সেই হুকুম দেয়ার মত মাথার উপর বস থাকে না।

তো তারপর আমি বললাম, এবার ডানদিকে থামো।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫০ঃ সিগন্যাল

দুটো গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। দুই ড্রাইভারই প্রচণ্ড উত্তেজিত।
১ম ড্রাইভার: কখন থেকে তোমাকে হেডলাইট জ্বালিয়ে সিগন্যাল দিয়ে বলছি ‘দাঁড়াও দাঁড়াও’! তুমি দেখলেই না!
২য় ড্রাইভার: আমিও তো ওয়াইপার নেড়ে নেড়ে বললাম, ‘কাছে এসো না, কাছে এসো না’! তুমি শুনেছ?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫১ঃ চোখ বন্ধ

এলোপাতাড়িভাবে রাজপথ দিয়ে ছুটে যাচ্ছে একটি গাড়ি। আরোহীর সিটে বসে আছেন মিসেস শায়লা।
মিসেস শায়লা: ও মাই গড! ড্রাইভার! তুমি আমাকে মারবার ফন্দি এঁটেছো নাকি?
ড্রাইভার: ভয় পাবেন না ম্যাডাম, বেশি ভয় করলে আমার মতো চোখ বন্ধ করে বসে থাকুন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫২ঃ স্বামীও সঙ্গে

ট্যাক্সি ঠিক করছেন এক ভদ্রমহিলা।
ভদ্রমহিলা: এই ট্যাক্সি, যাবে?
ট্যাক্সি ড্রাইভার: কোথায়?
ভদ্রমহিলা: মার্কেটে। তুমি বাইরে অপেক্ষা করবে। কেনাকাটা শেষ হলে তোমাকে নিয়েই ফিরে আসব। চিন্তা করো না, তোমাকে টাকা বাড়িয়ে দেব।
ট্যাক্সি ড্রাইভার: আপনার সঙ্গে কি আপনার স্বামীও যাবেন?
ভদ্রমহিলা: হ্যাঁ। কিন্তু কেন?
ট্যাক্সি ড্রাইভার: তাহলে ভাড়া বেশি দিতে হবে।
ভদ্রমহিলা: কেন?
ট্যাক্সি ড্রাইভার: কারণ, তাহলে আমাকে যাওয়ার সময় ব্যাংকের সামনে এবং ফেরার সময় হাসপাতালের সামনেও অপেক্ষা করতে হবে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৩ঃ প্রসূতি হাসপাতাল

এক মহিলা ট্যাক্সিতে বসে ট্যাক্সিড্রাইভারকে বলল:
—প্রসূতি হাসপাতাল।
ট্যাক্সি ছুটতে শুরু করল সব গাড়িকে পেছনে ফেলে। মহিলাটি বলল:
—অত জোরে চালানোর দরকার নেই তো! আমি ওখানে চাকরি করি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৪ঃ বাজে ব্যবহার

মাঝরাতে এক ট্রাক ড্রাইভারকে আটক করল পুলিশ।
পুলিশ: তুমি খুব এলোমেলোভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলে দেখলাম। লাইসেন্স আছে?
ট্রাক ড্রাইভার: আছে।
হেলপার: বলেন কী ওস্তাদ? আপনি লাইসেন্স করালেন কবে?
হেলপারকে চোখ রাঙানি দিল ড্রাইভার।
পুলিশ: গাড়ির হেডলাইট ভাঙা কেন?
ট্রাক ড্রাইভার: কই, দেখি নাই তো!
হেলপার: বলেন কী ওস্তাদ? হেডলাইট তো কবে থেকেই ভাঙা!
এবার হেলপারকে একটা চড় কষাল ড্রাইভার।
পুলিশ বলল হেলপারকে, ‘এই ড্রাইভার ব্যাটা কি সব সময় তোমার সঙ্গে এমন বাজে ব্যবহার করে?’
হেলপার: না। শুধু কাঁচা ঘুম ভাঙলে করে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৫ঃ প্লেন থামিয়ে ধাক্কা

একজন বাস ড্রাইভার আর এক পাইলট বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছিল—
বাস ড্রাইভার: আমি মাঝে মাঝে আমার যাত্রীদের খাটিয়ে নিতে পারি। কিন্তু তুই পারিস না।
পাইলট: কী রকম?
বাস ড্রাইভার: তুই কি মাঝপথে প্লেন থামিয়ে বলতে পারবি, ‘ভাইয়েরা, একটু নামেন, ধাক্কা দিতে হবে?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৬ঃ ভুলোমনা ড্রাইভার

এক বৃদ্ধ গতিসীমা অতিক্রম করে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ট্রাফিক পুলিশ তাঁকে আটক করল।
পুলিশ: আপনি যদি এত দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর পেছনে কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ বলতে পারেন, তাহলে আপনাকে ছেড়ে দেব।
বৃদ্ধ: আসলে, আমি একটু ভুলোমনা। আমি কোথায় যাচ্ছিলাম, সেটা ভুলে যাওয়ার আগেই আমি সেখানে পৌঁছতে চাই।
পুলিশ: ঠিক আছে, আপনি যেতে পারেন।
বৃদ্ধ: কোথায় যেন যাচ্ছিলাম?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৭ঃ ফাঁকি মারার ধান্ধা

হাবলু ও ট্যাক্সি ড্রাইভারের মধ্যে কথোপকথন—
ট্যাক্সি ড্রাইভার: স্যার, ট্যাক্সির পেট্রল শেষ হয়ে গেছে। গাড়ি আর সামনে যাবে না। এখানেই নেমে পড়ুন।
হাবলু: এত ফাঁকি মারার ধান্ধা করো কেন? গাড়ি সামনে যাবে না, তাহলে পেছনে নিয়ে যাও। আমাকে যেখান থেকে উঠিয়েছ, সেখানে দিয়ে এসো।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৮ঃ বসরে ক্যামনে হাত করলি

দুই ড্রাইভার আড্ডা দিচ্ছে—
কি রে, শুনলাম তোর নাকি চাকরি যায় যায় অবস্থা! আজকেও দেখি গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিস! বসরে ক্যামনে হাত করলি?
হে হে, ঘটনা আছে! চাকরি যাওনের কথা শুইনাই ইচ্ছা কইরা দামি গাড়িটার একটা হেডলাইট দিছিলাম ভাইঙ্গা!
তারপর?
তারপর আর কী! বস কইল আগামী ছয় মাসে হেডলাইট ভাঙা বাবদ যত খরচ পড়ে তত টাকা আমার বেতন থেইকা কাইটা রাখব। তাতে কী, ছয় মাসের জন্য তো চাকরিটা একদম পাক্কা!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৯ঃ ড্রাইভিং লাইসেন্স

ট্রাফিকঃ আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখি।
চালকঃ কিন্তু স্যার, আমিতো খুব সাবধানে চালাচ্ছি, বেআইনি কোন কিছু করিনি।
ট্রফিকঃ সেজন্যইতো সন্দেহ হচ্ছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬০ঃ মাইকেল জ্যাকসনের মতো চুল

নাপিতের দোকানে ঢুকেই এক লোক বললেন, ‘ভাই, আমার চুলটা মাইকেল জ্যাকসনের মতো করে দিন তো।’
নাপিত কাটতে শুরু করলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়লেন ভদ্রলোক। হঠাৎ ঘুম ভেঙে উঠে দেখলেন, চুলের যাচ্ছেতাই অবস্থা।
রেগেমেগে ভদ্রলোক বললেন, ‘সে কী! আমি না বললাম মাইকেল জ্যাকসনের মতো করে দিতে। আপনি এ কী হাল করেছেন!’
নাপিত বললেন, ‘ভাই, মাইকেল জ্যাকসন তো আর আমাদের এখানে চুল কাটান না। কাটালে ওনার চুলেরও এমন স্টাইলই হতো!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬১ঃ কখন চুল কাটাবেন

বাড়ির পাশের সেলুনে গেছেন করিম সাহেব।
নাপিতকে বললেন, ‘আমার ছেলেটার দুই বছর বয়স। ওর চুল কাটাব। কখন নিয়ে এলে ভালো হবে, বলুন তো?’
নাপিত: যখন ওর বয়স চার বছর হবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬২ঃ গালে ফুটো

দাড়ি কামানো শেষে জলিল বললেন, ‘আমাকে এক গ্লাস পানি দিন তো।’
নাপিত বললেন, ‘খুব পিপাসা পেয়েছে বুঝি?’
জলিল: না। মুখে পানি নিয়ে দেখব, গালে কোথাও ফুটো হয়ে গেল কি না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৩ঃ দুই টাকায় চুল মেরামত

এক সেলুনের সামনে সাইনবোর্ড ঝোলানো, ‘মাত্র দুই টাকায় চুল কাটা হয়।’
পাশেই সেলুনটির আরেকটি শাখা। তাতে আরেকটি সাইনবোর্ড। লেখা, ‘দুই টাকায় কাটানো চুল মেরামত করা হয়!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৪ঃ মাথা শেভ

পল্টু: এখানে চুল কাটাতে কত টাকা লাগে?
নাপিত: ৪০ টাকা।
পল্টু: আর শেভ করতে?
নাপিত: ২০ টাকা।
পল্টু: আমার মাথাটা একটু শেভ করে দিন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৫ঃ চুল খুঁজে বের করার মজুরি

মতিন সাহেবের মাথায় চুল নেই বললেই চলে। বেচারা চুল কাটানোর পর দোকানদার তাঁর কাছে ৫০ টাকা দাবি করে বসলেন। মতিন সাহেব বললেন, ‘আমি তো প্রায় টাক। আমার চুল কাটার মজুরি ৫০ টাকা চাইছেন কেন?’
নাপিত: ‘স্যার, চুল কাটার জন্য তো ৩০ টাকা। বাকি ২০ টাকা আপনার চুল খুঁজে বের করার মজুরি!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৬ঃ ভয়ে চুল খাড়া

সেলুনে চুল কাটাতে গেছেন এক নেতা। নাপিত কাঁচি চালাতে চালাতে বলছেন, ‘স্যার, শুনলাম জনগণ নাকি আপনার ওপর খুব খ্যাপা। যেকোনো দিন আপনার বাড়িতে হামলা চালাইবে! আপনি নাকি ঘুষের টাকা দিয়ে সম্পদের পাহাড় বানাইছেন…।’
নেতা ধমক দিকে বললেন, ‘এই ব্যাটা, চুপ থাক।’
পরদিন নাপিতের কাছে চুল কাটাতে এলেন এক সরকারি কর্মকর্তা। নাপিত তাঁর চুল কাটতে কাটতে বললেন, ‘স্যার, দুদক নাকি আপনারে খুঁজতেছে! যেকোনো দিন ক্যাক কইরা ধইরা জেলে ঢুকায় দিব! আপনি নাকি দুর্নীতি করেন!’
সরকারি কর্মকর্তাও নাপিতকে ধমক দিয়ে চুপ করালেন।
কয়দিন বাদেই নাপিতের দোকান ঘেরাও করল পুলিশ। নাপিতকে আটক করে বলল, ‘এই ব্যাটা, তুই নাকি তোর কাস্টমারদের আজেবাজে কথা বলিস? তোর উদ্দেশ্য কী?’
নাপিত আমতা আমতা করে বললেন, ‘স্যার! এসব কথা বললে ভয়ে ওনাদের চুল খাড়া হয়ে যায়। আমার চুল কাটতে সুবিধা হয়। তাই বলি!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৭ঃ বেয়াদব এবং ছোটলোক

থানায় ঢুকেই ভদ্রমহিলা রাগে ফেটে পড়লেন, ইন্সপেক্টর সাহেব, আমি আমার প্রতিবেশীর বিচার চাই। লোকটা একটা আস্ত বেয়াদব এবং ছোটলোক।
ইন্সপেক্টর: কেন? কী করেছে সে?
ভদ্রমহিলা: আমি যখনই তার বাড়িতে উঁকি দিই, দেখি সে-ও উঁকি দিয়ে আছে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৮ঃ প্রতিবেশীর কুকুরের চিৎকার

প্রতিবেশীর কুকুরটার চিৎকারে বিরক্ত এক দম্পতি। এক মাঝরাতে বিছানা থেকে উঠেই গেলেন বাড়ির কর্তা। বললেন, অনেক হয়েছে। আজ এর একটা বিহিত করতে হবে। বলেই হনহন করে বেরিয়ে গেলেন তিনি।
কিছুক্ষণ পর ফিরলেন। স্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন, কি হেনস্তা করে এলে, শুনি?
কর্তা: কুকুরটাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে এসেছি। এবার বুঝুক, প্রতিবেশীর কুকুরের চিৎকার কেমন লাগে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৯ঃ কথা বলা ঘড়ি

বন্ধুর নতুন বাসা ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন রকিব। দেয়ালে একটা পিতলের থালা আর একটা হাতুড়ি ঝোলানো দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কী?
বন্ধু বললেন, এটা একটা ‘কথা বলা ঘড়ি’।
রকিব: তাই নাকি? দেখি তো কেমন কথা বলে?
বন্ধু হাতুড়ি দিয়ে থালায় আঘাত করলেন, প্রচণ্ড শব্দ হলো। সঙ্গে সঙ্গে দেয়ালের ওপাশ থেকে প্রতিবেশী চিৎকার করে বললেন, নালায়েক! রাত ১০টার সময় কেউ এত জোরে শব্দ করে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭০ঃ গোলপোস্ট

বাড়ির সামনে প্রতিবেশী বাচ্চাগুলোকে খেলতে দেখে রহমান সাহেব বললেন, বাচ্চারা, খেলছ ভালো কথা। কিন্তু আমার গাড়িতে যেন বল না লাগে।
এক বাচ্চা বলে উঠল, অবশ্যই আঙ্কেল, আপনার গাড়িটাই তো আমাদের গোলপোস্ট। আমরা গোল হতে দিলে তো!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭১ঃ চেঁচামেচির যন্ত্রণা

এক বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। প্রতিবেশীর বাড়িতে অনুসন্ধানের কাজে গেছেন গোয়েন্দা।
গোয়েন্দা: গত রাতে পাশের বাসা থেকে আপনারা কোনো শব্দ শুনতে পেয়েছেন?
প্রতিবেশী: নাহ্! গোলাগুলি, চিৎকার আর ওদের কুকুরটার চেঁচামেচির যন্ত্রণায় কিছু শোনাই যাচ্ছিল না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭২ঃ কথার প্যাঁচ

ছোট্ট আরিয়ান গেছে বন্ধু সোহানের বাড়ি।
সোহানের মা: কী চাই?
আরিয়ান: আন্টি, সোহান কি বাইরে এসে আমাদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে পারে?
সোহানের মা: না! বাইরে ভীষণ গরম!
আরিয়ান: ঠিক আছে, আন্টি। সোহান না-হয় না-ই এল। সোহানের ফুটবলটা কি বাইরে এসে আমাদের সঙ্গে খেলতে পারে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৩ঃ চারপাশে সব অন্ধকার

এক প্রতিবেশীর সাথে দেখা হল আরেক প্রতিবেশীর।
: শুভ সন্ধ্যা।
: সন্ধ্যা মানে? এই ভর দুপুরে বলছেন শুভ সন্ধ্যা?
: আমি খুবই দুঃখিত। কিন্তু কী করব বলুন, আপনাকে দেখলেই আমার চারপাশে সব অন্ধকার হয়ে আসে যে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৪ঃ ট্রেন ধরতে

: আপনার কুকুরটা আমাকে স্টেশন পর্যন্ত তাড়া করেছিল আজ? আমি আপনার নামে মামলা করব!
: এ জন্য তো আপনার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।
: কেন?
: কুকুরটা তাড়া না করলে আপনি ট্রেন ধরতে পারতেন না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৫ঃ হাতের লেখা আর বানান ভুল

পাশের বাসার কলেজপড়ুয়া ছেলেটিকে ডেকে এনেছেন এক বৃদ্ধ। নিজে পড়ালেখা জানেন না। ছেলেটার হাতে একটা বিস্কুট ধরিয়ে দিয়ে বললেন, বাবা, আমার হয়ে একটা কাজ করে দেবে?
কী কাজ? বলেন।
তেমন কিছু না, যদি একটা চিঠি লিখে দিতে!
আচ্ছা ঠিক আছে, বলেন কী লিখতে হবে।
এরপর ঘণ্টাখানেক ধরে লোকটার কথানুযায়ী পুরো চিঠিটাই লিখে ফেলল ছেলেটা।
চিঠি লেখা হলে সে লোকটাকে জিজ্ঞেস করল, আর কিছু? বৃদ্ধ মাথা চুলকে বললেন, হ্যাঁ, চিঠির নিচে লিখে দাও—জঘন্য হাতের লেখা আর বানান ভুলের জন্য মার্জনা করিবেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৬ঃ মেয়ের জামাই আর পুত্রবধূ

এক বৃদ্ধা পাশের বাড়ির মহিলার কাছে তাঁর মেয়ের জামাই আর পুত্রবধূর কথা বলছিলেন।
: মেয়ের জামাই আমার খুবই ভালো। প্রতি সকালে মেয়ের জন্য নাশতা বানিয়ে বিছানায় নিয়ে আসে। অফিস থেকে ফিরে আবার রান্নাঘরে ঢোকে। রাতে বিছানার মশারিটাও টানায় জামাই। জামাই আমার মেয়েকে বড় সুখে রেখেছে।
: আর ছেলের বউ কেমন?
: বউটার কথা আর বলবেন না। অলসের এক শেষ। ডাইনি আমার ছেলের হাড়-মাংস জ্বালিয়ে খেল। সকালে ঘুম থেকে ওঠে ১০ টার সময়। উঠার সাথে সাথে ছেলে গিয়ে বেড টি দিয়ে আসে। তারপর আবার সকালের নাস্তা দিতে হয়। অফিস থেকে ফেরার পরও নিস্তার নেই। রান্নাঘরে ঢুকে। ছেলের হোম-ওয়ার্ক দেখিয়ে দিতে হয়। আর নবাবজাদি পায়ের উপর পা তুলে বসে বসে টিভি দেখে না হলে ফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৭ঃ জলাতঙ্ক

একজন ভদ্রলো্‌ক তাঁর প্রিয় কুকুরটি হারিয়ে যাওয়ায় কাগজে বিজ্ঞাপন দিলেন : আমার হারিয়ে যাওয়া কুকুরটি একটা কালো রঙের বুলডগ, জিমি, জিমি বললে সাড়া দেয়, লেজ নাড়ে, কিন্তু দুঃখের কথা কয়েকদিনের মধ্যেই কুকুরটির জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ দেখা দেবে।
ঠিক তার পরদিনই তিনি কুকুরটি ফেরত পেলেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৮ঃ হ্যালো ফায়ার সার্ভিস

ফায়ার সার্ভিস অফিসে একটা ফোন এল।
-হ্যাঁলো, এটা কি ফায়ার সার্ভিস অফিস?
-হ্যাঁ, বলুন।
-দেখুন, মাত্র কিছুদিন হলো আমি আমার ফুলের বাগান করেছি। ছোট্ট সুন্দর বাগান, নানা জাতের ফুল ফুটেছে···
-আগুন লেগেছে কোথায়?
-গোলাপের চারাগুলো খুব দামি, অর্ডার দিয়ে বিদেশ থেকে আনিয়েছি···
-কোথায় আগুন লেগেছে তা-ই বলুন, শিগগির।
-তাই তো বলছি। আগুন লেগেছে আমার পাশের বাড়ি। আপনারা তো এক্ষুনি আসবেন। তাই আগে থেকেই অনুরোধ করছি, আগুন নেভানোর ফাঁকে একটু পানি ছিটিয়ে দিয়েন, অনেক দিন পানি দেওয়া যাচ্ছে না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৯ঃ ব্যাঙের ছাতা কোথায় পান

-আপনারা ব্যাঙের ছাতা কোথায় পান?
-প্রতিবেশীর বাড়ির ছাদ থেকে।
-ওখানে কি ওরা ব্যাঙের ছাতার চাষ করে?
-না, ওখানে ওরা সেগুলো শুকাতে দেয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮০ঃ মেক-আপ ম্যান

সুন্দরী অভিনেত্রী স্যুটিং-এর অবসরে মেক-আপ ম্যান-কে বললেন, যখন মেক-আপ রুমে ঢুকবে অবশ্যই দরজায় টোকা দেবে। কারণ তখন হয়ত আমি জামা কাপড় পালটাতে পারি।

এর কিছুক্ষণ পরেই কোন রকম টোকা না দিয়ে মেক-আপ ম্যান ঘরে ঢুকল। অভিনেত্রী : ( অত্যন্ত রেগে গিয়ে ) তোমাকে এই মাত্র বললাম না টোকা না দিয়ে ঘরে ঢুকবে না। তুমি কি করে জানলে আমি এখন জামা-কাপড় ছাড়ছি না?

মেক-আপম্যান ( বিনীতভাবে ) : জ্বী, দরজার চাবির ফুটোয় চোখ দিয়ে আগেই সেটা দেখে নিয়েছি যে

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮১ঃ পায়ের স্যান্ডেল কিন্তু বেশ শক্ত

আমি কৌতুকপ্রিয় মানুষ হলেও কৌতুক খুব বেশি মনে রাখতে পারি না। তবে বিচিত্র কিছু ঘটনার মুখোমুখি হলে এই কৌতুকটা মনে পড়ে
দুই বন্ধু পার্কের বেঞ্চে বসে আছে। ঠিক তাদের পাশে আরেকটি বেঞ্চে বসে আছে সুন্দরী একটা মেয়ে। তো এক বন্ধু উঠে মেয়েটিকে বলতে গেল ‘আই লাভ ইউ।’ বলা শেষে একটু পর ফিরে এল। পাশের বন্ধুটি জানতে চাইল মেয়েটি কী বলল?
বন্ধু উত্তর দিল, ‘মেয়েটি কানে কম শোনে।’
—মানে?
আমি বললাম, ‘আই লাভ ইউ।’ আর উত্তর দিল, আমার পায়ের স্যান্ডেল কিন্তু বেশ শক্ত।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮২ঃ জেলীসহ খাবেন

একটা মেয়ে ফার্মেসীতে গিয়েছে সেনেটারি ন্যাপকিন কিনতে। তো ন্যাপকিন কেনার পর বাসায় আসার পথে এক ছেলে মেয়েটির হাতে ন্যাপকিন দেখে টিজিং করতে গেলো –
– এই যে আপু, কি কিনলেন ?
– দেখতেছেন না কি কিনছি ?
– ওহ ব্রেড ? এক পিছ ব্রেড হবে ? খুব খুদা লাগছে আপু।
– এখনই দেবো, খাবেন ?
– হুম, এখনই খাবো, খুব খুদা লাগছে।
– কালকে দেই ভাই ? জেলীসহ খাবেন, হুম… ?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৩ঃ দেয়াল

বাসে শফিকের পাশেই বসেছে এক মেয়ে। আহ্লাদে গদগদ হয়ে বলল শফিক, ‘আপনি দেখতে খুব সুন্দর।’
মেয়ে: ধন্যবাদ।
শফিক: ইশ্। আপনার আর আমার মাঝে যদি একটা কিছু থাকত…
মেয়ে: হু, আমিও তাই ভাবছি।
শফিক: (গদগদ হয়ে) কী থাকার কথা ভাবছেন, বলুন তো?
মেয়ে: একটা দেয়াল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৪ঃ শক্তপোক্ত চেহারার এক বুড়ো

পার্কে শক্তপোক্ত চেহারার এক বুড়োকে বসে থাকতে দেখে কবির বলল, ‘আরে! আপনি তো এই বয়সেও বেশ আছেন দেখি! কী করে স্বাস্থ্যটা ধরে রাখলেন, বলেন তো?’
বৃদ্ধ হতাশ গলায় বললেন, ‘আমি কিছুই করি না। সারা দিন মদ, সিগারেট খাই; কোনো দিনও ব্যায়াম করিনি; ইচ্ছেমতো তেল, ঘি, মাখন খাই; ঠিকমতো গোসল করি না, এক কাপড় ১৪ দিন পরি।’
কবির অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘বলেন কি! আপনার বয়স কত?’
লোকটা জবাব দেয়, ‘৩০ বছর।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৫ঃ দোকানে কি কাঁঠাল পাওয়া যায়

এক পিচ্চি পাড়ার রড-সিমেন্টের দোকানে এসে বলল, আপনার দোকানে কি কাঁঠাল পাওয়া যায়? দোকানি জানাল, না।
পরদিন ছেলেটা আবার এসে জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, আপনার দোকানে কি কাঁঠাল পাওয়া যায়? দোকানি বিরক্ত হয়ে জবাব দিল, না!
তার পরদিন ছেলেটা আবার এসে হাজির। বলল, আচ্ছা আপনার দোকানে কি কাঁঠাল পাওয়া যায়?
এবার দোকানি গেল খেপে, আমার সাথে ফাজলামি করিস, না? খবরদার…আবার যদি এই প্রশ্ন করিস, তাহলে তোর মুখ সেলাই করে দেব!
ছেলেটা পরদিন ঠিকই আবার হাজির। বলল, আচ্ছা আপনার দোকানে সুঁই আছে?
দোকানি বলল, না।
ছেলে বলল, সুতো?
দোকানি বলল, না।
ছেলেটা এবার বলল, আচ্ছা, আপনার দোকানে কি কাঁঠাল পাওয়া যায়?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৬ঃ আবার কী করব

ফ্লাট বাড়ির তিন তলায় ছয় বছরের এক ছেলে কলিংবেল বাজাবার চেষ্টা করছে কিন্তু নাগাল পাচ্ছে না।
এক ভদ্রলোক তা দেখে কলিংবেল টিপে জিজ্ঞেসা করলেন, আবার কী করব?
ছেলেটি বলল, আমি তো পালাব। আপনি কি করবেন তা আমি কি জানি?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৭ঃ সিটটা কি খালি

ছেলে: আপনার পাশের সিটটা কি খালি?
মেয়ে: জি। আপনি বসলে আমারটাও খালি হয়ে যাবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৮ঃ আপনার স্বামী কি জানেন

মাঝবয়সী কড়া মেজাজের মহিলা : এই যে খোকা, তোমার মা কি জানেন যে তুমি সিগারেট টান?
ঠোঁটকাটা খোকা : আচ্ছা ম্যাডাম, আপনার স্বামী কি জানেন যে আপনি রাস্তাঘাটে অচেনা লোকদের সঙ্গে কথা বলেন?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৯ঃ পরপুরুষ

অল্প বয়সের এক ছেলেকে সিগারেট খেতে দেখে এক ভদ্রমহিলা ধমকে উঠলেন, এই ছেলে, এই বয়সে সিগারেট খাচ্ছ লজ্জা করে না তোমার!
ছেলে পাল্টা ধমকে উঠল, আপনি যে পরপুরুষের সাথে কথা বলছেন আপনার লজ্জ করে না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯০ঃ শিক্ষাব্যবস্থা

এ দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নারীজাতিকে একদম রাস্তায় বসিয়ে দিয়েছে।
—মানে?
—মানে, দেখিস না, প্রতিটি স্কুলের সামনে মায়েরা কেমন রাস্তায় বসে থাকে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯১ঃ বাজে ছেলের বাজে কথা

লাথি মার ভাঙরে তালা, যতসব বন্দীশালা, আগুন জ্বালা।
অশিক্ষিত মাঃ খোকন, এত বাজে কথা কোথা থেকে শিখেছ?
খোকাঃ মা, এ তো আমার কথা নয়, নজরুলের কথা।
মাঃ তাহলে আর কখনো ওসব বাজে ছেলের সঙ্গে মিশবে না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯২ঃ পরের নয়জনের জন্য আগাম

পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে এক মাস্তান। দাফন-কাফনের জন্য তার বন্ধুরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাঁদা তুলছে। এক বাড়ির এক ভদ্রলোক একশ টাকার একটা নোট এগিয়ে দিলেন।
মাস্তানদের একজন বলল, এত দরকার নেই। দশ টাকা দিলেই চলবে।
ভদ্রলোক বললেন, নিয়ে রাখ, পরের নয়জনের জন্য আগাম দিলাম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৩ঃ পাখির কথায় কী আসে যায়

টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।

পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!’

টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়?

পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!’

টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো।

তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!’

এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাপ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।

তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু!’

টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, ‘কী?’

পাখিটা বললো, ‘বুঝতেই তো পারছেন।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৮ঃ আস্তে হাঁটা

এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে বেশ দেরি করে আসেন। অফিসের বস, এই ঘটনা জেনে অনেক বার ওই তরুণীকে শাসিয়েছেন। অথচঃ আজও সে দু’ঘণ্টা দেরি করে অফিসে এসেছে!
বস : আচ্ছা, আজও দেরি হল কেন?
তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল!
বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন?
তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৯ঃ সাইকোলজির স্টুডেন্ট বনাম আইনের ছাত্র

লাইব্রেরিতে পড়তে গিয়ে একটা মেয়েকে বললাম, “আমি কি আপনার পাশের চেয়ারে বসতে পারি?
মেয়েটা চিৎকার করে উঠল এবং বলল.. -আমার সাথে রাত কাটাতে চাও? এত্ত বড় সাহস!?
লাইব্রেরির সবাই আমার দিকে কটমট চোখে তাকালো..
আমি সাংঘাতিক লজ্জা পেলাম!

ঘণ্টা খানেক পর মেয়েটা আমার কানে কানে এসে বলল…
‘আমি সাইকোলজির স্টুডেন্ট।’
কীভাবে মানুষকে লজ্জা দিতে হয়, -‘সেটা খুব ভালো করে জানি?’
আমি চিৎকার করে উঠে বললাম…
এক রাতের জন্য ১০ হাজার টাকা চাও!? – এটা অনেক বেশি।

লাইব্রেরির সব মানুষ বিষ্মিত চোখে মেয়েটার দিকে তাকাল।
মেয়েটা লজ্জায় অজ্ঞান হয়ে গেল!
আমি তার কানে কানে গিয়ে বললাম… -‘আমি আইনের ছাত্র!
কীভাবে বিনা অপরাধে দোষী বানাতে হয়, – সেটা আমি খুব ভালো করে জানি!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০০ঃ সিরাজ ভাইয়ের চেয়ার

জাদুঘরে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে একটা চেয়ারে বসে পড়লেন মকবুল।

হায় হায় করে ছুটে এলেন জাদুঘরের কর্মীরা। বললেন, আরে, করছেন কী করছেন কী! এটা নবাব সিরাজউদ্দৌলার চেয়ার!

মকবুল বললেন, ভাই, একটু বসি। সিরাজ ভাই আইলেই উইঠা যাব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০১ঃ লাই দিয়া মাথায় তুলতে হয়

বনের রাজা সিংহ তার আন্ডাবাচ্চা নিয়া রোদ পোহাচ্ছিলো! এমন সময় বাঁদর এসে তার লেজ ধরে দু’টা ঝাকি দিলো! সিংহ যতোটা না অবাক হলো, তার চেয়ে বিরক্ত হইলো বেশী! বাঁদর একটু দূরে দাঁড়িয়ে সিংহকে কয়েকটা ভেংচি কেটে হাসতে হাসতে চলে গেলো!

সিংহের বাচ্চা সিংহকে উদ্দেশ্য করে বললো, এত্তোবড় বেয়াদবী! আর আপনি তাকে কিছুই বললেন না বাপজান!

সিংহ বললো, বলার সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি! একটু সময় অপেক্ষা করো, সবকিছু দেখতে পাবে!

কয়েকদিন পর হঠাত করেই বাঁদর সিংহের সামনে পড়লো এবং এক থাপ্পরে তাকে শেষ করে দিলো সিংহ।
সিংহের বাচ্চা অবাক হয়ে সিংহকে জিজ্ঞেস করলো : বাপজান! সেদিন এতো অন্যায় করলো! কিন্তুু আপনি কিছুই বললেন না তাকে ! অথচ আজকে সে কিছুই করেনি! কিন্তু তাকে মেরে ফেললেন?

সিংহ জবাবে বললো, এটাই কৌশল বাবা ! সেদিনের পর বাঁদরটা ভালুক কে লাথি মেরেছে! হাতির শুড় ধরে দুলছে! গন্ডারের পিঠে চড়ে নাচছে! হায়নাকে সে কাতুকুতু দিয়েছে! জিরাফকে থাপ্পড় দিয়েছে! আর সবাইকেই বলছে, রাজাকেই আমি মানি না! সেখানে তুমি কে? সেদিন ওরে মা-রলে সবাই আমাকে বলতো, ক্ষমতা দেখাইতেছি, স্বৈরাচারী এবং খু-নী আমি! আজকে একটু পর দেখবি- সবাই এসে বলবে, থ্যাংক ইউ রাজা সাহেব! শোন মাঝে মাঝে লাই দিয়া মাথায় তুলতে হয়! যাতে শক্ত করে আছাড় দিলে বেশী ব্যথা পায় এবং আপদ শেষ হয়ে যায় একেবারে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০২ঃ কে বেশি মাতাল

সিংহ সিগারেট ধরাইতাছিল…
হঠাৎ শিয়াল আইসা বললো, ভাই কেন খাস?
নেশা ছাড় সোনা ভাই, আয় আমার সাথে, দেখ এই বনটা কি সুন্দর।
সিংহ সিগারেট ফালাইয়া শিয়ালের সাথে যাওয়া শুরু করলো।
কিছুদূর যাওয়ার পর দেখে হাতি ইয়াবা খাইতাছে।
শিয়াল আবার কইলো, হারামজাদা, কি দুঃখ তোর? এইসব ছাইড়া আমার লগে চল, দেখ এই বন কত Nice, হাতি তার পিছে পিছে যাওয়া ধরলো।
আবার কিছুদূর যাওয়ার পর দেখে বাঘ মদ খাইয়া টাল। শিয়াল যাইয়া সুন্দর কইরা বুঝাইলো, ছাড় এইসব নেশা। আমার সাথে চল মনা ভাই। দেখ বনটা কতো Beautiful!
বাঘ উইঠ্যা কশাইয়া একটা থাপ্পড় মারলো। শিয়াল কয়েক গজ দূরে গিয়া পড়লো।
হাতি কইলো, কি হইলো বাঘ ভাই?! শিয়াল তো ভালো কথাই কইছিল, তুমি চেতলা ক্যা ??
বাঘ কইলো এই হারামজাদা Daily গাঞ্জা খাইয়া এইভাবে সবাইরে লইয়া রাইত ভর জঙ্গলে ঘুরায়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৩ঃ দৈববাণী

কুম্ভমেলায় এক তপস্বী আর কোথাও জায়গা না পেয়ে একটা বেলুন ফাটানোর স্টলের পাশে ধ্যান করতে বসলেন৷
সেই স্টলে একজন বাঙালি অনেক্ষণ ধরে এয়ারগান দিয়ে বেলুন ফাটানোর চেষ্টা করছিল৷ প্রতিবারই টার্গেট মিস্ করছিল আর আনমনে বলে উঠছিল, “ধুর শালা! ফস্কে গেল৷”
এতে সেই তপস্বীর সাধনায় ব্যাঘাত ঘটছিল৷ শেষমেশ থাকতে না পেরে তিনি লোকটিকে অনুরোধ করলেন, যাতে তিনি এভাবে অশালীন শব্দপ্রয়োগ করে চিৎকার না করেন৷
কিছুক্ষণ সেটা মেনে চলল, কিন্তু কয়েকবার ফের মিস্ করার পরে আবার সেই ডায়লগ!
তপস্বী আবার অনুরোধ করলেন, লোকটা ক্ষমা চেয়ে আবার প্র্যাকটিস শুরু করল৷
কিছুক্ষণ পরেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি৷ এভাবে কয়েক রাউণ্ড চলার পর তপস্বী খুব ক্ষেপে গিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন “আর একবার এরকম করলে তোমায় আমি ভস্ম করে দেব৷”
লোকটা আবার ক্ষমা চেয়ে নিল৷
কিন্তু একটু পরেই ফের সেই একই কথার পুনরাবৃত্তি, “ধুর শালা! ফস্কে গেল৷”
প্রচণ্ড রেগে তপস্বী উঠে দাঁড়ালেন, দুই চোখ আগুনের মত জ্বলছে, হাতের কমণ্ডুলু থেকে একটু জল নিয়ে লোকটার গায়ে ছিটিয়ে বললেন,” হে ঈশ্বর, এই পাপীকে এক্ষুণি ভস্ম করে দাও।”
বলার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ কালো করে মেঘ ঘনিয়ে এলো, কড়াক্কড় শব্দে বিদ্যুত চমকাতে থাকলো, আর প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত নিচে আছড়ে পড়ল সেই তপস্বীর মাথায়৷ সাথে সাথে তপস্বীর দেহ পুড়ে ছাই হয়ে গেল !!
আর আকাশ থেকে দৈববাণী ভেসে এল –
“ধুর শালা ফস্কে গেলl”

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৪ঃ কোয়ারেনটাইন বিজয়ী করোনা ভাইরাস

বরিশালের গৌরনদীতে কোয়ারেনটাইনে থাকা এক ব্যক্তি গোপনে পালিয়ে গেছেন। পালানো অবস্থায় উনাকে চার জন মিলে রাতারাতি জোর করে ধরে নিয়ে এসে আটক করে রেখেছেন। “কোয়ারেনটাইন বিজয়ী” ঐ চারজনকে নিয়ে আবার গৌরনদী বাজারে বাজার সমিতি বিশাল বিজয়ের মিছিল বের করে ফেলেছে। উনারা সবাই হাসিমুখে সবার সাথে হ্যান্ডশ্যাক করছেন। রাস্তার চারপাশ দাঁড়িয়ে এই চারজনকে দেখার জন্য ধাক্কাধাক্কি-মারামারি ঘটনাও ঘটেছে। কোয়ারেনটাইনের এমন বিজয় উৎসব করোনা ভাইরাস বিশ্বের আর কোথাও কি দেখেছে? ভাইরাস এখন নিজেই কনফিউজড সে এই দেশে আরো কিছুদিন থাকবে নাকি নিজের ইজ্জত সম্মান নিয়ে পালাবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৫ঃ ভারতের বিভিন্ন জায়গা চেনার উপায়

Scenario 1 :
দুজন লোক মারপিট করছে, ৩য় ব্যক্তি এলো দেখলো চলে গেলো…
তাহলে এটা মুম্বই…

Scenario 2 :
দুজন লোক মারপিট করছে, ৩য় ব্যক্তি এলো, মারপিট থামাতে গেল । প্রথম দুজনে এক হয়ে ৩য় লোককে ধরে পিটিয়ে দিল…
এটা দিল্লী…

Scenario 3 :
দুজন লোক মারপিট করছে, ৩য় ব্যক্তি এলো, বললো আমার বাড়ির সামনে মারপিট ককরো না অন্য কোথায় যাও…
এটা ব্যাঙ্গালোর…

Scenario 4 :
দুজনে মারপিট করছিল, ৩য় ব্যক্তি এক কার্টুন বিয়ার নিয়ে এলো, তিনজনে একসাথে বসে পড়লো । খিস্তি খামারি করলো তিনজন মিলে। তারপর বন্ধুত্ব পাতিয়ে বাড়ি ফিরে গেল..
তাহলে আপনি নিশ্চন্তে গোয়াতে পৌঁছে গেছেন ।

Scenario 5:
দুজন লোক মারপিট করছিল, কিছুক্ষন বাদে দুজনেই মোবাইলে কথা বলতে লাগলো আর তারপরেই ৫০ জন লোক এসে মারপিটে যোগ দিল।
তাহলে আপনি পাঞ্জাবে আছেন…

Scenario 6 :
দুজন লোক মারপিট করছিল। ৩য় ব্যক্তি এসে বন্দুক বের করে দুজনকে গুলি করে দিল।
বিহার ছাড়া কোথাও হতেই পারে না…

Scenario 7 :
দুজন লোক মারপিট করছিল। ৩য় ব্যক্তি এসে কোনোকিছু না বুঝেই প্রথম লোকের সাথে মিলে ২য় লোককে ধরে পেটাতে লাগলো..
ঠিক ধরেছো (তামিলনাড়ু)

Last Scenario:
দুজন লোক মারপিট করছে। আশেপাশে প্রচুর লোক দেখছে… একজন লোক এলো। চায়ের একটা স্টল খুলে বসে পড়লো।
হেঃ হেঃ আপনি নিঁখুত ধরেছেন। এটা কলকাতা…

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৬ঃ সর্বনাশ

বাসায় ঢুকেই মৌমিতা হঠাৎ ছুট দিল। বেসিনের সামনে গিয়েই হড়হড় করে বমি করা শুরু করল। আমি তো বুঝতে পারছিলাম না কী ঘটছে! বমি তো বন্ধ হওয়ার কোনো নামগন্ধ নেই।
আন্টি ছুটে এলেন, ‘কিরে, তোর কী হয়েছে?’
মৌমিতা জবাব দেয় না, মাথা নিচু করে বেসিনের দিকে তাকিয়ে মাথায় পানি ঢালছে। আন্টি এবার জিগ্যেস করলেন, ‘সত্যি করে বল, তোর এই সর্বনাশ কে করেছে?’
ও কিছু না বলে আমার দিকে আঙুল দেখাল। আন্টি এসে আমার গালে কষে একটা চড় দিলেন, আমি তো হতভম্ব! এগুলো কী ঘটে চলছে আমার সঙ্গে?
—হারামজাদা! অসভ্য! তুই মৌমিতার ফ্রেন্ড হয়ে ওর এত বড় ক্ষতি করলি? আমি তোকে বিশ্বাস করতাম।
—আন্টি আপনি এসব কী বলছেন? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না…!
—বেয়াদব! আমার মেয়ের এত বড় সর্বনাশ করে আবার ন্যাকামো করছিস!
এবার মৌমিতা বলে উঠল, ‘মা, তুমি ওকে কী বলছ? আমিই তো ওকে বলেছিলাম!’
—কী বলেছিলি?
—ও তো না করেছিল, আমি জেদ করেছিলাম রাস্তার পাশের মামা হালিম খাব। সেইটা খেয়েই তো আমার এই অবস্থা!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৭ঃ অবলা গরু

কদিন হলো রাতের বেলা ভোলার খেতের ধান খেয়ে যাচ্ছে পাশের বাড়ির রহিম শেখের গরু। কিছু বললে শেখের এক উত্তর, অবলা গরু!
অবশেষে একদিন শোনা গেল, ভোলাও গরু কিনেছে। আর পরদিনই রাতের আঁধারে শেখের মাঠ পুরো সাফ করে দিল ভোলার গরু। শেখ এল ভোলার বাড়ি।
শেখ: ও ভোলা, ফসলের দাম দে।
ভোলা: অবলা গরু!
শেখ: বটে! গরু কেনার টাকা পেলি কই?
ভোলা: কেন? তোমার ফসল বেচে।
শেখ: তবে গরু খেল কী?
ভোলা: সেই টাকার খইল আর ভুসি।
শেখ: তাহলে আমার ফসল?
ভোলা: সে আর আমি কী জানি? জানে কেবল তোমার গরু আর আমার গরু। ছেড়ে দাও ওদের কথা। হাজার হোক অবলা!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৮ঃ নো মানে না

এক জীবনে আমাদের সবচেয়ে বেশি যে শব্দটির মুখোমুখি হতে হয় তা হচ্ছে—না। জীবনের প্রতিমুহূর্তে না না না, এ না-ময় আমাদের জীবন। তেমনই কিছু না, আসুন দেখে নিই।

মুঠোফোন কোম্পানির না
এই মুহূর্তে আপনার কাঙ্ক্ষিত নম্বরে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অনুগ্রহ করে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন।

রিকশাওয়ালার না
বলছি তো মামা যামু না। ভাড়া বাড়াইয়া দিলেও না।

স্ত্রীর না
তোমার সঙ্গে ঘর করা আর সম্ভব না। আমি ফেডআপ…

পলিটিশিয়ানের না
না না সব মিথ্যে। পত্রিকার কোনো খবর সঠিক না। অন্যায়ভাবে দোষ চাপানো হচ্ছে।

বিজ্ঞাপনের না
জেনেশুনে ভুল করবেন না। আমাদের পণ্য ছাড়া অন্য কিছু কিনে ঠকবেন না।

আম্পায়ারের না
(হাত ডানদিকে তুলে)
বল তো ভালোই করছিলি, কিছু করার নাই নো বল…

প্রেমিকার না
বলেছি না অপরিচিত নম্বর রিসিভ করবে না। আর কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা তো দূরের কথা তাকাবেও না।

শিক্ষকের না
তোমাকে এবার পাস করানো গেল না। আবার চেষ্টা করো…

মাছবিক্রেতার না
না স্যার ফরমালিন টরমালিন না। একদম তাজা মাছ…

দোকানির না
না ভাই দুঃখিত, এই দামে দিতে পারলাম না। দাম একটু বাড়াতে পারলে আওয়াজ দিয়েন।

আম্মুর না
না, কোনো বৃষ্টিতে ভেজাভেজি নয়। যাও রুমে যাও।

বন্ধুর না
না দোস্ত, এই মুহূর্তে টাকাপয়সা ধার দিতে পারুম না। নিজেই ক্রাইসিসে আছি।

অফিসের বসের না
দুঃখিত জাকারিয়া সাহেব, আপনার ছুটি মঞ্জুর করা গেল না। অফিস এখন হার্ড টাইমের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে।

বাংলা সিনেমার না
না, রাজু না। এ মেনে নেওয়া যায় না। আমি ছাড়া তুমি আর কারও না।

বিদায়ের না
না না চলে যেয়ো না। একা থাকতে পারব না।…

আব্বুর না
তোমাকে রোজ রোজ আমি টাকা দিতে পারব না। ক্রিকেট খেলতে বাইরে যাওয়া যাবে না। যাও পড়তে যাও।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৯ঃ না বুঝে হেসেছিলেন

আমার এক বড় ভাই যেকোনো বিষয়ে প্রচুর হাসাহাসি করেন। ওনার হাসি দেখে আমরাও খুব মজা পাই। একবার তাঁর এই বেশি হাসির কারণ জানতে চাইলাম। উনি যা বললেন, তা এ রকম—
‘শুধু আমি না, পৃথিবীর অনেক মানুষই প্রচুর হাসেন। যাঁরা প্রচুর হাসেন, তাঁরা মূলত তিন কারণে হাসেন। প্রথমবার হাসেন কোনো কিছু না বুঝে, দ্বিতীয়বার হাসেন বুঝে আর তৃতীয়বার হাসেন প্রথমবার যে না বুঝে হেসেছিলেন, এটা ভেবে।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১০ঃ পার্থক্য…ঢাশন

দশতলা থেকে পড়া আর একতলা থেকে পড়ার মধ্যে পার্থক্য কী?
দশতলা থেকে পড়লে আওয়াজ হয় আ আ আ আ আ আ আ আ আ আ আ আ ঢাশ!
একতলা থেকে পড়লে আওয়াজ হয় ঢাশ আ আ আ আ আ আআ!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১১ঃ সমুদ্রের মাছ কি কখনো ঘামে

মাঝেমধ্যে সমুদ্রে বেড়াতে যাই। তখন এই কৌতুকটা মনে পড়ে।
এক ব্যক্তি আরেকজনকে প্রশ্ন করছে।
আচ্ছা সমুদ্রের মাছ কি কখনো ঘামে?
—অবশ্যই ঘামে। না ঘামলে সমুদ্রের পানি লোনা হয় কী করে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১২ঃ বিদেশের মাটিতে পা রাখা

আমার করিম চাচা নিজেকে খুব পণ্ডিত মনে করেন। একবার আমার গিট্টু মামা লন্ডন যাবেন। চাচাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি তো বিদেশ যাচ্ছি। আপনার জন্য কী আনব বলেন?’
চাচা বললেন, ‘আমার জন্য কিছু মাটি নিয়ে আইসো।’
গিট্টু মামা তো অবাক। ‘কেন? মানুষ সাবান-শ্যাম্পু কত কী আনতে বলে। আর আপনি কি না বললেন মাটি! কী করবেন মাটি দিয়ে?’
করিম চাচা বললেন, ‘মাটির ওপর দাঁড়াব। তারপর মানুষজনকে বলব, “আমিও একবার বিদেশের মাটিতে পা রাখছিলাম।”’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৩ঃ একজনের কদম মিলছে না

তরুণ সৈনিক প্রথম ছুটি কাটাতে মা-বাবার কাছে এল। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে সে। মনোযোগের সঙ্গে দেখছে, চারটা মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে গল্প করতে করতে। মা-বাবা দৃশ্যটা দেখে ভাবলেন, ছেলে বড় হয়েছে৷ এ বয়সে মেয়েদের দিকে তাকাবে, সেটাই স্বাভাবিক।
মেয়েগুলো দৃষ্টির বাইরে চলে গেলে সৈনিক তার মা-বাবার দিকে ঘুরে বলল, চারজনের মধ্যে একজনের কদম মিলছে না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৪ঃ গন্ডারের সাতটা বাচ্চা

এক ভদ্রলোক তার ১০টা ছেলেমেয়ে নিয়ে চিড়িয়াখানায় গেছে বেড়াতে। বেড়াতে বেড়াতে এক কর্মকর্তার দেখা পেয়ে বলল, ‘আচ্ছা ভাই, খবর পেলাম এক গন্ডার নাকি সাতটা বাচ্চা দিয়েছে। সেই খাঁচাটা কোন দিকে?’
কর্মকর্তা ভদ্রলোকের ১০ ছেলেমেয়ের দিকে তাকিয়ে থেকে উত্তর দিল— ‘ভাই, আপনি কিছুক্ষণ এখানে দাঁড়ান। গন্ডারই আপনাকে দেখতে আসছে।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৫ঃ ভালো চুলা, ভালো রান্না

একবার এক আলোকচিত্রীকে অপদস্থ করতে একজন সমালোচক বললেন, ‘তুমি তো ভালোই ছবি তোলো হে। নিশ্চয়ই খুব ভালো ক্যামেরা ব্যবহার করো?’
আলোকচিত্রী হেসে বললেন, ‘শুনেছি, আপনার স্ত্রীর রান্না খুব ভালো। তিনি নিশ্চয়ই খুব ভালো চুলা ব্যবহার করেন!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৬ঃ ঘোড়া কুস্তিগীর আর একটা পিপড়া

হাবলু ভীষণ অলস। একদিন ঘটনাক্রমে সে একটা জাদুর প্রদীপ পেল। প্রদীপ ঘষতেই হাজির হলো দৈত্য। দৈত্য বলল, ‘আমি তোমার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব। ঝটপট বলো।’
হাবলু বলল, ‘আমি একটা পোষা ঘোড়া, একজন কুস্তিগীর আর একটা পিপড়া চাই।’
দৈত্য: ঘোড়া কেন?
হাবলু: বাইরে একে তো প্রচণ্ড রোদ, তার ওপর যানজট। আমি ঘোড়ার পিঠে চড়ে এক ছুটে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে চাই।
দৈত্য: কুস্তিগীর দিয়ে কী হবে?
হাবলু: কুস্তিগীর আমাকে ঘোড়ার পিঠে তুলে দেবে।
দৈত্য: তা তো বুঝলাম। কিন্তু পিঁপড়া কেন?
হাবলু: ঘোড়া কি কষ্ট করে আমি ছোটাব নাকি? পিঁপড়া কামড় দেবে আর ঘোড়া ছুটবে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৭ঃ সাইপ্রাইজ

কিছু লোক আপনাকে বলবে, “আমাদেরকে মারতে পারবে না, তাই আমাদের সাথে যোগ দাও।”
আমি বলব, “আপনি যদি তাদেরকে মারতে না পারেন, তাহলে মার শুরু করেন।” কারণ, তারা মনে মনে আশা করবে যে আপনি তাদের দলে যোগ দিবেন, সুতরাং তাদের জন্য একটা সাইপ্রাইজ হয়ে যাক।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৮ঃ শবে-কদরের জোকস

জোকস ১:
আন্দালিবের আম্মা এক শব-ই-কদরের রাতে প্রার্থনা করে পুত্রসন্তান চেয়েছিলেন, আন্দালিবের বাবাও একইরাতে চেয়েছিলেন কন্যাসন্তান। এই রাতে আল্লাহ কাউকে একেবারে নিরাশ করেন না। তাই বাবা-মা দুজনকে খুশি করে হিজরা/তৃতীয় লিঙ্গ আন্দালিব রহমান পার্থকে উপহার দিয়েছেন।

জোকস ২:
সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন মসজিদে শুনেছেন এই রাতে হাজার রাতের প্রার্থনার সমান সওয়াব পাওয়া যায়। তিনি ভাবলেন আমি প্রার্থনা করে একটা পদ্মা সেতু চাই, তাহলে একটার পরিবর্তে এক হাজার পদ্মা সেতু তৈরী হয়ে যাবে। প্রার্থনা কবুল ঠিকই হয়েছে, কিন্তু দেখা গিয়েছে এক হাজার পদ্মা সেতুর পাশাপাশি এক হাজার পদ্মা নদীও তৈরী হয়েছে এইটুক বাংলাদেশে!!! মাটি বলতে আর কিছু নেই! আবুল হইলে যা হয় আর কি! লোকটার মন-মানসিকতা খারাপ ছিলোনা কিন্তু একটু আবুল।

জোকস ৩:
ইনুছ সাব এক শব-ই-কদরে চিন্তা করেছিলেন এই রাতে পূন্য করলে হাজার গুন সওয়াব পাওয়া যায় কিন্তু পাপ করলে তো আর হাজার গুন শাস্তি হবেনা। তাই তিনি প্রার্থনা করলেন তার ব্যঙ্কের গ্রাহক যেন দ্বিগুন হয়ে যায়। অথচ গ্রাহক বেড়ে গেলো হাজার গুন। এরপর থেকে ইনুছ সাব যে পরিমান সুদ খান তার এক হাজার ভাগের এক ভাগ পাপ হয়, বাকিটা হিসেব হয়না। কারন তার তো কোন দোষ নাই। সুদ খেতে চেয়েছিলেন দ্বিগুণের কাছ থেকে, আল্লাহ হাজার গুন বেশি দিয়েছে কেন!!!

জোকস ৪:
এরশাদ চাচা প্রার্থনা করে একটা কচি মেয়ের সান্নিধ্য চেয়েছেন। কিন্তু এ রাতে সব কিছুই যে বেশি বেশি পাওয়া যায় সেটা খেয়াল নেই। মেয়ে এমন কচি যে সারারাত ডায়াপার চেইঞ্জ করে আর ফিডার খাওয়ানোতেই চাচার ব্যস্ত থাকা লাগছে।

জোকস ৫:
সাইদী জেলখানায় বসে প্রার্থনা করছে তার কলিজুকে যেন এক রাতের জন্য জেলখানায় এনে দেয়া হয়। ওদিকে সাইদির কলিজু প্রার্থনা করছে সাইদিকে এক রাতের জন্য জেলখানা থেকে যেন তার বাসায় নিয়ে আসা হয়, নিজ হাতে সাইদিকে খাওয়াবেন! আল্লাহ এ রাতে কাউকেই নিরাশ করেন না। তাই সাইদির সে রাত কেটেছে কলিজুর বাসায় আর কলিজু রাত কাটিয়েছে জেলখানায়!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৯ঃ গর্ভবতী চায়নীজ

বিশ্বে চায়নীজদের সংখ্যা প্রায় এক বিলিয়নের বেশি। অথচ কেউ কি কখনো গর্ভবতী চায়নীয় দেখেখেন?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২০ঃ প্রথম গাড়ি প্রথম প্রার্থনা

এক লোক তার বন্ধুদের সাথে তার জীবনের প্রথম গাড়িটি সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগ প্রবণ হয়ে পড়ল–আহ, জীবনের প্রথম গাড়ি… এই গাড়িতেই জীবনে প্রথম গাড়ি চালানো শিখেছিলাম, এই গাড়িতেই জীবনের প্রথম সেক্স হয়েছিল, এই গাড়িতেই জীবনে প্রথমবারের মত কনডম ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল, এই গাড়িতেই জীবনে প্রথম বারের মত সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করেছিলাম…

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২১ঃ আত্মহত্যার সহজ উপায়

একটি লোক পাবলিক লাইব্রেরিতে গিয়ে লাইব্রেরিয়ানকে জিজ্ঞেস করল, ‘আত্মহত্যার সহজ উপায়’ নামক বইটি আছে?
লাইব্রেরিয়ান বলল, অবশ্যই আছে।
– বইটি আমি ধার নিতে চাই।
– বইটি আপনাকে ধার দেয়া হবে না।
– কেন?
– ধার দিলে আপনি বইটি ফেরত দিবেন না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২২ঃ একগাদা জোকস

টেনিস খেলায় সবচেয়ে হতাশাজনক ব্যাপার হলো, আমি যতই ভালো খেলি না কেন, কখনোই একটা দেয়ালের চেয়ে ভালো খেলতে পারব না!

আমি ১০ দিন ধরে ঘুমাইনি। কারণ, ১০ দিন ধরে ঘুমানো আমার পক্ষে সম্ভব নয়!

আমি পিকেটিংয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে চাই। কিন্তু আন্দোলনটা পিকেটিং না করে কীভাবে করব, বুঝে উঠতে পারছি না।

ওগো শুনছ, আমি ‘তোমার অনুপস্থিতি’ ব্যাপারটা মিস করছি!

আমার কোনো গার্লফ্রেন্ড নেই।
আমি শুধু এমন একটা মেয়েকে চিনি, যে ওপরের লাইনটা দেখলে রেগে আগুন হয়ে যাবে!


যদি বিড়ালের লেজটাকে আমি একটা পা মনে করি, তাহলে একটি বিড়ালের কয়টা পা থাকে? চারটা। কারণ, লেজ কখনোই পা হতে পারে না।


একজন আমাকে তাঁর একটি ছবি দেখিয়ে বলল, ‘এটা কিন্তু আমার এখনকার চেহারা নয়। ছবিটা আগে তোলা।’ আমি বললাম, ‘তুমি যে ছবিই দেখাও না কেন, অতি অবশ্যই সেটা “আগে তোলা”ই হবে!

আমি গিয়েছিলাম একটা সিডির দোকানে। দোকানদার বলল, তাদের ‘খুঁজে পাওয়া কঠিন, এমন সিডি রাখার’ ব্যাপারে খ্যাতি আছে। কারণ, যে সিডিই চাই না কেন, তারা সেটা খুঁজে পায় না!


আমার একটা তোতাপাখি ছিল, যে কথা বলতে পারে। কিন্তু সে কখনোই আমাকে বলেনি, সে ক্ষুধার্ত। বেচারা মারা গেছে!


প্রতিদিন তাস না খেললে আমার চলেই না। তাই বলে ভেব না, আমি জুয়ায় আসক্ত। আমার আসক্তি আসলে কয়েকজন গোল হয়ে বসে থাকায়!


আমার বেল্ট আমার প্যান্টটাকে ধরে রাখে। বেল্টের হুক ধরে রাখে বেল্টটাকে। বুঝতে পারছি না, কৃতিত্বটা কাকে দেব!


স্পাইডারম্যান যদি সত্যি হতো, আমি যদি একজন অপরাধী হতাম, আর সে যদি আমাকে জালে জড়িয়ে ফেলত; বলতাম, ‘মশারিটা উপহার দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ বন্ধু!’


তুমি সব সময় কিছু মানুষকে বোকা বানাতে পারবে, কিছু সময় সব মানুষকে বোকা বানাতে পারবে। কিন্তু সব সময় সব মানুষকে বোকা বানাতে পারবে না।


শিশুকাল অনেকটা ‘মাতাল অবস্থায়’ থাকার মতো। সে সময় তুমি কী কী করেছিলে, সেটা সবারই মনে থাকে, তুমি ছাড়া!


পরিবারের সঙ্গে কাটানোর জন্য ভোরবেলা খুবই উপযোগী সময়। তবে একটু পরই সবাই ঘুম থেকে উঠে যায়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৩ঃ সেবায় বান্দা হাজির

শিয়াল যাচ্ছিল বনের রাস্তা দিয়ে। হঠাৎ দেখল, রাস্তার মাঝখানে এক বাঘ বসে আছে। শিয়াল বলল, ‘হুজুর, রাস্তার ওপর বসে আছেন যে? কোনো তকলিফ? থাকলে বলুন, আপনার সেবায় বান্দা হাজির।’
বাঘ বলল, ‘আর বোলো না শেয়াল, এক শিকারি পায়ে গুলি করেছে। হাঁটতেই পারছি না।’
শিয়াল: তো ব্যাটা নবাবের মতো রাস্তার মাঝখানে বইসা আছিস ক্যান? রাস্তা ছাড়!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৪ঃ পালক ছেঁটে দেবে

এক মোরগ আর হাঁসকে তাদের অপরাধের সাজাস্বরূপ জেলখানায় পাঠানো হলো। জেলাখানায় মন খারাপ করে মোরগ হাঁসকে জিজ্ঞেস করল, হাঁস ভাই, ওরা কি আমাদের পালক ছেঁটে দেবে?
হাঁস: আমি তো জানি না। তুমি বরং ওই কোনায় বসে থাকা ইঁদুর ভায়াকে জিজ্ঞেস করো?
মোরগ: ইঁদুর ভায়া, ওরা কি আমাদের পালক ছেঁটে দেবে?
উত্তর এল, আমি ইঁদুর না, শজারু!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৫ঃ জীবজন্তুর জবর জগৎ

 —গরিলার নাকের ফুটো বড় কেন?
—কারণ তার আঙুল মোটা মোটা।

 এক হাঙর পানির নিচ থেকে এক সার্ফারকে দেখে ভাবছে:
—একদম প্রস্তুত খাবার এবং ট্রেতে সার্ভ করা।

 হাঁস এমন এক প্রাণী, যার হাঁটা দেখলে মনে হয় সে সারাটা দিন ঘোড়ার পিঠে চেপে ভ্রমণ করেছে।

 এক কাক এক টুকরা পনির খুঁজে পেল ঝোপের ভেতরে। সেটা মুখে নিয়ে উড়তে যাওয়ার আগেই খেঁকশিয়াল পেছন থেকে এসে ছিনিয়ে নিল পনিরের টুকরা। হতভম্ব কাক ভাবল:
—ইশপের গল্পটা এত সংক্ষিপ্ত করল কে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৬ঃ ক্যাফেইন

সামিয়া: কিরে, তোর মেয়ের নাম কী রেখেছিস?
রাইসা: ক্যাফেইন।
সামিয়া: সে কী! এত সুন্দর সুন্দর নাম থাকতে এমন খটমটে একটা নাম রাখলি?
রাইসা: হুঁ। কারণ, ও আমাকে একটা রাতও ঘুমাতে দেয় না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৭ঃ গোপন রাখেন

প্রচণ্ড দুর্যোগের সময় এক নাবিক জাহাজের সর্দারের জীবন বাঁচাল।
সর্দার: ওহে, তুমি আমার জীবন বাঁচিয়েছ। বলো, কীভাবে তোমাকে আমি পুরস্কৃত করতে পারি?
নাবিক: সর্দার, সবচেয়ে ভালো হয়, আপনি যদি ব্যাপারটি গোপন রাখেন।
সর্দার: কেন?
নাবিক: কারণ, আমি আপনার জান বাঁচিয়েছি, তা জানতে পারলে অন্য নাবিকেরা আমার জান নিয়ে নেবে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৮ঃ প্রতিবেশীদের সঙ্গে মামলা

পিন্টুর বাড়িতে এক বন্ধু এসেছেন বেড়াতে।
পিন্টু: জানিস, আমার ছেলেটা কিন্তু চমৎকার গাইতে পারে। কইগো খোকা, চাচুকে একটা গান শোনাও।
খোকা গান শোনাল।
পিন্টু: দেখেছিস, কী চমৎকার গায়! ওকে গান শেখাতে গিয়ে আমার কত টাকা খরচ হয়েছে জানিস?
বন্ধু: কেন? প্রতিবেশীদের সঙ্গে মামলা লড়তে হয়েছে বুঝি?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৯ঃ ভুলে যাওয়ার রোগ

এক বৃদ্ধা খুবই ভুলোমনা। একজন ডাক্তারের পরামর্শে বেশ কিছু ওষুধ খাওয়ার পর কিছুটা উন্নতি হলো তাঁর। একদিন সকালে কাজের মেয়েটাকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটতে বেরোলেন তিনি। পথে দেখা হলো এক প্রতিবেশীর সঙ্গে।
প্রতিবেশী: শুনলাম আপনার ভুলে যাওয়ার রোগ কিছুটা সেরেছে।
বৃদ্ধা: হ্যাঁ, এখন একটু চেষ্টা করলেই মনে করতে পারি।
প্রতিবেশী: তাই নাকি? তা যে ডাক্তার দেখালেন, ডাক্তারের নাম কী?
বৃদ্ধা মাথা চুলকালেন। বিড়বিড় করে বললেন, একটা ফল, লেবুর মতো… কী যেন নাম?
প্রতিবেশী: কমলা?
বৃদ্ধা: হ্যাঁ হ্যাঁ! মনে পড়েছে!
এবার কাজের মেয়েটার দিকে ফিরে বললেন বৃদ্ধা, হ্যাঁ রে কমলা, ডাক্তার বাবুর নাম যেন কী?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩০ঃ মজা করে বলতে পারেনি

জেলখানায় নতুন এসেছে এক কয়েদি। অন্য কয়েদিদের সঙ্গে রাতে খেতে বসল সে।
হঠাৎ কয়েদিদের মধ্যে একজন বলে উঠল, ‘৩১’। আর অন্যরা হো হো করে হেসে উঠল। আরেকজন বলল, ‘৫২’। শুনেই সবাই হেসে গড়াগড়ি খেতে লাগল।
এদিকে নতুন কয়েদি ঘটনা কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না। পাশের পুরোনো এক কয়েদিকে জিজ্ঞেস করল, ‘হচ্ছেটা কী, বলুন তো?’
পুরোনো কয়েদি: আমরা তো এখানে আছি অনেক দিন হলো। একই কৌতুক বারবার শুনতে শুনতে আমাদের মুখস্থ হয়ে গেছে। এখন আর আমরা পুরো কৌতুক বলি না। কৌতুকের নম্বরটা বলি, বাকিরা বুঝে নেয়।
এমন সময় ঘরের কোণ থেকে এক কয়েদি বলে উঠল, ‘২৯’। কিন্তু এবার কেউই হাসল না।
নতুন কয়েদি: কী ব্যাপার, কেউ হাসছে না কেন?
পুরোনো কয়েদি: দূর, ব্যাটা কৌতুকটা একেবারেই মজা করে বলতে পারেনি!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩১ঃ বয়স

নেচে-গেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে নতুন বছরের আগমন উদ্যাপন করছিল মারুফ। হঠাৎ দেখল, এক বুড়োও তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচছে।
মারুফ: আরে চাচা, আপনি তো দেখছি এ বয়সেও বেশ সুস্থ আছেন। কীভাবে এমন থাকলেন?
বুড়ো: আর বোলো না, জীবনে কখনো ব্যায়াম করিনি। নেশাদ্রব্য তো খাই নিয়মিতই। অসুখ হলে ডাক্তারও দেখাই না। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াই…
মারুফ: বলেন কী? আপনার বয়স কত?
বুড়ো: ৩০।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩২ঃ দৌড় দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ

পাকিস্তানি সেনাদের প্রশিক্ষণ চলছিল। এক সদস্য প্রশিক্ষককে প্রশ্ন করলেন, ‘স্যার, আমরা আজ রাইফেল চালানো বাদ দিয়ে দৌড়ানো কেন শিখছি?’
প্রশিক্ষক বললেন, ‘কারণ, গত কয়েক দিনে তোমাদের রাইফেল চালনা দেখে মনে হয়েছে, দৌড় দেওয়া শেখাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৩ঃ সাইকেল চালানো

পাকিস্তানি সেনাদের শারীরিক কসরত চলছিল। প্রশিক্ষক চিৎকার করে বললেন, ‘গার্ডস! আকাশের দিকে মুখ করে শুয়ে পড়ো! দুই পা ওপরে তোলো!’
সেনারা চটজলদি তা-ই করলেন। প্রশিক্ষক আবার বললেন, ‘এখন, সাইকেল চালাও!’
সেনারা সবাই অদৃশ্য সাইকেলের প্যাডল ঘোরাতে লাগলেন। কিছুক্ষণ করার পর এক সেনাসদস্য হঠাৎ পা স্থির করলেন। প্রশিক্ষক ধমকের সুরে বললেন, ‘হেই! তুমি ঘোরাচ্ছ না কেন?’ সেনাসদস্য বললেন, ‘অনেকক্ষণ প্যাডল ঘুরিয়েছি, স্যার। এখন সাইকেলটা নিজ থেকেই চলছে!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৪ঃ মিথ্যা কথা

দুই পাকিস্তানি কমান্ডার কথা বলছেন।
প্রথম কমান্ডার: আমার সেনারা খুবই অনুগত। আমাকে ভীষণ মানে। হুকুম পেলেই মুক্তিবাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
দ্বিতীয় কমান্ডার: কিন্তু আমারগুলো তো কথাই শোনে না। মুক্তিবাহিনী দেখলেই থরথর করে কাঁপতে থাকে। কবে যে আমি তোমার মতো করে বলতে পারব…।
প্রথম কমান্ডার: অবশ্যই পারবে।
দ্বিতীয় কমান্ডার: কীভাবে?
প্রথম কমান্ডার: আমার মতো মিথ্যা কথা বলা শেখো!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৫ঃ দরজার নিচ দিয়ে

পাকিস্তানি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে মুক্তিবাহিনী। দরজা বন্ধ করে ঠকঠক করে কাঁপছিলেন কমান্ডার।
বাইরে থেকে এক পাকিস্তানি সেনা বলল, ‘স্যার! দরজা খোলেন! আমাদের একজন সেনা ট্যাংকের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছে!’
কমান্ডার: দরজা খোলা যাবে না। ওকে দরজার নিচ দিয়ে ঠেলে দাও!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৬ঃ গোবর পোড়া গন্ধ

কমান্ডার: উফ্! মুক্তিবাহিনীর বিচ্ছুগুলো আমাদের ঘোল খাইয়ে ছাড়ল। রাগে মাথায় আগুন ধরে যাচ্ছে।

পাকিস্তানি সেনা: তাই তো বলি স্যার, গোবর পোড়া গন্ধ আসে কোথা থেকে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৭ঃ সিনিয়র অফিসার

করিম গেছেন তোতাপাখি কিনতে। দোকানদার তিনটা তোতা দেখালেন।
দোকানদার: প্রথম পাখিটার দাম ১০ হাজার টাকা। এটা বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
করিম: বাহ্! দ্বিতীয়টার দাম?
দোকানদার: এটার দাম ২০ হাজার টাকা। এটা শুধু তথ্যই সংরক্ষণ করে না, হিসাবও রাখতে পারে।
করিম: দারুণ! আর তৃতীয়টা? এটার দাম নিশ্চয়ই আরও বেশি?
দোকানদার: হু, এর দাম ৪০ হাজার টাকা। তবে বিশ্বাস করুন, আজ পর্যন্ত আমি এটাকে কিছু করতে দেখিনি। বাকি দুটো একে ‘সিনিয়র অফিসার’ বলে ডাকে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৮ঃ আক্রমণ

প্রধান ফটকে লেখা আছে, তোতা হইতে সাবধান।
এক অতিথি উঁকি দিয়ে দেখলেন, ভেতরে একটা নিরীহ গোছের ছোট্ট তোতাপাখি বসে আছে।
অতিথি বিড়বিড় করে বললেন, ‘ফাজলামোর আর জায়গা পায় না।’ সতর্কবাণীর তোয়াক্কা না করে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াল তোতা। কর্কশ গলায় বলল, ‘জনি, টমি, ভুলু! আক্রমণ!’ বাড়ির কোণ থেকে তিনটা বিকট দর্শন কুকুর ছুটে এল!

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৯ঃ পাল্টা দর

জামাল সাহেব নিলামে একটা তোতা কিনবেন। নিলাম শুরু হলো। জামাল দাম হাঁকালেন, ‘১০ হাজার টাকা।’
ভিড়ের মধ্যে চিকন গলায় কে যেন বলল, ‘৫০ হাজার টাকা।’ জামাল সাহেবের মেজাজ বিগড়ে গেল। ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার? কোন বড়লোকের ব্যাটা তোতাটা নিতে পারে, তিনি দেখে ছাড়বেন। জামাল বললেন, ‘এক লাখ টাকা।’ চিকন গলা আবার বলল, ‘দুই লাখ।’ জামাল এবার খেপেই গেলেন। বললেন, ‘পাঁচ লাখ।’ কান পাতলেন, নাহ্, এবার আর কেউ পাল্টা দাম হাঁকাল না।
তোতাটা হাতে নিয়ে জামাল নিলামের সঞ্চালককে বললেন, ‘এটা কথা বলতে পারে তো? নইলে এত দাম দিয়ে কিনলাম কেন?’
নিলাম সঞ্চালক বললেন, ‘কথা বলতে পারে না মানে? আপনার কী মনে হয়? এতক্ষণ কে আপনার সঙ্গে পাল্টা দর হাঁকাচ্ছিল!’

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪০ঃ নৌকাটা কোথায়

জাহাজে জাদু দেখাত বিলি। সে জাহাজেই ছিল এক দুষ্টু তোতা। বিলির সব জাদুর কৌশলই সে ধরে ফেলত। বিলি জাদু দেখাতে গেলেই তোতাটা পেছন থেকে চিৎকার করে বলত, ‘তার শার্টের হাতায় আরেকটা কার্ড রয়েছে… আরে ওই তো, কানের পেছনে কয়েনটা লুকিয়ে ফেলল!’ এভাবে বিলির জাদুর কৌশলগুলো ফাঁস হয়ে যেত। তোতাটাকে তাই দুই চোখে দেখতে পারত না বিলি।
একদিন প্রচণ্ড ঝড় উঠল। জাহাজ গেল ডুবে। বিলি ভেসে রইল একটা কাঠের টুকরা ধরে। কাঠের টুকরাটার ওপর এসে বসল তোতাটা। যেহেতু, দুজনের আগে থেকেই দা-কুমড়া সম্পর্ক। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলে না।
এভাবে দুই দিন পেরিয়ে গেল। অবশেষে মুখ খুলল তোতা, ‘ঠিক আছে, হার মানছি। নৌকাটা কোথায় রেখেছ?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪১ঃ শক্তিবর্ধক মাদক

একটু পরই শুরু হবে ঘোড়দৌড়! এমন সময় দেখা গেল এক জকি তাঁর ঘোড়াকে কী যেন খাওয়াচ্ছেন। দেখেই এক নিরাপত্তাকর্মী ছুটে এলেন। রাগতস্বরে বললেন, ‘হেই! আপনি আপনার ঘোড়াকে কোনো শক্তিবর্ধক মাদক খাওয়াচ্ছেন না তো?’
জকি বললেন, ‘না, না! এটা একটা চকলেট। নিন নিন, আপনিও খান। এই দেখুন, আমিও খাচ্ছি। এটা একটা সাধারণ চকলেট ছাড়া কিছুই না।’ নিরাপত্তারক্ষী জকির দেওয়া চকলেটসদৃশ বস্তুটা মুখে দিলেন। বললেন, ‘হু, চকলেটই তো মনে হচ্ছে। ঠিক আছে।’
নিরাপত্তারক্ষী চলে গেলেন। জকি এবার ফিসফিস করে তাঁর ঘোড়ার কানে কানে বললেন, ‘এখন দৌড়ে তোকে কেউ হারাতে পারবে না। শুধু আমি আর ওই নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪২ঃ চোখে দেখে না

ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চায় রবিন। কিন্তু তার নিজের কোনো ঘোড়া নেই। অতএব, সে এক খামারমালিকের কাছ থেকে তাঁর ঘোড়াটা ধার করল। ঘোড়ার মালিক বললেন, ‘আমার ঘোড়াটা খুবই ভালো দৌড়ায়। কিন্তু লাফ দেওয়ার আগে ওকে একটা সংকেত দিতে হয়। আপনি যখন বলবেন হুরররর্, তখনই সে লাফ দেবে।’
কথামতোই কাজ করল রবিন। ঘোড়দৌড়ের মাঠে যখনই বেড়ার ওপর দিয়ে লাফ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে, রবিন বলে ‘হুরররর্’। আর ঘোড়াটা লাফ দিয়ে বেড়া ডিঙিয়ে যায়। এমন করে দুটো বেড়া পার হওয়া গেল। পরেরবার রবিন ‘হুরররর্’ বলল ঠিকই, কিন্তু ঘোড়া তো আর লাফায় না! বেড়া ভেঙেচুরে একেবারে কুপোকাত!
রেগেমেগে ঘোড়ার মালিকের কাছে গেল রবিন। বলল, ‘ধুর মিয়া, আপনার ঘোড়াটা কানে কম শোনে। আমি চিৎকার করে বললাম, হুরররর্, ব্যাটা শুনলই না!’
ঘোড়ার মালিক বললেন, ‘সে কি, না তো! ওর কানে কোনো সমস্যাই নেই! শুধু বেচারা চোখে দেখে না!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৩ঃ ঘোড়াটা গাড়ি সম্পর্কে কিছুই জানে না

মোসলেম সাহেবের গাড়িটা বিগড়ে গেল একটা মাঠের পাশে। কিছুতেই ঠিক করা যাচ্ছে না। এমন সময় কোথা থেকে এক ঘোড়া এসে হাজির। ঘোড়াটা বলল, ‘আমার ধারণা, আপনার গাড়ির কার্বুরেটরে সমস্যা আছে।’
সে কি! ঘোড়া কথা বলে! ভূত-টুত না তো? মোসলেম সাহেব ‘মা গো, বাবা গো’ বলে ঝেড়ে দৌড় লাগালেন!
ছুটতে ছুটতে দেখা হলো এক কৃষকের সঙ্গে। কৃষক বললেন, ‘কী হলো সাহেব, অমন উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটছেন কেন?’
মোসলেম বললেন, ‘আর বলবেন না, আমার গাড়িটা মাঠের পাশে নষ্ট হয়ে গেল। এমন সময় কোথা থেকে এক ঘোড়া এসে বলে, “মনে হয় আপনার কার্বুরেটরে সমস্যা আছে!” কী ভয়ানক ব্যাপার!’
কৃষক বললেন, ‘ঘোড়াটা কি লাল? গলার কাছে সাদা সাদা ফুটকি আছে?’
মোসলেম বললেন, ‘আজ্ঞে হ্যাঁ। আপনি কী করে জানলেন?’
কৃষক: ‘আরে ওটা তো আমার ঘোড়া! আপনি নিশ্চয়ই ভুল শুনেছেন।’
মোসলেম: ভুল শুনিনি। বিশ্বাস করুন!
কৃষক: অসম্ভব। আমার ঘোড়াটা তো গাড়ি সম্পর্কে কিছুই জানে না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৪ঃ যদি জানতে পারে

এক গাড়িচালকের গাড়িটা রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। বহু চেষ্টায়ও খাদ থেকে তোলা যাচ্ছে না। এই অবস্থা দেখে এগিয়ে এলেন এক চাষি। বললেন, ‘চিন্তা করবেন না। আমার ঘোড়াটা আপনার গাড়ি তুলে দেবে।’
ঘোড়ার রশিটা বাঁধা হলো গাড়ির সঙ্গে। ঘোড়াটা টানতে শুরু করল।
চাষি বললেন, ‘টান জনি টান, আরও জোরে টান।’
খানিক বাদেই বললেন, ‘টান রুস্তম টান, আরও জোরে টান।’
চাষি আবার বললেন, ‘রাঙ্গা, আরও জোরে টান দে!’
খুবই অবাক হলেন গাড়িচালক। বললেন, ‘আপনি আপনার ঘোড়াটাকে একেকবার একেক নামে ডাকছেন কেন?’
ফিসফিস করে বললেন চাষি, ‘আমার ঘোড়াটা আসলে চোখে কম দেখে। ও যদি জানতে পারে ও একাই গাড়ি টানছে, তা হলে ব্যাটা চেষ্টাই করবে না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৫ঃ ভূতের “ওটায়” বিশ্বাস

একটা ভূত এক পার্কে গিয়ে সুন্দর দেখে একটা মেয়েকে বলল, এই শোনো তুমি তোমার বয়ফ্রেণ্ডকে ছেড়ে দিয়ে আমার সাথে প্রেম করো।
– ওমা তাই কী হয় নাকি, তুমি তো ভূত, তুমি আমায় আদর করবে কী দিয়ে?
– কেন, ভূতে বিশ্বাস করতে পারো আর ওটায় বিশ্বাস করতে পারো না?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৬ঃমেয়েদের বাথরুমে সার্ভে

গদা: বুঝলি পদা, আমি বাড়ি বাড়ি গিয়ে একটা সার্ভে করছি।
পদা: কী সার্ভে?
গদা: মেয়েরা কোন শ্যাম্পু সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে, সেটার সার্ভে?
পদা: তারপর?
গদা: একশ জনের মধ্যে নিরানব্বই জন একই উত্তর দিছে?
পদা:কী উত্তর?
গদা:হারামজাদা, বাথরুম থেকে বের হ!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৭ঃ লি কায় ওয়াং কি গুয়ান

চীনা ভাষা জানে, এমন একজনকে খুঁজে বের করলেন নাজমুদ্দিন সাহেব। বললেন, আমাকে সাহায্য করুন। অনেক কষ্টে আপনাকে খুঁজে পেয়েছি।
লোকটা বললেন, আমাকে কেন খুঁজছিলেন, বলুন তো?
নাজমুদ্দিন: আমার এক চীনা বন্ধু ছিল, নাম তার চিং হোয়াই। ওর আর আমার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব হলেও আমি চীনা ভাষা জানি না। চিং হোয়াইও চীনা ভাষা ছাড়া আর কোনো ভাষা জানে না। কয়েক মাস আগে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল চিং। ওর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে দেখি, বেচারার করুণ হাল। নাকে-মুখে অক্সিজেনের নল লাগানো। আমাকে কাছে পেয়েই ও কাতর হয়ে উঠল, বলল, ‘লি কায় ওয়াং কি গুয়ান’, বলতে বলতেই বেচারা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করল। এদিকে আমি তো চীনা ভাষা জানি না। বন্ধুর শেষ কথার অর্থ উদ্ধার করতে আমি দিনের পর দিন ঘুরে বেড়িয়েছি। এখন আপনিই আমাকে এই মনঃকষ্ট থেকে উদ্ধার করতে পারেন। বলুন, এর অর্থ কী?
কিছুক্ষণ ভেবে নিয়ে বললেন চীনা ভাষা অনুবাদকারী, এর অর্থ হলো, ‘অক্সিজেনের নলটার ওপর থেকে সরে দাঁড়াও!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৮ঃ ডাউনলোড হতে নয় মাস

ছোট্ট অন্তরা আর ঝুমি, দুই বান্ধবী বসে গল্প করছে।
অন্তরা: বুঝলি, ঠিক করেছি, বড় হয়ে আমি কখনো বাচ্চাকাচ্চার আম্মু হব না।
ঝুমি: কেন?
অন্তরা: শুনেছি বাচ্চাকাচ্চা ডাউনলোড হতে নয় মাস সময় লাগে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৯ঃ পালটা আক্রমন

এক কৃষকের ছিল তরমুজের খেত। খেতে অনেক তরমুজের ফলন হতো। কিন্তু রাত হলেই কিছু দুষ্টু ছেলেপুলে এসে ওই কৃষকের তরমুজ খেয়ে যেত। একদিন কৃষক একটা বুদ্ধি আঁটলেন। তরমুজের খেতে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিলেন।
রাতের বেলা ছেলেরা তরমুজ চুরি করতে এসে দেখে, তরমুজের খেতে সাইনবোর্ড লাগানো। তাতে লেখা আছে, ‘সাবধান! এই খেতের একটি তরমুজে বিষ মেশানো আছে!’
পরদিন কৃষক দেখলেন, তাঁর সব তরমুজই অক্ষত। খুশিমনে বাড়ি যাওয়ার পথ ধরবেন, হঠাৎ লক্ষ করলেন, খেতে আরও একটা সাইনবোর্ড লাগানো। তাতে লেখা, ‘সাবধান! এখন দুইটা তরমুজে বিষ মেশানো আছে!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫০ঃ দুঃখের সিনেমা

দুই গরুর মধ্যে কথা হচ্ছে।
১ম গরু: জানিস, সেদিন ঘাস খেতে খেতে ভুল করে একটা সিনেমার টিকিট খেয়ে ফেলেছিলাম। একটু পর দেখি চোখ দিয়ে পানি পড়ছে।
২য় গরু: কেন?
১ম গরু: সিনেমাটা বোধহয় খুব দুঃখের ছিল!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫১ঃ আরেকটা বোমা আছে

দুই সৈনিক গেছে এক গোপন অভিযানে! অভিযানের একপর্যায়ে তাদের একটা গাড়িতে বোমা লাগানোর প্রয়োজন হলো।
১ম সৈনিক: দোস্ত, আমার ভয় করছে! বোমা লাগানোর সময় বোমাটা যদি ফেটে যায়?
২য় সৈনিক: ভয় নেই, আমার কাছে আরেকটা বোমা আছে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫২ঃ ছোটকালের কঙ্কাল

মন্টু একটি জাদুঘরে দর্শনার্থীদের গাইডের চাকরি পেয়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো, দর্শনার্থীদের সবকিছু চিনিয়ে দেবে কী, বেচারা নিজেই অনেক কিছু চেনে না!
একবার বিদেশি কিছু দর্শনার্থী এল। দর্শনার্থীদের জাদুঘর ঘুরে দেখাতে দেখাতে মন্টু একসময় হাজির হলো একটি কঙ্কালের সামনে। হাসিমুখে মন্টু বলল, ‘এই যে কঙ্কালটা দেখছেন, এটা সম্রাট অরহরের! জিঞ্জিরাবাজার যুদ্ধে তিনি শহীদ হন!’ এক দর্শনার্থী পায়ে পায়ে গিয়ে দাঁড়ালেন অন্য একটা ছোট কঙ্কালের সামনে। মন্টুকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটা কার কঙ্কাল?’
মন্টু বলল, ‘এটাও সম্রাট অরহরের কঙ্কাল। তবে এ সময় তিনি ছোট ছিলেন!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৩ঃ বোকা আসলে মুরগি

শিয়াল অতটা চতুর নয়, যতটা আমরা ভাবি। বোকা আসলে মুরগি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৪ঃ দুই কুমিরের গল্প – আলেক্সান্দর প্রজোরভ

দুই কুমির, বৃদ্ধ ও তরুণ, শুয়ে আছে বালির ওপর।
বৃদ্ধ কুমির নিশ্চুপ শুয়ে রৌদ্রস্নান করছে পুরোনো হাড়গুলোয় লুকিয়ে থাকা বাতরোগ দূর করার চেষ্টায়। তরুণ কুমির কথা বলছে অনর্গল।
‘বুঝতে পারছি না, কেন যে আমার পুরো শরীরের চামড়া চুলকোচ্ছে কদিন ধরেই! এর মানে কী?’
বৃদ্ধ কুমির অলসভাবে হাই তুলে বলল, ‘অর্থযোগের সম্ভাবনা।’
‘তাই নাকি! দারুণ তো!’ বলতে বলতে প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর তরুণ কুমিরটা ঝোপঝাড়ের ভেতরে ঢুকে পড়ল।
অচিরেই দুরন্ত এই তরুণ কুমিরকে শিকারিরা মেরে ফেলল গুলি করে। তারপর তার চামড়া বেচে দিল ফ্যাক্টরির কাছে, যেখানে সেই চামড়া দিয়ে বানানো হলো মেয়েদের হাতব্যাগ, মানিব্যাগ।
‘বলেছিলাম না, অর্থযোগের সম্ভাবনা!’ বলল বৃদ্ধ কুমির।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৫ঃ দুই আলোকচিত্রী

দুই আলোকচিত্রী বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে:
১ম বন্ধু: তোমাকে একটা প্রশ্ন করি।
২য় বন্ধু: করো।
১ম বন্ধু: ধরো, তুমি একটা নদীর সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছ। হঠাত দেখলে একটা মেয়ে নদীতে হাবুডুবু খাচ্ছে আর ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিতকার করছে। আশপাশে তুমি ছাড়া আর কেউ নেই। নদীর ঘাটে একটা নৌকা বাঁধা আছে। তুমি চাইলে মেয়েটাকে বাঁচানোর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে পারো, অথবা তোমার ক্যামেরায় এই চমতকার মুহূর্তটা ধারণ করতে পারো।
২য় বন্ধু: আচ্ছা।
১ম বন্ধু: প্রশ্নটা হলো, তুমি কোন লেন্স ব্যবহার করবে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৬ঃ মডেলের ছবি

‘সোজা হয়ে দাঁড়ান, এবার একটু ডান দিকে ঘুরুন। বাঁ দিকে আলতো করে শরীরটা এলিয়ে দিন। পা দুটো দুই দিকে একটু প্রসারিত করুন। ডান হাত মাথার ওপরে তুলে দিন। এবার একটু নিচু হোন…’

কী ভাবছেন? শারীরিক কসরতের প্রশিক্ষণ চলছে? জি না! একজন আলোকচিত্রী মডেলের ছবি তুলছেন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৭ঃ বাচালের মুখ বন্ধ ছবি

এক লোক গেছে একটা ক্যামেরার দোকানে।
লোক: ভাই, আমাকে এমন একটা ক্যামেরা দেখাতে পারেন, যেটা দিয়ে খুব দ্রুত ছবি ধারণ করা যায়?
দোকানদার: অবশ্যই আছে। এই দেখুন, এই ক্যামেরা দিয়ে আপনি একটা পড়ন্ত আপেলের ছবি তুলতে পারবেন।
লোক: না, ভাই, আমার আরও দ্রুত কাজ করে এমন ক্যামেরা চাই।
দোকানদার: আচ্ছা। তাহলে এই ক্যামেরাটা দেখুন, এটা দিয়ে আপনি একটা ছুটন্ত যুদ্ধবিমানের ছবি তুলতে পারবেন।
লোক: নাহ্! আমার আরও দ্রুত কিছু চাই!
দোকানদার: আপনি কেমন ছবি তুলতে চান, বলুন তো?
লোক: আসলে, আমার ছেলেটা একটা আস্ত বাচাল। ও মুখ বন্ধ করে আছে, এমন একটা ছবি তুলতে চাই!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৮ঃ সবাই হাসুন

আমেরিকার এক নেতা গেছেন আফ্রিকার এক জঙ্গলে। সেখানকার মানুষ ইংরেজিতে ‘ক-অক্ষর গো-মাংস’। তার পরও নেতা সবার সামনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য দাঁড়ালেন। সঙ্গে রইল একজন দোভাষী। বক্তব্য শেষ, লোকজন কিছু বলে না। তাই নেতা ঠিক করলেন, একটা কৌতুক বলে সবাইকে মজা দেবেন। ঝাড়া ১০ মিনিট ধরে একটা কৌতুক বললেন তিনি। দোভাষী সেটা মাত্র চার শব্দে সবার কাছে বর্ণনা করলেন। বর্ণনা শেষ হতেই সবাই হাসতে হাসতে গড়াগড়ি!
ভীষণ অবাক নেতা দোভাষীর কাছে জানতে চাইলেন, ‘মাত্র চার শব্দে কৌতুকটা শুনিয়ে দিলেন, আর সবাই সেটা বুঝলও?’
দোভাষীর জবাব, ‘গল্পটা এত লম্বা ছিল যে, সবাইকে বললাম, তিনি একটা কৌতুক বলেছেন, সবাই হাসুন!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৯ঃ শব্দের উচ্চারণ

১ম বন্ধু: খুব ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হলো। প্রথমে এল অ্যাঞ্জিনা পেকটোরিস, তারপর আর্টেরিওস্কেলেরোসিস! সেটা শেষ হতে না হতেই সোরিয়াসিস, সেটা শেষে হাইপোডারমিকস। এতেও শেষ নয়, টনসিলাইটিসও ছিল, সবশেষে এল অ্যাপেনডেকটোমি!
২য় বন্ধু: বলিস কী! এসব থেকে পার পেলি তুই শেষমেশ?
১ম বন্ধু: কীভাবে পার পেলাম জানি না, তবে এমন দাঁতভাঙা শব্দের উচ্চারণ এর আগে কোনো ভাইভায় করতে হয়নি!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬০ঃ দোভাষী

মেক্সিকান এক ডাকাত ডাকাতি করেছে টেক্সাসের এক হোমরাচোমরা নেতার বাসায়। নেতা সে সময় ছিলেন বাইরে। সব শুনে ছুটলেন ডাকাতের পিছু পিছু। টেক্সাসের সীমান্তে একটা পানশালায় ডাকাতটাকে দেখলেন তিনি। বন্দুক উঁচিয়ে তেড়ে গেলেন তাকে ধরতে।
ধরেই ইংরেজিতে হুমকি, ‘ব্যাটা, আমার মালপত্র কোথায় রেখেছিস? ভালো মানুষের মতো বলে ফেল, নয়তো ঠুস!’
ডাকাত ইংরেজির ‘ই’-ও বোঝে না। পানশালায় ইংরেজি-স্প্যানিশ—দুই ভাষাই জানে এমন একটা লোক বসে ছিল। সামনে এসে বলল, ‘আমি ওকে বুঝিয়ে বলছি, শান্ত হোন আপনি।’
বলেই স্প্যানিশ ভাষায় সব বুঝিয়ে বলল সে ডাকাতকে। ভয়ে ডাকাতটা মালপত্র কোথায় রেখেছে না রেখেছে সবকিছু বলে দিল।
টেক্সাসের নেতা জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী বলে?’ উদাস উদাস ভাব নিয়ে লোকটা বলল, ‘ডাকাত বলল, ব্যাটা গাধা, তুই আমাকে মারতে পারবি না! আমিই মারব তোকে!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬১ঃ সাহায্যের জন্য চিৎকার

দুই অনুবাদক একটা নৌকায় করে ভিনদেশে যাচ্ছেন—
সাঁতার জানেন?
জানি না, তবে নয়টা ভাষা জানি। ডুবে গেলে নয় ভাষায় সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে পারব!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬২ঃ গোপন কথা গোপন রাখা

গদা: লোকে যখন আমাকে তাদের গোপন কথা বলে, তখন আমি তাদের কথা খুব ভালো গোপন করতে পারি।

পদা: কিভাবে?

গদা: তারা যখন গোপন কথার প্যাচাল শুরু করে তখন মনযোগ দিয়ে শুনি না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৩ঃ দুজনেরই চাকরি যাবে

‘নিয়োগ দেয়া হইবে’ এমনি বিজ্ঞাপন দেখে বন অফিসে যোগাযোগ করতে গেল পল্টু। বন অফিসের কর্মকর্তা এদিক-ওদিক দেখে নিয়ে পল্টুর কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, ‘আপনার কাজটা খুবই গোপনীয়! শুনুন, আমাদের এখানকার বনে পশুপাখির সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে, তাই পর্যটকের সংখ্যাও কম। পর্যটকদের আকর্ষণ করতে আমরা আপনাকে একটা বাঘের পোশাক পরিয়ে দেব, সেটা পরে আপনি বনে ঘুরে বেড়াবেন। রাজি আছেন কি না, বলেন?’ সাত-পাঁচ ভেবে নিয়ে পল্টু উত্তর দিল, ‘রাজি’!
অতঃপর বাঘ সেজে বনে ঘুরে বেড়ায় পল্টু। মাঝেমধ্যে দু-একটা মানুষকে ভয়ও দেখায়। ভারি মজায় দিন কাটছিল তার।
কিন্তু হঠাৎ একদিন! বনে ঘুরতে ঘুরতে বাঘরূপী পল্টু পড়ল এক ভালুকের সামনে! আর যায় কোথায়! ‘মা গো, বাবা গো’ বলে তার সে কী চিৎকার!
ধীর পায়ে পল্টুর দিকে এগিয়ে এল বিকট দর্শন ভালুকটা! পল্টুর কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, ‘চুপ করো গর্দভ! নইলে দুজনেরই চাকরি যাবে!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৪ঃ উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ

এক গাধা জঙ্গলে বসে কাঁদছে। অন্য এক গাধা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল।
২য় গাধা: কী হলো, কাঁদছ কেন?
১ম গাধা: আমি আগে এক ধোপার বাড়িতে কাজ করতাম, সে বাড়ির কথা খুব মনে পড়ছে।
২য় গাধা: মালিক বুঝি তোমাকে খুব আদর করত?
১ম গাধা: না, খুব মারত।
২য় গাধা: তাহলে কাঁদছ কেন?
১ম গাধা: ওই বাড়িতে আমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ছিল।
২য় গাধা: কী রকম?
১ম গাধা: মালিক প্রায়ই তার তরুণী মেয়েটাকে মারত, আর বলত, ‘তোকে আমি গাধার সঙ্গে বিয়ে দেব, তবু ওই বখাটেটাকে মেনে নেব না!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৫ঃ কপালটাই খারাপ

জগলুল সাহেব হোটেলে পানীয় সামনে নিয়ে বসে আছেন। এমন সময় বিশালদেহী এক লোক এসে তাঁর সামনে রাখা কোমল পানীয়টা কেড়ে নিয়ে খেয়ে ফেলল। হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলেন জগলুল।
বিশালদেহী: ‘আরে, কাঁদছেন কেন মশাই! আমি আপনাকে আবার কিনে দিচ্ছি।’
জগলুল সাহেব: ‘আর বলবেন না, ভাই, আমার কপালটাই খারাপ। আমার সবকিছুই লোকে কেড়ে নিয়ে যায়। বছরজুড়ে আমি কেবল নিঃস্বই হলাম। বছরের শুরুতেই বস আমার চাকরিটা কেড়ে নিল, বাড়িভাড়া দিতে পারছিলাম না বলে বছরের মাঝামাঝি এসে বাড়িওয়ালা কেড়ে নিল ঘরের চাবি, বউটাও কেড়ে নিল অন্য লোকে। রাগে-দুঃখে বছরের শেষে আত্মহত্যা করব বলে বসেছিলাম এখানে। পানীয়র সঙ্গে বিষ মিশিয়ে মাত্র খাব বলে ভাবছি, তা-ও আপনি কেড়ে নিলেন!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৬ঃ স্লিম হওয়ার সিক্রেট

পদা: কি রে গদা, ডায়েট করছিস নাকি? তোকে ইদানিং বেশ স্লিম লাগছে। সিক্রেটটা কী?

গদা: “দারিদ্রতা”।

 

 জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৭ঃ নতুন জোকস

গদা: কখনো কি “না” আর “আমিও না” নিয়ে কোন জোকস শুনছিস?
পদা: না
গদা: আমিও না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৮ঃ রসায়নের নতুন একটি সূত্র

এক লোক পানিতে ঝাঁপ দিল, আর কোনো দিন ফিরল না।
আরেক লোক পানিতে ঝাঁপ দিল, সে-ও আর কোনো দিন ফিরল না।
আমি রসায়নের নতুন একটি সূত্র খুঁজে পেলাম—মানুষ পানিতে দ্রবীভূত হয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৯ঃ প্রশংসা

মশার বাচ্চা প্রথমবারের মতো উড়তে বের হয়েছে। সারা রাত উড়ে সকালের দিকে বাসায় আসার পর মশার বাবা জিজ্ঞেস করল—‘তো বাবা, উড়ে কেমন মজা পেলে?’
মশার বাচ্চাটি উত্তর দিল, ‘উড়ে অনেক মজা বাবা। কী বলব আর সে কথা। যত মানুষের সঙ্গে দেখা হয়েছে, সবাই কত হাততালি দিল!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭০ঃ ভুল হলেও সত্যি

ঘটনাটা অধরাকে নিয়ে। মেডিকেলের ফার্স্ট প্রফ পরীক্ষা। সবাই যে যার জায়গায় বসে অপেক্ষা করছে, কখন পরীক্ষা শুরু হবে। এ সময় একটা ছেলে রুমে ঢুকে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করল। আমরা ভাবলাম, বেচারা সিট খুঁজে পাচ্ছে না। অধরা সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে ছেলেটাকে ডেকে বলল, ‘কিরে? সিট খুঁজে পাচ্ছিস না? তোকে তো ক্লাসে আগে দেখিনি, নতুন আসলি নাকি? আমার পাশে জায়গা আছে, বসে পড়।’ ছেলেটা দাঁড়িয়ে ওর কথা শুনল, অধরা আবার বলল, ‘বসে পড়, জায়গা পাবি না, মিলিয়ে লিখব আমরা।’ তখন ছেলেটা কিছু না বলে চলে গেল। অধরা বলল, ‘ইস, এমন ভাব যেন নিজেই সব পারে, এ জন্য সেধে সেধে কারও উপকার করতে হয় না। দেখব, কেমন নম্বর পাস।’ একটু পর দুজন টিচার ক্লাসে খাতা-প্রশ্ন নিয়ে ঢুকলেন। টিচারদের একজন ওই ছেলেটা, অধরা তো পুরা ‘থ’।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭১ঃ সান্ত্বনামূলক গান উৎসর্গ

রেডিওর একটি অনুষ্ঠানে ফোন করেছেন এক শ্রোতা।
কথাবন্ধু: স্বাগত! বলুন, কী বলতে চান।
শ্রোতা: সেদিন রাস্তায় হাঁটার পথে আমি একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে পেয়েছি। মানিব্যাগের ভেতর বেশ কিছু টাকা!
কথাবন্ধু: বাহ্! আপনি আমাদের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যার মানিব্যাগ, তাকে ফিরিয়ে দিতে চাইছেন?
শ্রোতা: জি না। আমি তার উদ্দেশে একটা সান্ত্বনামূলক গান উৎসর্গ করতে চাইছি!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭২ঃ এলোমেলো চুল

হায়দার সাহেব টেলিভিশনে একটা টক শোতে যাবেন। ভদ্রলোকের খুশির অন্ত নেই। নিজেকে টিভিতে যেন সুন্দর দেখায়, সেই লক্ষ্যে তিনি নতুন কাপড় কিনলেন, জুতা কিনলেন। কিন্তু সমস্যা হলো, বেচারার মাথায় সর্বসাকল্যে তিনটা মাত্র চুল আছে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বাকি সব চুল তার মাথার মায়া ত্যাগ করে চলে গেছে!
হায়দার সাহেব ভাবলেন, মাথায় তিনটা মাত্র চুল, তাতে কী? তিনি চিরুনি হাতে আয়নার সামনে বসে বেশ আয়োজন করে চুল আঁচড়াতে বসলেন। কিন্তু সমস্যা বাঁধল, আঁচড়াতে গিয়ে বেচারার একটা চুল গেল ছিঁড়ে! রইল বাকি দুইটা।
হায়দার সাহেব সৌন্দর্যসচেতন মানুষ! দুটি মাত্র চুল মাথায়, তাতে কী? এদেরও তো যত্নের প্রয়োজন! হায়দার সাহেব তাঁর চুল দুটিতে জেল মেখে একটু স্টাইল করার চেষ্টা করলেন। এই কসরত করতে গিয়ে বেচারার আরও একটা চুল ছিঁড়ে গেল! রইল বাকি মাত্র একটা।
রাগে-দুঃখে হায়দার সাহেব তাঁর একটি মাত্র চুল হাত দিয়ে নেড়েচেড়ে বললেন, ‘দূর ছাই! আজ এই এলোমেলো চুল নিয়েই টিভিতে যাব!’বাংলা

 

জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৩ঃ বিরক্ত

রহিম সাহেবের টেলিভিশনের দোকানে একদিন এক ছোকরা এল।
ছোকরা: চাচা, আমাকে একটা রেডিও দিন তো।
রহিম সাহেব: আমার দোকানে রেডিও নেই।
পরদিন আবারও এল ছোকরা।
ছোকরা: চাচা, আপনার দোকানে কি রেডিও আছে?
রহিম সাহেব: বললাম তো নেই!
পরদিন ছোকরা আবার এল। আবারও একই কথা! এবার খেপেই গেলেন রহিম সাহেব। ‘এই ছোকরা, তোকে বলেছি না, রেডিও নেই! আবার এলে একদম সুই-সুতা দিয়ে মুখ সেলাই করে দেব।’
পরদিন আবার এল ছোকরা।
ছোকরা: চাচা, আপনার দোকানে কী সুই-সুতা আছে?
রহিম সাহেব: না!
ছোকরা: তাহলে আমাকে একটা রেডিও দিন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৪ঃ মিথ্যুক কুকুর

‘কথা বলতে পারে, এমন একটি কুকুর বিক্রয় হবে’—এমনি বিজ্ঞাপন দেখে এক বাড়িতে হাজির হলেন করিম সাহেব। গিয়েই দেখা হলো কুকুরটির সঙ্গে।
করিম সাহেব: তুমি কথা বলতে পারো?
কুকুর: অবশ্যই!
বিস্ময়ে হতবাক হলেন করিম সাহেব। ‘কী আশ্চর্য’!
কুকুর: দীর্ঘদিন আমি রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছি। ইন্টারপোলের সঙ্গেও আমার বেশ ভালো যোগাযোগ। আমি অত্যন্ত উঁচু বংশীয়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আমার দাদার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। সেই আমাকে কি না আমার মালিক মাত্র ১০০০ টাকায় বিক্রি করে দিতে চাইছে, আফসোস!
কুকুরের মালিকের কাছে গেলেন করিম সাহেব। ‘এত চমৎকার একটা কুকুর আপনি বিক্রি করে দিতে চাইছেন! কেন?’
কুকুরের মালিক: করবই তো। ব্যাটা এক নম্বর মিথ্যুক!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৫ঃ বিয়ের আগে সিংহ

বনের ভেতর পথ চলতে চলতে শিয়াল দেখল, বিরাট ধুমধাম করে কারও বিয়ে হচ্ছে।
‘কার বিয়ে হচ্ছে গো?’ এক ইঁদুরকে সামনে পেয়ে প্রশ্ন করল শিয়াল।
ইঁদুর: আমার এক বন্ধুর।
বিয়েবাড়ি ঘুরে এসে শিয়াল ইঁদুরকে বলল, ‘তোমার বন্ধু কোথায়? এ তো দেখছি বনের রাজা সিংহের বিয়ে হচ্ছে!’
ইঁদুর: হাহ! বিয়ের আগে আমিও সিংহ ছিলাম!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৬ঃ মুরগিটার অপরাধ

নচ্ছার এক কাকাতুয়াকে নিয়ে ভারি বিপাকে পড়েছেন কাকাতুয়ার মালিক। একে তো কাকাতুয়াটা বাচাল, তার ওপর কাকাতুয়ার মুখে দিনরাত গালির ফুলকি ছোটে। ধরতে গেলেই ঠোকরাতে আসে। নানা রকম শাস্তি দেওয়া হলো তাকে। বাথরুমে বন্দী করে রাখা হলো, খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হলো—তবু সে ভদ্র হয় না। রেগেমেগে কাকাতুয়াটাকে ফ্রিজে ভরে রাখলেন মালিক।
কিছুক্ষণ পর ফ্রিজ খুলতেই হাতজোড় (পড়ুন পাখাজোড়) করল কাকাতুয়া। ‘ক্ষমা চাইছি মালিক, আর দুষ্টুমি করব না’। সন্তুষ্ট হলেন মালিক।
ফ্রিজ থেকে তাকে বের করতেই বিগলিত হাসি হেসে প্রশ্ন করল কাকাতুয়া, ‘যা হোক, ফ্রিজের ভেতরে রাখা মুরগিটা কী অপরাধ করেছিল, জানতে পারি?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৭ঃ জ্যোতিষী

জ্যোতিষীর কাছে গেছে ব্যাঙ।
জ্যোতিষী: খুব শিগগিরই তোমার একটা সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে দেখা হবে। সে তোমার ব্যাপারে সবকিছু জানবে।
ব্যাঙ: সত্যি! তার সঙ্গে আমার কোথায় দেখা হবে? নিশ্চয়ই কোনো পার্টিতে!
জ্যোতিষী: না। মেয়েটির জীববিজ্ঞান ব্যবহারিক ক্লাসে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৮ঃ বীরত্বের গল্প

তিন ইঁদুর নিজেদের বীরত্বের গল্প করছে।
প্রথম ইঁদুর: জানিস, সেদিন আমি এক বোতল ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে ফেলেছি, অথচ আমার কিছুই হয়নি।
দ্বিতীয় ইঁদুর: কিছুদিন আগে আমি একটা ফাঁদে আটকা পড়ে গেছিলাম। ফাঁদটা ভেঙে বেরিয়ে এসেছি।
তৃতীয় ইঁদুর: তোরা গল্প কর, আমি আজ উঠি। বাড়ি ফিরে আবার পোষা বিড়ালটাকে খাবার দিতে হবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৯ঃ দত্তক

গাছের মগডালে উঠে বারবার লাফিয়ে পড়ছে একটা মুরগির ছানা। বোঝা যাচ্ছে, সে উড়তে চেষ্টা করছে।
পাশের গাছে বসে দৃশ্যটি দেখছে এক কাক দম্পতি।
স্ত্রী কাক: আমার মনে হয় ওকে জানিয়ে দেওয়ার সময় হয়েছে, আমরা ওকে দত্তক নিয়েছিলাম!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮০ঃ যৌতুক

এক লোক তার প্রতিবেশীর সঙ্গে গল্প করছে। গল্পের মূল বিষয় তার মেয়ের বিয়ে। সে বলল, অন্যরা তাদের মেয়ের বিয়েতে কী দেয়, সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। তবে আমি আমার মেয়ের বিয়েতে এমন কিছু দেব, যা দেখে সবাই অবাক হয়ে যাবে।
প্রতিবেশী জানতে চাইল, কী দেবেন আপনার মেয়ের বিয়েতে?
লোকটি বলল, আমি আমার মেয়ের বিয়েতে হাতি-ঘোড়া দেব।
প্রতিবেশী বলল, বলেন কী! আজকাল তো হাতি-ঘোড়ার প্রচলন নেই। হাতি-ঘোড়া পাবেন কোথায়?
লোকটা হেসে বলল, আরে, হাতি-ঘোড়ার প্রচলন নেই তো কী হয়েছে। একটা দাবার ঘর কিনে দিয়ে দেব। হাতি, ঘোড়া, রাজা, মন্ত্রী—সবই দেওয়া হয়ে যাবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮১ঃ মুচকি হাসে

দেবর-ভাবির মধ্যে কথা হচ্ছে। দেবর লাজুক হাসি হেসে বলল, জানেন ভাবি, কলেজে একটা মেয়ে আমাকে দেখে মুচকি হাসে।
ভাবি বলল, তা-ও তো ভালো, মেয়েটা তোমাকে দেখে মুচকি হাসে। আমি যখন এ বাড়িতে এসে প্রথম তোমাকে দেখেছিলাম, আমি তো টানা তিন দিন হাসি থামাতে পারিনি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮২ঃ পরীক্ষার ফলাফল

দুই অভিভাবক তাদের সন্তানের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আলোচনা করছে।
‘তা আপনার ছেলে অঙ্কে কত পেল?’
দ্বিতীয় অভিভাবকের জবাব, ‘পঁচানব্বই।’ শুনে প্রথম অভিভাবক প্রায় লাফিয়ে উঠে বললেন, ‘বলেন কী আপনি! পঁচানব্বই? আপনার এক ছেলেই পঁচানব্বই পেয়েছে? পঁচানব্বই পেলে তো আমার দু-দুটো ছেলে পাস করে যেত।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৩ঃ ফাস্ট ফুড

দুই সিংহ বসে গাছতলায় জিরোচ্ছে। একটি মা সিংহ, আরেকটি বাচ্চা সিংহ। এমন সময় বাচ্চা সিংহটি দেখতে পেল একটি হরিণ এদের দেখে দ্রুত দৌড়ে পালাচ্ছে। বাচ্চা সিংহটি তার মাকে বলল, ‘আচ্ছা মা, এই যে দ্রুত দৌড়ে যাচ্ছে, এটা কী?’ মা সিংহের জবাব, ‘ফাস্ট ফুড।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৪ঃ পিকনিক

মা-মশা বলছে তার সন্তানদের, তোমরা যদি সারা দিন ভালো আচরণ করো, তাহলে রাতে তোমাদের পিকনিকে নিয়ে যাব।
—পিকনিকে? কোথায় হবে সেটা?
—পাশের বনে। একদল ট্যুরিস্ট এসেছে। সারা রাত কাটাবে ওখানে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৫ঃ ল্যাং মেরে

হাতির পিঠে বসে আছে দুই পিঁপড়ে। কথা বলছে।
—এই হাতি ব্যাটার আয়ু শেষ! একটু পরেই আমরা ওকে পা দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মেরে ফেলব। তবে তার আগে ছোট্ট একটা কাজ বাকি আছে: ব্যাটাকে ল্যাং মেরে ফেলে দিতে হবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৬ঃ মুরগির বয়স

দুই শেয়ালের কথোপকথন। শিশু শেয়াল প্রশ্ন করল, মুরগির বয়স জানার উপায় কী?
—দাঁতের মাধ্যমে।
—কিন্তু মুরগির তো দাঁত নেই।
—আমাদের তো আছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৭ঃ কুকুরের অনেক কাজ

এক কুকুর বলছে আরেক কুকরকে:
—চলো না, ঘুরতে বেরোই! পথে এটা-ওটা শুঁকব, এটা-ওটা খুঁজব, চাটব… চলো না! বেকার বসে থাকতে আর ভালো লাগছে না।
—না রে, ভাই, আজ যেতে পারব না, বলল দ্বিতীয় কুকুর। অনেক কাজ আছে।
—কী কাজ?
—আমার মালিক আজ তার জমিতে সার দেবে। আমাকে তার পেছন পেছন দৌড়াতে হবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৮ঃ হস্তিনীর বয়ফ্রেন্ড

কলবেল বাজল। দরজা খুলল এক হাতি। দেখল, মশা দাঁড়িয়ে সেখানে।
—হস্তিনী বাসায়? প্রশ্ন করল মশা।
—না। বাইরে গেছে।
—ঠিক আছে। ফিরলে বোলো, তার বয়ফ্রেন্ড এসেছিল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৯ঃ সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্স

এক ঘোড়া ছুটছে প্রচণ্ড গতিতে। তারপর হঠাৎ থেমে চলতে শুরু করল ধীরে ধীরে। তারপর আবার গতি বাড়িয়ে ছুটতে থাকল। একসময় আচমকা উল্টোদিকে ঘুরে আবার দৌড়াতে শুরু করল।
অদূরে দাঁড়িয়ে ছিল দুটো ঘোড়া। একটি প্রশ্ন করল:
—কী ব্যাপার? ওর হয়েছেটা কী?
—আর বোলো না! সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্সে ভুগছে সে। নিজেকে গাড়ি মনে করছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯০ঃ আগে যদি বলতেন

নদীর পাড়ে ছবি তুলছে ফটোগ্রাফার। এক মহিলা ছুটে এল তার দিকে, বলল:
‘জলদি আমার সঙ্গে চলুন, প্লিজ! আমার বান্ধবী পানিতে ডুবে যাচ্ছে।’
‘ইস! একটু আগে যদি বলতেন! আমার ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গেল এইমাত্র!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯১ঃ ইনকিউবেটর

মোরগ-মুরগি, স্বামী আর স্ত্রী, একসঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছে। ইনকিউবেটরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মুরগি বলল মোরগকে:
‘আমি একদমই ওই মুরগিগুলোকে বুঝতে পারি না, যারা নিজেদের বাচ্চাদের এতিমখানায় পাঠায়!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯২ঃ ব্রিজ থেকে আয়

দুই দেশের দুই অসৎ যোগাযোগমন্ত্রীর মধ্যে গোপন আলাপ চলছিল। নাইজেরিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী তাঁর দেশের একটি ব্রিজের ছবি দেখিয়ে বললেন, এটার বাজেট ছিল ২০ কোটি টাকা। কিন্তু আমি ১৫ কোটি টাকায় বানিয়ে বাকিটা হজম করেছি!
এরপর তৃতীয় বিশ্বের এক উন্নয়নশীল দেশের যোগাযোগমন্ত্রী একটি নদীর ছবি দেখিয়ে বললেন, এখানে ব্রিজ বানানো বাবদ বরাদ্দ ছিল ২০ কোটি টাকা।
‘কোথায় ব্রিজ? আমি তো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।’
মন্ত্রী মুচকি হেসে বললেন, ব্রিজ থেকে আমার আয় হয়েছে পুরো ২০ কোটি টাকা!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৩ঃ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড

একবার এক প্রকৌশলী বদলি হয়ে গেলেন এক এলাকার দায়িত্বে। গিয়েই তিনি তাঁর সহকারীকে আগের কয়েক বছরে কী কী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে, তার একটা রিপোর্ট করার নির্দেশ দিলেন। নির্দেশমতো তদন্ত করে সহকারী তাঁকে যথাসময়ে প্রতিবেদন দিলেন। তিনি ঘেঁটে দেখলেন, এলাকায় পানির সমস্যা নিরসনে একটি প্রশস্ত দিঘি খনন করার বাজেট দেওয়া হয়েছিল এবং রিপোর্টে উল্লেখ আছে, সেই দিঘিটা যথাসময়ে খনন করা হয়েছে। কিন্তু সমস্যা দাঁড়াল, যখন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি রিপোর্টে উল্লিখিত জায়গায় কোনো দিঘি পেলেন না, তাঁর আর বুঝতে বাকি রইল না আসলে কী ঘটেছে। তিনিও এর সুযোগ নিলেন, তিনি ওপরের মহলে রিপোর্ট করলেন যে এই এলাকার মানুষ দিঘি থেকে পানি পান করে বলে এখানে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি, তাই অচিরেই যেন এই দিঘি ভরাট করে এখানে নলকূপ স্থাপনের বাজেট দেওয়া হয়। যথাসময়ে বাজেট মিলল এবং ‘না কাটা’ দিঘি ভরাট হয়ে গেল; সেই সঙ্গে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর সহযোগীদের পকেটও ভরল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৪ঃ অর্থমন্ত্রীর পদ

অর্থমন্ত্রীর পদে নিয়োগ পেলেন জননেতা আবদুল কুদ্দুস। মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিন এসে দেখলেন, তাঁর টেবিলের ওপর আগের অর্থমন্ত্রী একটা চিরকুট আর তিনটি খাম রেখে গেছেন। চিরকুটে লেখা আছে, ‘যখনই কোনো সমস্যা হবে, একটা করে খাম খুলবেন এবং তাতে যা নির্দেশ দেওয়া আছে, তা পালন করবেন।’

প্রথম বছরেই প্রচণ্ড সংকটে পড়লেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট কিছুতেই মেলে না। তিনি একটা খাম খুললেন। তাতে লেখা আছে, ‘আগের সরকারকে ইচ্ছামতো গালি দিন।’ তিনি তা-ই করলেন।
আশ্চর্য ব্যাপার, সঙ্গে সঙ্গে ঝামেলা মিটে গেল।

পরের বছর বাজেট নিয়ে আবার তিনি বিপদে পড়লেন। এবার খুললেন দ্বিতীয় খাম, তাতে লেখা, ‘আগের সরকারের সব পরিকল্পনা বাতিল করে দিন।’
তিনি তা-ই করলেন।
আশ্চর্য, এবারও তিনি সমস্যা থেকে দিব্যি উতরে গেলেন।

এবার এল তৃতীয় বছর। এ বছরও ঘাটতি বাজেট নিয়ে জটিল সমস্যায় পড়ে গেলেন আবদুল কুদ্দুস। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তিন নম্বর খামটা খুললেন। তাতে লেখা, ‘এবার পদত্যাগ করুন এবং হুবহু তিনটা খাম তৈরি করে টেবিলের ওপর রেখে বিদায় হন।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৫ঃ বোনাসের বাজেট বাঁচাতে একটা নোটিশ

হঠাৎ লোকসানের মুখে পড়া এক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি কর্মচারীদের বার্ষিক বোনাসের বাজেট বাঁচাতে একটা নোটিশ টাঙাল—
আপনি যদি দামি কাপড় পরে অফিসে আসেন, তাহলে আমরা বুঝব আপনি খুবই সচ্ছল, বোনাসের এই সামান্য কটা টাকা না হলেও আপনার চলবে।
আপনি যদি আজেবাজে কাপড় পরে অফিসে আসেন, তাহলে আমরা বুঝব, আপনি ফালতু খরচ করেন। তাই বার্ষিক বোনাসের টাকা আপনাকে দেওয়া হবে না। কেননা আপনি সেটাও উড়িয়ে দেবেন।
আপনি যদি একদম ঠিকঠাক কাপড় পরে অফিসে আসেন, সে ক্ষেত্রে আমরা বুঝব, আপনি বেশ ভালোই আছেন। তাহলে বোনাসের টাকা নিয়ে করবেনটা কী শুনি?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৬ঃ চিরন্তন মেয়েলি সমস্যা

চিরন্তন মেয়েলি সমস্যা: কী খেলে যে ওজন কমানো যাবে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৭ঃ অসুখে পড়ে টিকটিকি

বনের ভেতরে টিকটিকি দেখে খরগোশ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল:
তুমি কে?
ডাইনোসর।
বললেই হলো! ডাইনোসর তো কবেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে!
বিলকুল মিথ্যা কথা! ভয়াবহ অসুখে পড়ে এই দশা হয়েছে আমাদের।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৮ঃ থলের অবস্থা

দুই ক্যাঙ্গারুর দেখা।
তোমার কটা বাচ্চা?
একটা।
আরেকটা নাও না কেন?
অর্থনৈতিক যে আকাল পড়েছে! থলের অবস্থা ভালো নয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৯ঃ দত্তক

এক কচ্ছপ গাছে উঠতে চেষ্টা করছে প্রাণপণে। একটু উঠেই পড়ে যায় আবার। ফের উদ্যোগ নিয়ে সে গাছের বাকল কামড়ে ধরে, শেষরক্ষা হয় না তবু। পড়ে যায় সে মাটিতে। কিন্তু আবার ওঠার কসরত করতে থাকে সে।
কচ্ছপের এই অধ্যবসায় মন দিয়ে লক্ষ করছিল গাছে বসা দুই বানর। এক বানর বলল অন্যটিকে:
আমার মনে হয়, ওকে বলার সময় এসেছে যে সে আমাদের সন্তান নয়। তাকে দত্তক নিয়েছি আমরা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩০০ঃ মেয়েলি যুক্তি

মেয়েলি যুক্তি: এ ছবিটা যখন তোলা হয়, তখন আমার বয়স এখনকার চেয়ে বেশি ছিল।

 

আরওপড়ুন…

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পেশা [ University Teacher Career ] ক্যারিয়ার ক্যাটালগ

A study report on inclusive secondary education environment for the children with special needs

কাওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা — একটি সমীক্ষা

error: Content is protected !!